Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ০১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ সফর ১৪৪১ হিজরী

জিয়ারতে মদীনা মোনাওয়ারাহ মসজিদে নববী সা.

আলহাজ মাওলানা এম. এ. মান্নান (রহ:) | প্রকাশের সময় : ৯ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

নবুয়তের ত্রয়োদশ বর্ষে ৮ রবিউল আওয়াল মোতাবেক ২০ সেপ্টেম্বর ৬২২ খৃষ্টাব্দে রাসূলে পাক (সা:) এর কদম মোবারক ‘ইয়াসরিব’ এর মাটি স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে এই স্থানের মর্যাদা পৃথিবীর মানচিত্রে এক বিশেষ পবিত্রতম স্থানে রূপান্তরিত হয়। এই গৌরব, এই মর্যাদা, এই পবিত্রতা শুধুমাত্র আকায়ে নামদার তাজেদারে মদীনা, নূরে মুজাচ্ছাম, সরদারে দু’জাহা সাইয়্যেদুল মুরছালিন হযরত মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পদ ধূলির বরকতেই সম্ভব হয়েছে। মদীনা মোনাওয়ারার এই সম্মান ও গৌরবের পিছনে আরও অনেকগুলো কারণ আছে। তার মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নি¤œরূপ-
১. সমস্ত পৃথিবী যখন রাসূলে পাক (সা:) এর বিরুদ্ধে; কোথাও এতটুকু আশ্রয় দেয়ার কেউ ছিল না। নবুয়তের সুদীর্ঘ তেরটি বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে যে কয়জনকে আল্লাহ পাকের ‘অহদানিয়াত’ এর উপর বিশ্বাস স্থাপন করাতে পেরেছিলেন, তাদের উপরও নেমে এসেছিল অমানুষিক নির্যাতন। অতি আপনজন থেকেও যে নিষ্ঠুর অত্যাচারের সম্মুখীন হয়েছিলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে তা অকল্পনীয়। এই নিষ্ঠুর অত্যাচার থেকে রাসূলে পাকও (সা:) বাঁচতে পারেননি। ‘শিয়াবে আবু তালেব’ এ তিন বছর নির্বাসিত জীবন যাপন করে, খাদ্য ও পানীয়ের অভাবে সাহাবায়ে কেরামসহ অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে, কংকালসার হয়েও কাফেরদরে মনে দয়ার উদ্রেক ঘটাতে সক্ষম হননি, ঠিক সেই সময় মদীনাবাসীদের মনে মানবতার মহান দায়িত্ববোধ জেগে ওঠে। তারা মক্কাবাসীদের নিষ্ঠুর নির্যাতনের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে রাসূলে পাক (সা:) ও তাঁর সহচরদের আমন্ত্রণ জানান মদীনায় হিজরত করার। মদীনাবাসীদের সশ্রদ্ধা আন্তরিক আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে রাসূলে পাক (সা:) মদীনায় হিজরত করেন।
২. মদীনা মোহাজেরদের আশ্রয় স্থানের গৌরব অর্জন করে।
৩. প্রতিটি যুদ্ধে মোহাজেরদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সর্বতোভাবে সাহায্যে এগিয়ে আসেন।
৪. যেখানে কুরআন পাকে বহু সূরা নাজিল হয়।
৫. এখান থেকেই কোরআন পাককে একত্রি করে লিপি বদ্ধ করে সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়।
৬. এই মদীনায়ই দু’জাহানের বাদশাহ রাসূলে পাক (সা:) চিরদিনের মত শায়িত আছেন।
৭. এই মদীনা থেকেই সারা বিশ্বে ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
৮. এই মদীনা থেকেই রাসূলে পাক (সা:) ইসলামের পরিপূর্ণতা দান করে, এই ‘দ্বারে ফানী’ থেকে ‘দ্বারে আখিরাতে’ তশরিফ নিয়ে যান। যাবার সময় তিনি আমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে যান এবং বলে যান যে, “এই দু’টি জিনিস আঁকড়ে ধরে থাকলে তোমরা কখনও বিপথগামী হবে না। সেই মহান জিনিস দু’টি হল, আল্লাহ পাকের কালাম- পবিত্র কোরআন এবং রাসূলে খোদা (সা:) এর অমিয়বাণী- আল হাদীস।”
৯. এখানেই রাসূলে পাক (সা:) এর নিজ হাতে গড়া মসজিদ, মসজিদে নবব্ ীআল্লাহর ঘর কাবার পরই যার মর্যাদা।
পবিত্র মদীনার নাম সমূহ: ১. তাইয়্যেবা, ২. বাইতে রাসূলুল্লাহ, ৩. আল মুসালিমাতুল আহবুবিয়া, ৪. দারুল ফাতাহ, ৫. হারামে রাসূলুল্লাহ, ৬. জাতুন নখল, ৭. ছায়েদাতুল বুলদান, ৮. আল বারা, ৯. আল জাবেরা, ১০. আল মুখতারা, ১১. কুব্বাতুল ইসলাম, ১২. কালবুল ঈমান, ১৩. দারুল আবরার, ১৪. আল মুমিনা, ১৫. দারুস সুন্নাত, ১৬. দারুল আখইয়ার, ১৭. দারুল হাসিনা, ১৮. জাতুল হারারাত, ১৯. আল মুবারাকা ইত্যাদি।
মসজিদে নববীর ইতিহাস: মসজিদে নববীর স্থান নির্বাচনের পিছনে একটি সুন্দর ইতিহাস আছে। রাসূলে পাক (সা:) যখন মদীনায় আগমন করছিলেন, তখন পথিমধ্যে প্রতিটি গোত্রের অধিপতিগণ অনুনয় ও বিনয় সহকারে বলতেন, “হুজুর (সা:) দয়া করে আমাদের এই দরিদ্রালয়ে পদ ধূলি দিয়ে কৃতার্থ করুন।” হুজুরে পাক (সা:) হাসিমুখে সকলকে এই বলে বিদায় দিতেন যে, “আপনারা আমার ভাই, সবাই আমার নিকট সমান আদরণীয়। তবে আমার অবস্থান করাটা এখন আল্লাহর হাতে।” এভাবে মধুর কণ্ঠে বলতেন, “সাল্লু ছাবিলাহা ফা ইন্নাহা মামুরাতুন।” অর্থাৎ- “উস্ট্রীটিকে যেতে দিন, সে হুকুম প্রাপ্তা। সে আপন ইচ্ছায় যেখানে গিয়ে থামবে আমি সেখানেই অবস্থান করব।” এই বলে নবীজী (সা:) অগ্রসর হতে লাগলেন। কিছু দূর যাবার পর নবীজী (সা:) এর মাতুল ইবনে নাজার এর বস্তির পার্শ্বে গিয়ে উটনী থেমে গেল। কিন্তু উটনীর হাবভাবে বুঝা গেল যে, সে যেন সন্দেহে পড়েছে। কিছুক্ষণ এদিক সেদিক তাকিয়ে আবার কিছু দূর এগিয়ে গেল। সন্দেহ তখনও তার কাটছিল না, হঠাৎ দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ পিছনের দিকে তাকিয়ে আবার পূর্ব স্থানে গিয়েই বসে পড়ল। এবার তার আর কোন সন্দেহ নেই। সে নিশ্চিত যে, এটিই হল তার কাক্সিক্ষত স্থান। পাশেই ছিল হযরত আবু আইয়ূব আনছারী (রা:) এর বাড়ি। ভাগ্য তাঁর আজ সুপ্রসন্ন। তিনি আনন্দে আত্মহারা। দৌঁড়ে এসে নবীজীর সামান নামাতে লেগে গেলেন। নবীজী তার বাড়িতে উঠে এলেন এবং কিছু দিন এখানেই অবস্থান করলেন। এখানে উটনী কেন থেমেছিল তার উত্তর দেয়া কঠিন হলেও নি¤েœ বর্ণিত ইতিহাসটি কিছুটা হলেও সেই রহস্যের জট খুলতে সাহায্য করবে।
এক কালে মদীনা ছিল মরুভ‚মি। সেই সময় ইয়ামানের বাদশাহ ‘তুব্বা হিমইয়ারী’ বিপুল সংখ্যক লোক-লস্কর নিয়ে এই পথ অতিক্রম করতে ছিলেন। তখন তার সঙ্গে ৪ শত আলেমও ছিল। এই আলেমদের নেতৃত্বে ছিলেন ‘শামুল’। এখানে ছোট্ট একটি মরুদ্যান এবং এর পাশেই প্রবাহিত একটি নহর দেখে বুঝে গেলেন যে, এই স্থানটিতে আখেরী নবী হিজরত করে অবস্থান গ্রহণ করবেন।
শামুল তার বন্ধু-বান্ধব নিয়ে এখানে বসতি স্থাপনের ইচ্ছে প্রকাশ করলেন। বাদশাহ তুব্বাও অবস্থানের ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু রাজ্যের গুরু দায়িত্বের কারণে থাকা সম্ভব হল না। যাবার সময় একটি ঈমান নামা লিখে শামুলের হাতে দিয়ে বলে গেলেন যে, “আপনার বংশের যেই নবীজীর সাক্ষাৎ পাবে, তিনি সেই নবীজীর নিকট আমার সালাম পৌঁছে দিয়ে ওই ঈমান নামাটি তাঁর হাতে পৌঁছে দেয়।” এই পত্রটি বংশ পরাম্পরায় ২৬ পুরুষের পর হযরত আবু আইয়ূব (রা:) এর হাতে পড়েছিল। নবীজী যে ঘরটিতে অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এই ঘরটিও সেই বাদশাহই নির্মাণ করে দিয়ে গিয়েছিলেন নবীজীর থাকার জন্য।
যে স্থানে উটনী বসে ছিল সেটি ছিল খেজুর শুকানোর একটি মাঠ। নবীজী এখানে একটি মসজিদ নির্মাণের ইচ্ছে প্রকাশ করে জানতে চাইলেন, “এই স্থানটির প্রকৃত মালিক কে?” এই স্থানটির মালিক ছিল দুই ইয়াতিমের। তাদের নাম ‘সুহেল’ ও ‘সুহায়েল’। রাসূলে পাক (সা:) যাচাই পূর্বক ১০ দেরহাম মূল্য নির্ধারণ করেন। এই মূল্য হযরত আবু বকর (রা:) পরিশোধ করে দেন।
মসজিদ নির্মাণ শুরু হয়ে গেল। নবীজী নিজেও এতে অংশগ্রহণ করলেন। নবীজীকে স্বহস্তে মসজিদ নির্মাণ করতে দেখে সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা শতগুণ বেড়ে গেল। এক ছাহাবী বলে উঠলেন, “যেখানে নবীজী কাজ করছেন সেখানে আমাদের বসে থাকলে ভুল হবে। আমরা আখিরাতের আরাম ছাড়া অন্য কোন আরাম চাই না। হে আল্লাহ, আনছার এবং মোহাজেরদের উপর রহমত বর্ষণ কর।”
মসজিদের আয়তন ৪২ শত বর্গহাত। উচ্চতা ছিল ৫ হাত। সপ্তম হিজরীতে ‘খায়বার’ এর যুদ্ধের পর মসজিদটি আরও প্রশস্ত করা হয়। তখন এর আয়তন দাঁড়ায় ১০ হাজার বর্গহাত। এই মসজিদে তিনটি দরজা রাখা হয়। একটি দরজা ছিল বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে। কেবলা পরিবর্তন হওয়ার পর সেই দরজাটি বন্ধ করে দেয়া হয়। মসজিদের দেয়াল কাঁচা ইট এবং পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়। খুঁটিগুলো ছিল খেজুর গাছের। ছাদ তৈরি করা হয়েছিল খেজুরের পাতা দিয়ে। মেহরাব: রাসূলে পাক (সা:) এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের জামানা পর্যন্ত এই মসজিদে কোন মেহরাব ছিল না। ৯১ হিজরীতে খলিফা ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিকের সময় মদীনার গভর্নর ওমর বিন আব্দুল আজীজ প্রথম মেহরাব তৈরি করেছেন।
মিম্বর: প্রথমে এই মসজিদে কোন মিম্বর ছিল না। রাসূলে পাক (সা:) খেজুর গাছের একটি খুঁটির সাথে হেলান দিয়ে খুৎবা দিতেন। পরে এক ব্যক্তি তিন-চার সিঁড়ির একটি মিম্বর বানিয়ে দেন। রাসূলে পাক (সা:) তৃতীয় সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতেন। এর বেশ কিছুদিন পর আমীর মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ান (রা:) একটি ছয় সিঁড়ির মিম্বর তৈরি করে দেন। ৬৫৪ হিজরীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে উক্ত মিম্বরটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ইয়ামানের বাদশাহ মুজাফ্ফর একটি নতুন মিম্বর বানিয়ে দেন। এই মিম্বরটি আবার ৭৯৪ হিজরীতে বাদশাহ জাহের বরকুক পরিবর্তন করেন। ৮৮৬ হিজরীতে মদীনাবাসীরা আবার এটির পরিবর্তন করেন। ৮৮৮ হিজরীতে আশ্রাফ কাফতেবায়ী মর্মর পাথর দিয়ে মিম্বর তৈরি করে দেন। ৯৭৮ হিজরীতে সুলতান মুরাদ উসমানী অত্যন্ত মূল্যবান কাঠ দিয়ে মিম্বর তৈরি করে উক্ত মিম্বরের স্থলাভিষিক্ত করেন।
মসজিদ সম্প্রসারণ: হযরত ওমর (রা:) এর সময় একবার এবং হযরত উসমান (রা:) এর সময় দ্বিতীয়বার মসজিদটি সম্প্রসারিত হয়।
৮৮ হিজরীতে খলিফা ওয়ালিদ বিন আ: মালেক পুরোপুরি নতুন ভাবে মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন। যা পাঁচ বছরে শেষ হয়। তিনি মসজিদে ৪টি মিনার সংযোজন করেন। সুলতান আ: মজিদ সানী আরও একটি মিনার সংযোজন করেন। ১৬১ হিজরীতে খলিফা আব্বাসী উত্তর দিক থেকে কিছু সম্প্রসারণ করেন। তখন এর আয়তন দাঁড়ায় দৈর্ঘ্যে ৩০০ হাত আর প্রস্থে ১৮০ হাত।
৬৫৪ হিজরীতে প্রকৃতকি দুর্যোগে মসজিদটি মারত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হলে আব্বাসীয় খলিফা মুতাছিম বিল্লাহ তা মেরামতের নির্দেশ দেন। এই মেরামত কার্যে আরও যারা অংশগ্রহণ করেছিলেন তারা হলেন, মিসরের বাদশাহ নুরুদ্দিন ছালেহ, নাছের মাহমুদুন, ফালদুন আল সেহালী, আশ্রাফ বরছাবায়ী, জাহের জকমক, সুলতান কায়তে বায়ী, ইয়ামানের বাদশাহ মোজাফ্ফর শামসুদ্দিন ইউসুফ, রুকুনুদ্দিন কেবরছ প্রমুখ।
(আলহাজ¦ মাওলানা এম. এ. মান্নান (রহ:)- এর রচনাবলী হতে সংগৃহীত)

১২৬৫ হিজরীতে সুলতান আ: মজিদ সম্পূর্ণ নতুন নকশা করে নির্মাণ কাজ আরম্ভ করেন যা সুদীর্ঘ তের বছরে সমাপ্ত হয়। এরপর কিছু সম্প্রসারণের কাজ করেন আ: আজীজ আল সউদ এবং বর্তমানেও সউদী বাদশাহগণ সম্প্রসারণ এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য প্রচুর কাজ করে চলেছেন। মিনার আছে ১০টি, মিনারের উচ্চতা ৪টির ৭২ মিটার আর ৬টির ৯২ মিটার, দরজার সংখ্যা ২৪টি। মাটির নিচে অজু, গোছলের এবং শৌচাগারের যে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তা তুলনাহীন, প্রতিটি শৌচাগারে উঠানামার জন্য এক্সেলেটর আছে। লাখো মানুষ এক সাথে হাজত পুরা করতে পারে।

জিয়ারত: জিয়ারতে মদীনা যাদের নছিব হবে তারাই হল পরম সৌভাগ্যবান। রাসূলে পাক (সা:) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার কবর জিয়ারত করবে, সে কিয়ামতের দিন আমার আশে পাশে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “যে ব্যক্তি আমার ইন্তিকালের পর আমার কবর জিয়ারত করল, সে যেন জীবদ্দশায়ই আমার জিয়ারত করল।” তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি আমার কবর জিয়ারত করল, আমার উপর তার জন্য শাফায়াত করা ওয়াজিব হয়ে গেল।”
উপরোক্ত হাদীসগুলো দ্বারাই বুঝা যায় একজন মুমিনের জন্য জিয়ারতে মদীনা কত বড় মহৎ ও সওয়াবের কাজ।
মদীনা শরীফে প্রবেশ করার সময় একাগ্রচিত্তে ভক্তি ও ভালবাসার সাথে দরূদ শরীফ পাঠ করতে থাকবেন।
মদীনা শরীফে পৌঁছে থাকার জায়গায় গিয়ে ভালভাবে অজু-গোছল করে, খুশবু ব্যবহার করে অত্যন্ত ভক্তি-শ্রদ্ধার সাথে মসজিদের দিকে রওয়ানা দিন। সম্ভব হলে ‘বাবে জিব্রীল’ দিয়ে প্রবেশ করুন। এসময় এই দোয়াটি পড়বেন, “বিসমিল্লাহি ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা।”
এরপর সম্ভব হলে সোজা রিয়াজুল জান্নাতে চলে আসুন, আর সম্ভব না হলে যেখানে জায়গা পাওয়া যায় সেখানে দুই রাকাত ‘তাহিয়্যাতুল মসজিদ’ নামাজ পড়––ন এবং জিয়ারত কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করুন।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন