Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ০৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২০ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

ভারত থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়ন করা হবে

পার্লামেন্টে অমিত শাহ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

ভারতে বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক আইন মেনে খুব দ্রæতই তাদের দেশ থেকে বিতাড়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গতকাল বুধবার রাজ্যসভায় এ কথা জানান তিনি।
আসামের মতো অন্যান্য রাজ্যেও জাতীয় নাগরিক তালিকা (এনআরসি) তৈরি করা হবে কি-না -সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জাভেদ আলি খানের এই প্রশ্নের উত্তর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, ‘দেশের যে কোনো প্রান্তে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে আসামের এনআরসি আপডেট করা হচ্ছে এবং ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করে চ‚ড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আসামের অবৈধ অভিবাসীদের চিহ্নিত করে এনআরসি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা ছিল বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং সেখানকার বাসিন্দারা এনআরসি নিয়ে একমত। এর ওপর ভিত্তি করেই বিজেপি ক্ষমতায় ফিরেছে। তাই দেশের প্রত্যেকটি ইঞ্চিতে বসবাসকারী অভিবাসীদের চিহ্নিত করে সরকার আন্তর্জাতিক আইন মেনে তাদের বিতাড়িত করা হবে।’
অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, এনআরসি সংশোধনের দাবিতে ২৫ লাখ স্বাক্ষরসহ আবেদনপত্র জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রেসিডেন্টের কাছে। অনেক ক্ষেত্রেই প্রকৃত নাগরিকের নাম বাদ গেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া নাম নথিভুক্ত হয়েছে। সেই কারণেই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টকে সরকার অনুরোধ জানিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দেরি হতে পারে, তবে কোনো ত্রুটি ছাড়াই সঠিকভাবে এনআরসি কার্যকর করা হবে। কোনো প্রকৃত নাগরিক যাতে এনআরসির বাইরে না থাকেন, তা নিশ্চিত করা সরকারের লক্ষ্য।
ভারতে বসবাসরত মুসলিম রোহিঙ্গার সংখ্যা কত জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঠিক রোহিঙ্গা মুসলিমের সংখ্যা কত সে বিষয়ে আমাদের কাছে সঠিক তথ্য নেই। রোহিঙ্গারা দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের অনেকে ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে ফেরত গেছেন। আমরা খুব দ্রুতই এ তথ্য পেয়ে যাবো।
২০১৫ সালে এনআরসি নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই আসামে বহু বাঙালি হিন্দু ও মুসলিম জনগোষ্ঠী নাগরিকত্ব হারানো এবং ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে আটক হওয়ার ভয়ে আত্মহত্যা করেন।
২০১৮ সালের ৩০ জুলাই প্রকাশিত আসামের খসড়া নাগরিকত্ব তালিকা থেকে ৪০ লাখের বেশি অধিবাসীর নাম বাদ দেয়া হয়েছিল। গত ২৬ জুন আগের বছরের খসড়া তালিকা থেকে যাচাই বাছাই করে আসামের আরও এক লাখ অধিবাসীকে বাদ দেয়া হয়। রাজ্যটিতে মোট ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষ বৈধ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলেও প্রকাশিত তালিকায় নাম আসে ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষের। এদের সবাই-ই বাঙালি বলে জানিয়েছে ভারত সরকার। এদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মের মানুষই আছে। সূত্র : ওয়েবসাইট।



 

Show all comments
  • Miah Muhammad Adel ১৮ জুলাই, ২০১৯, ১০:১৭ এএম says : 0
    Government lacks the strength to oppose it.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত

২২ আগস্ট, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ