Inqilab Logo

ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ৫ কার্তিক ১৪২৭, ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

সেনা কর্মকর্তার মা হত্যাকান্ড

প্রকাশের সময় : ৭ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কোনো ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ
স্টাফ রিপোর্টার : উত্তরায় নিজ বাসায় কর্নেল খালেদ বিন ইউসুফের মা মনোয়ারা সুলতানা (৬৪) হত্যাকা-ে মামলা হলেও কোনো গ্রেফতার নেই। পুলিশ গতকাল পর্যন্ত এ হত্যাকা-ের সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। উদ্ধার করতে পারেনি কোনো ক্লু। উত্তরা ৯নং সেক্টরের ১নং রোডের ১১নং বাড়িতে ওই বৃদ্ধাকে জবাই করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ওই বাড়ির ভাড়াটিয়াসহ ১৭ জনকে এ পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
তবে উত্তরা জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার বিধান ত্রিপুরা বলছেন, থানা পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা টিম বিষয়টি তদন্ত করছে। সিআইডি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, আমরা খুবই আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করছি খুনিদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের জন্য।
রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাড়িতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে মনোয়ারা সুলতানা (৬৪) নামের এক বৃদ্ধাকে। হত্যার পর খুনিরা দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে যায়। গত রবিবার ভোরে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের বাড়ি থেকে দরজা ভেঙে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে। পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় সোফার ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল তার মৃতদেহ।
উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি আলী হোসেন খান বলেন, এখন পর্যন্ত খুনি শনাক্ত করা যায়নি। বৃদ্ধাকে হত্যার পেছনে জোরালো কোনো কারণও মিলছে না। তবে তদন্ত শেষে বের হয়ে আসবে হত্যাকা-ের রহস্য।
স্বজনরা জানায়, নিহত মনোয়ারার স্বামী আবু মোহাম্মদ ইউসুফ ছিলেন চিকিৎসক। তিনিই উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের ১ নম্বর রোডের পাঁচতলা ১১ নম্বর বাড়িটি তৈরি করেন। কয়েক বছর আগে স্বামী মারা গেলে মনোয়ারা বাড়িটির দ্বিতীয় তলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাটে একা থাকতেন। তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে ইকবাল ইবনে ইউসুফ অস্ট্রেলিয়ায়, মেজ ছেলে খালেদ বিন ইউসুফ চট্টগ্রাম ক্যান্টমেন্টে লে. কর্নেল হিসেবে কর্মরত এবং ছোট ছেলে আরমান ইবনে ইউসুফ আমেরিকায় থাকেন। ঘটনার সময় বাসায় স্বর্ণালংকার ও দুই লক্ষাধিক টাকা থাকলেও তা খোয়া যায়নি। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিরোধের তথ্য জানা নেই ঘনিষ্ঠদের।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, গতকাল পর্যন্ত অন্তত ১৭ জন ভাড়াটিয়াকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জন ব্যাচেলর শিক্ষার্থী রয়েছে।
উপস্থিত র‌্যাব-১-এর ডিএডি শাহজাহান বলেন, বাড়ির তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় বেশ কয়েকজন ব্যাচেলর শিক্ষার্থী মেস করে ভাড়া থাকত। তাদের থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সেনা কর্মকর্তার মা হত্যাকান্ড
আরও পড়ুন