Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ০৫ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ যিলহজ ১৪৪০ হিজরী।

কাশ্মীরের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়া সম্ভব নয় : ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৪ আগস্ট, ২০১৯, ১১:১০ এএম

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কিছুটা স্বস্তিতে নরেন্দ্র মোদি'র বিজেপি। গতকাল মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, এখনই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কোনো হস্তক্ষেপ নয়, সরকারকে এ বিষয়ে কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন।

এদিন, জম্মু-কাশ্মীরে কার্ফু, ১৪৪ ধারা, ইন্টেরনেট-ফোন পরিষেবা বন্ধসহ কেন্দ্রের একাধিক পদক্ষেপ দ্রুত তুলে নিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন সমাজকর্মী তেহসিন পুনাওয়ালা। তবে এই মামলার দ্রুত রায় দিতে রাজি হয়নি বিচারপতি অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। ওই বেঞ্চ জানায়, “আমরাও চাই শান্তি ফিরে আসুক। কিন্তু রাতারাতি সম্ভব নয়। এখনও কেউ জানে না ওখানে কী চলছে? সরকারের উপর আস্থা রাখতে হবে। এটি স্পর্শকাতর বিষয়।”

জম্মু-কাশ্মীরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের আগেই সেখানে কড়া নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। ৩৭০ ধারা বাতিল ঘোষণা হওয়ার পরপরই স্থানীয় রাজনৈতিক ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের গৃহবন্দি বা আটক করা হয়। কার্ফু ও ১৪৪ ধারা জারি করা হয় অধিকাংশ জায়গায়। ইন্টারনেট, মোবাইল পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে এই কড়াকড়ি একটু শিথিল করলেও ইন্টারনেট, মোবাইল পরিষেবা এখনও চালু করা হয়নি। দিনের শেষে ফের কড়া করে দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা। আবেদনকারীদের অভিযোগ, জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই তাদের আত্মীয়দের। এমনকী নিরাপত্তারক্ষীরাও তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না।

সরকার পক্ষের আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে বেণুগোপাল জানান, জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতির উপর সর্বক্ষণ নজর রাখছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সরকার নিয়ন্ত্রণ তুলে নেবে। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বেণুগোপাল মনে করান কাশ্মীরে পুরনো অভিজ্ঞতার কথা।

তিনি বলেন, “২০১৬ সালে বুরহান ওয়ানিসহ ৩ জঙ্গির মৃত্যুর পর এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাস্তায় নেমে পড়ে মানুষ। বিক্ষোভের জেরে ৪০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি।”



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন