Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ২৭ চৈত্র ১৪২৬, ১৫ শাবান ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

ধর্ষণ মামলার আসামি ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) উপজেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৩০ জুলাই, ২০১৯, ১২:০০ এএম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি গ্রেফতারের ৭ ঘণ্টা পর থানা হাজত থেকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ধর্ষক আবুল কাশেম (৩৫) উপজেলার হোগলপাতি গ্রামের মো. হাতেম আলী খানের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা যায়, আসামি আবুল কাশেমের সাথে পার্শবর্তী কাঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের দেনছের আলী সরদারের মেয়ে সাবিনা বেগমের (২৫) ৬ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের তামিম নামের একটি ৩ বছরের পুত্র সন্তান রয়েছে। গত ১লা মার্চ আবুল কাশেম স্ত্রী সাবিনাকে গোপনে তালাক দেয়। তালাকের কথা গোপন রেখে আবুল কাশেম অবৈধভাবে সাবিনার সাথে জীবনযাপন করে। গত ১৮ মে মারধর করলে সাবিনা বাবার বাড়ি চলে যায়। বাবার বাড়ি থাকাকালীন গত ২০ জুন ডাকযোগে সে তালাকনামা পায় যা ১লা মার্চ দেয়া হয়েছে। গত রোববার দুপুরে সাবিনা মঠবাড়িয়া থানায় আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে।
মঠবাড়িয়া থানার এসআই সুভাষ ব্যানার্জি রোববার বিকেলে উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সামনের সড়ক থেকে আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে। পরে রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) হাসান মোস্তফা স্বপনের নির্দেশে আসামিকে ছেড়ে দেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুভাষ ব্যানার্জি বলেন, রোববার দুপুরে মামলা দায়েরের পর বিকেলে আসামি আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে রাখি। রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) হাসান মোস্তফা স্বপন আসামি নিয়ে তার অফিসে যেতে বলে। এ সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে হাতকড়া খুলে স্থানীয় মোশারফ হোসেন শরীফের জিম্মায় ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) হাসান মোস্তফা স্বপন জানান, মামলার বাদী তথ্য গোপন করে মামলা করায় আসামিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আব্দুল্লাহ জানান, নারী নির্যাতন মামলার এজাহার নামিয় গ্রেফতারকৃত আসামিকে এভাবে ছেড়ে দেয়া এখতিয়ার বহিভর্‚ত। মামলার বাদী সাবিনা অভিযোগ করে বলেন, গ্রেফতারের পর ছাড়া পেয়ে আবুল কাশেম তাকে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি দেয়ায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ