Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

কুড়িগ্রামে নতুন করে পানি বৃদ্ধির, নতুন করে ৫০ গ্রাম প্লাবিত

কুড়িগ্রাম জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৫ জুলাই, ২০১৯, ১২:২৩ পিএম

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমতে না কমতেই আবারো নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে ব্রহ্মপূত্র ও ধরলা নদীর পানি। বৃহ্সপতিবার সকালে ধরলা নদীর পানি ব্রীজ পয়েন্টে ২৭সে.মি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭৩ সে.মি এবং ব্রহ্মপূত্র নদের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১০স.মি বৃদ্ধি পেয়ে ৩৬ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টির ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। 

বন্যায় ধরলা অববাহিকার ৫০টি গ্রামের নি¤œাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ঘর-বাড়ি ও রাস্তাঘাট। কুড়িগ্রাম-সদরের বাংটুর ঘাট থেকে ফুলবাড়ী বাঁধের উপর পাকা রাস্তাটি বাংলাবাজার নামক স্থানে ভাঙনের মুখে পড়েছে। বাঁধটি ভাঙলে ২০-৩০টি গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পানির তোড়ে ভেঙে গেছে নাগেশ^রী পৌর এলাকার সাঞ্জুয়ার ভিটা সড়ক। তিস্তার ভাঙনে উলিপুর উপজেলার নাগরাকুড়া টি-বাঁধের ৫০ ফুট এলাকা পানির প্রবল চাপে ধবসে গেছে।
চর বড়লই গ্রামের বাসিন্দা আক্কাছ ও নাজমুল জানান, বাঁধের রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় বালুর বস্তা বাঁশের বল্লা দেয়া হয়েছিলো। পানির প্রবল চাপে তাও ধবসে গেছে। এখন যেকোন মুহূর্তে রাস্তাটি ভেঙে যাচ্ছে। আমরা গ্রামবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বা প্রশাসন কোন সাড়া দিচ্ছেনা।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: আরিফুল ইসলাম ও ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: মাছুমা ইয়াসমিন জানান, বাঁধটি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে।
বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি আর শুকনো খাবারসহ গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। টানা দু’সপ্তাহের বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩২৮জন মানুষ পানিবন্দী রয়েছে।
বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি আর শুকনো খাবারসহ গো-খাদ্যের তীব্র সংকট। টানা দু’সপ্তাহের বন্যায় জেলার ৯টি উপজেলার ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩২৮জন মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ফসলী জমিন পানিতে ডুবে নষ্ট হবার উপক্রম। জেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করা হলেও সেভাবে মাঠে নামেনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো পৌঁছেনি ত্রাণ।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্যা পরিস্থিতি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ