Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবন ১৪২৭, ২৪ যিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী

পাবনায় ফের বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু , নিখোঁজ-১

পাবনা থেকে স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ জুলাই, ২০১৯, ১০:২৭ এএম

পাবনার বেড়া উপজেলায় আবার বজ্রপাতে ১ জন নিহত , নিখোঁজ রয়েছেন একজন। যমুনা নদীতে নৌকায় ফেরার পথে বজ্রপাতে নৌকার এক মাঝি নিহত হন। এ ঘটনায় অপর একজন মাঝি নদীতে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঐ উপজেলার নাকালিয়ায় যমুনায় নদীতে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম ঈমান আলী (৫০), তিনি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মৃত- রফিকুল ইসলামের পুত্র । আর নিখোঁজ সাইফুল ইসলাম-এর (৩০) বাড়ি নাটোর জলোর নলডাঙ্গা উপজেলায়। সে ঐ উপজেলার মৃত- সোলেমান আলীর পুত্র।
বেড়া উপজেলার হাটুরিয়া-নাকালিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ জানান, একটি শ্যালো ইঞ্জিন চালিত নৌকা রাজশাহী থেকে আম ও কলা নিয়ে ঢাকায় গিয়েছিল। একটি আড়তে আম ও কলা নামিয়ে দিয়ে তারা রবিবার রাজশাহী ফিরে যাচ্ছিলেন।
রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাঁদের নৌকা নাকালিয়া বাজারের সামনে মাঝ যমুনায় পৌঁছালে বৃষ্টির সাথে বজ্রপাত হয়। এতে নৌকার মাঝি ঈমান আলী গুরুতর আহত হন এবং অপর মাল্লা সাইফুল ইসলাম যমুনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। স্থানীয়রা অপর একটি নৌকা নিয়ে ঈমান আলীকে উদ্ধার করে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়রা নদীতে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। তবে নদীতে প্রচন্ড স্রোতের কারণে উদ্ধার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
বেড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহেল আহম্মেদ জানান, নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। সোমবার সকালে পাবনা ও রাজশাহী থেকে ডুবুরী দল আসলে উদ্ধার অভিযান চালানো হবে।

বেড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসিফ আনাম সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা করে বলেন , ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবরী দল এলে তিনি আবার ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান তদারকি করবেন।
প্রসঙ্গত : পাবনায় ঘনঘন বজ্রপাতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বজ্রপাত

১০ জুলাই, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন