Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ০৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২০ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

বন্যা প্রায় অপরিবর্তিত

ফুলে আছে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা : লাখো বানভাসির দুঃসহ দিনযাপন : খাবার, বাসস্থান ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট : ঢাকা-বগুড়া রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

শফিউল আলম | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

অবিরাম দুই সপ্তাহের ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত আপাতত থেমেছে। প্রধান নদ-নদীগুলোর উজান অববাহিকা বা উৎসস্থল ভারতে ও হিমালয় পাদদেশসহ নেপালে গত দুই দিনে তেমন বর্ষণ নেই। বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাত ‘বিরতি’ দিয়েছে। এ অঞ্চলে বর্ষার মৌসুমী বায়ু আগে সক্রিয় থাকলেও এখন দুর্বল। তবে আসামসহ উত্তর-পূর্ব ভারতে পাহাড়ি ঢলের জমে থাকা পানি ভাটিতে নামছে। এরফলে গতকাল (বুধবার) পর্যন্ত সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। লাখো বানভাসি দুঃসহ দিনযাপন করছে। বন্যার্তদের খাবার, বাসস্থান, চিকিৎসা ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট এ মুহূর্তে তীব্র। বসতহারা অগণিত মানুষ বিশেষত শিশু-বৃদ্ধ ও অসুস্থরা বাঁধের ওপর কিংবা খোলা জায়গায় অতিকষ্টে দিনরাত কাটাচ্ছে।

এতোদিন ধরে ফুলে ফুঁসে থাকা ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদসহ অন্যান্য নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে উত্তরাঞ্চল থেকে মধ্যাঞ্চল নদ-নদীসমূহের দুই পাড়ের গ্রাম-জনপদ, রাস্তাঘাট, ফল-ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। ভাঙছে নদ-নদীর তীর। বিলীন হচ্ছে জমা-জমি বসতঘর। বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পাড়া মহল্লা প্লাবিত হচ্ছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে বহু গ্রাম-পাড়া। ভাঙনের ভীতি ও দুশ্চিন্তায় এসব এলাকার মানুষের চোখে নেই ঘুম।

অন্যদিকে বাংলাদেশের উপক‚লভাগ সংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে এখন লঘুচাপ-নিম্নচাপ না থাকায় উত্তর-মধ্যাঞ্চলের বানের পানি মেঘনা মোহনা দিয়ে দ্রুত নামছে সাগরে। তাছাড়া উজানে ও দেশে বৃষ্টিপাত তেমন না থাকার ফলে বন্যা পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, গতকাল ২৪ ঘণ্টায় দেশের নদ-নদীসমূহের ৯৩টি পানির সমতল পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৪৯টিতে পানি বৃদ্ধি পায়। হ্রাস পেয়েছে ৩৮টি এবং অপরিবর্তিত আছে পয়েন্টে। বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় ২৩টি পয়েন্টে। তবে আগের দিন (মঙ্গলবার) নদ-নদীসমূহে পানি বৃদ্ধি পায় ৬৩ এবং হ্রাস পায় ২৯ পয়েন্টে।

গতকালও বাংলাদেশের নদ-নদী অঞ্চলে এবং এর সংলগ্ন উজানভাগে উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টিপাত তেমন নেই। শুধু মেঘালয়ে ৪২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ ও ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসে জানা যায়, বাংলাদেশের উজানের ভারতীয় রাজ্যগুলোতে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মার নদ-নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময়ে কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মোলভীবাজার, সিলেট ও হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

নদ-নদীর পানি হ্রাস-বৃদ্ধি পরিস্থিতি
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সর্বশেষ নদ-নদীর পানিপ্রবাহ তথ্যে জানা গেছে, গতকাল উত্তরাঞ্চলের প্রধান অববাহিকায় ব্রহ্মপুত্র নদে বিপদসীমার ঊর্ধ্বে পানি আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদ নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১০৩ সে.মি. ও চিলমারী পয়েন্টে ১৩২ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা বাহাদুরাবাদে বিপদসীমার ১৬২ সে.মি. ঊর্ধ্বে রয়েছে। যা অতীত রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। তাছাড়া যমুনা ফুলছড়ি পয়েন্টে ১৫০ সে.মি., সারিয়াকান্দিতে ১১৭ সে.মি., কাজিপুরে ১১১ সে.মি., সিরাজগঞ্জে ৭৮ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরিচায় যমুনার পানি বিপদসীমার সন্নিকটে।

উত্তর জনপদে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১১৬ সে.মি. উপরে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর বিপদসীমার কিছুটা নিচে নেমেছে। গাইবান্ধায় ঘাগট নদী বিপদসীমার ৯০ সে.মি. ঊর্ধ্বে প্রবাহিত হচ্ছে। মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত হওয়া বন্যায় টাঙ্গাইলের এলাসিন ঘাটে ধলেশ্বরী নদী বিপদসীমায় আরও বেড়ে গিয়ে ৫১ ঊর্ধ্বে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল বাঘাবাড়িতে আত্রাই নদীর পানি আরও বেড়ে বিপদসীমার ২৭ সে.মি. ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই। পদ্মার ভাটিতে গোয়ালন্দে পানি আরও বেড়ে গিয়ে বিপদসীমার ১৭ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পদ্মার ভাটিতে পানি আরও বেড়েছে। ভাগ্যক‚লে বিপদসীমার ২০ সে.মি. ও সুরেশ্বরে ৬৪ সে.মি. নিচে রয়েছে।

আপার মেঘনা অববাহিকায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর তিনটি করে পয়েন্টে পানি কমে গিয়ে এখন বিপদসীমার ৫০ থেকে ৮৬ সে.মি উপর দিয়ে বইছে। হ্রাস পেয়েছে মনু নদীর পানিও। মৌলভীবাজারে মনু ৩৭ সে.মি ঊর্ধ্বে রয়েছে। খোয়াই নদী বিপদসীমার নিচে নেমেছে। পুরাতন সুরমা নদী দিরাইয়ে ৯ সেমি ওপরে রয়েছে। সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দায় ৬৫ সেমি ঊর্ধ্বে রয়েছে। কংস নদী জারিয়াজঞ্জাইলে বিপদসীমার ২৬ সেমি ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল তিতাস নদীতে পানি বেড়ে গিয়ে ব্রাহ্মনবাড়িয়ায় বিপদসীমার ৭ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

সিলেট : সিলেটের সুরমা-কুশিয়ারাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি এখনও বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যে কারণে এখনও প্লাবিত রয়েছে নিম্নাঞ্চল। গত মঙ্গল-বুধবার থেকে নদীগুলোর পানি কিছুটা কমেছে। পানি কমতে শুরু করায় পানিবাহী রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধার বাদিয়াখালি থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার রেললাইনে বন্যার পানি ওঠায় রংপুর-গাইবান্ধা-বগুড়া হয়ে ঢাকা রুটে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুর থেকে গাইবান্ধা হয়ে রংপুর-লালমনিরহাট-ঢাকা রুটে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল। এতে লালমনিরহাট-ঢাকা ও রংপুর-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর ট্রেন পার্বতীপুর হয়ে ঢাকা যাচ্ছে।

রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় ম্যানেজার মুহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন, লালমনিরহাট-ঢাকা রেলরুটের গাইবান্ধা জেলার বাদিয়াখালি থেকে ত্রিমোহনী পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার লাইনের ওপর ১ ফিট বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লালমনি এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি ধীরগতিতে বিলম্বে লালমনিরহাট পৌঁছেছে। এরপর একই ট্রেন ঢাকার উদ্দেশে আবারও যাত্রা করে রংপুরের কাউনিয়া স্টেশনে আটকে যায়।

কুড়িগ্রাম : ঘরে শুকনো খাবার নেই। নেই রান্নার খড়িও। নলকুপ তলিয়ে থাকায় মিলছে না বিশুদ্ধ খাবার পানি। টয়লেট ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ছে বিড়ম্বনা। এ চিত্র এখন কুড়িগ্রামের ৪ শতাধিক চরাঞ্চলসহ জেলার ৫৬ ইউনিয়নের দেড় লক্ষাধিক পরিবারের। এসব পরিবারের প্রায় সোয়া ৬ লাখ মানুষ তাদের গবাদি পশুসহ অবর্ণনীয় কষ্টে দিন পার করছেন। শুকনো খাবারের তীব্র সঙ্কটে পড়েছেন পানির মাঝে বসবাসকারী পরিবারগুলো।

নগদ টাকার অভাবে অনেক পরিবারের ভাগ্যে জুটছে না দোকান থেকে কেনা শুকনো খাবার। পাশাপাশি টয়লেটের ব্যবস্থা না থাকায় রাতের বেলাই উন্মুক্ত স্থানে সাড়তে হচ্ছে তাদের প্রাকৃতিক কাজ। বিশেষ করে বেশি বিড়ম্বনায় পড়েছে নারীরা।

লালমনিরহাট : লালমনিরহাটের বানভাসী মানুষজনের দুর্ভোগ কমেনি। এখন পর্যন্ত সরকারী কিংবা বেসরকারীভাবে বন্যা দূর্গত এলাকার মানুষের মাঝে যে পরিমান ত্রাণ বিতরন করা হয়েছে তা খুবই সামান্য বলে জানিয়েছেন বন্যা কবলিত মানুষজন। ফলে তারা চরম দু:খ কষ্টের মধ্যে দিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।

নওগাঁ : নওগাঁর পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নের চকবালু নামক স্থানে ভেঙে প্রসাদপুর-জোকাহাট যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে।
নীলফামারী : নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। উজানের ঢল ও বৃষ্টিপাত না থাকায় নিচু এলাকা থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে।

কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) : টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানির চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কাপ্তাই বাঁধের সবক’টি স্পিলওয়ে খুলে দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে আটটায় ১৬টি ফটক স্পিলওয়ে ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেন কর্তৃপক্ষ। স্বাভাবিক নিয়মে এ সময় কাপ্তাই হ্রদে ৮৬.৪০ এমএসএল (মিনস সি লেভেল) পানি থাকার কথা থাকলেও রাত ৮টা পর্যন্ত পানি রয়েছে ১০৬.৩০ এমএসএল। কাপ্তাই বাঁধের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। বর্তমানে স্বাভাবিকের চেয়ে হ্রদে ১৯.৯ ফুট পানি বেশি রয়েছে।

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মুড়াপাড়া-রূপগঞ্জ সদর এলাকার শীতলক্ষ্যা নদীর উপর দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে ফেরি যোগে চলাচল করছে যাত্রী সাধারণসহ যানবাহন গুলো। গত কয়েক দিনে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে ফেরি ঘাটের গ্যাংওয়ে ডুবে গেছে, জরাজীর্ণ পল্টুনে পানি ঢুকে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ফেরি দিয়েই পারাপার হচ্ছে ছোট-বড় সব ধরনের যানবাহন। হাটু থেকে কোমড় পর্যন্ত পানি দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে কয়েকটি যানবাহন পানিতে আটক পড়ে গেছে।

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের উলিপুরে বন্যার্ত মানুষেরা নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিলেও বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও গবাদী পশু নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারিভাবে পর্যাপ্ত ত্রাণ তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। বন্যা দুর্গতরা শুকনো খাবারের জন্য হাহাকার করছেন।

শিবচর (মাদারীপুর) : পদ্মা নদীতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি নদী ভাঙন আগ্রাসী রুপ ধারন করেছে। ভাঙনের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পেয়ে অর্ধশত ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে ৩টি স্কুল ভবনসহ ৫টি স্কুল, ২টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র-কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন হাটবাজারসহ ৩ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হাজারো বসত বাড়ি। ভাঙন কবলিতরা নিরাপদ স্থানে ছুটে যাচ্ছেন।

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বুধবার সুন্দরগঞ্জ-কামারজানি বাঁধের চন্ডিপুর অংশে বন্যার পানি ছুই ছুই করছে। চন্ডিপুর গ্রামের লালচামার বাজারের কয়েক হাজার লোক বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আতঙ্কে রয়েছেন।

ইসলামপুর (জামালপুর) : জামালপুরের ইসলামপুরে রেল যোগাযোগ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তীব্র স্রোতে দুইধিক বসতভিটা ভেঙে গেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ বিশুদ্ধ খাবার পানি ও গো-খাদ্যের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ