Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০৯ ভাদ্র ১৪২৬, ২২ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি

নাগেশ্বরী-কুড়িগ্রাম সড়কে পানি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৬ জুলাই, ২০১৯, ১০:২১ এএম

টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি ঘটেছে। ধরলা বিপদসীমার ১১২ সে.মি,, ব্রহ্মপূত্র ১২১ সে.মি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ৫৫টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্লাবিত হয়েছে ৩৯০টি গ্রামের প্রায় ৩ লাখ মানুষ। অস্বাভাবিকহারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যোগাযোগ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুড়িগ্রাম-নাগেশ^রী সড়কের উপর দিয়ে হাঁটু পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এরফলে ফুলবাড়ী, ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ^রী উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ জেলার সাথে চরম ভোগান্তির মধ্যে পারাপার করছে। অপরদিকে নাগেশ^রীতে নদী তীর রক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে। এতে স্থানীদের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে কুড়িগ্রামে ৩টি পৌরসভাসহ ৭৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৫টি ইউনিয়নের ৩৯০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। প্রলংকারী বন্যায় ৭৩ হাজার ৫১১টি পরিবারের ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪ জন মানুষ দুর্ভোগে পরেছে। বন্যায় ২৭৫ প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ২২ দশমিক ৩০ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৬টি ব্রীজ/কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় ৯শ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ৫২২ জন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা পরিস্থিতি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ