Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

রামগড়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতির মূলনায়কসহ ৪ ডাকাত আটক

রামগড় (খাগড়াছড়ি) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৬ আগস্ট, ২০১৯, ৬:৫৪ পিএম

রামগড়ে সাম্প্রতিক কালের ৩টি চুরি ও ডাকাতির ঘটনার পর আবারো ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির মূলনায়কসহ ৪ ডাকাতকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ হাতে নাতে আটক করেছে রামগড় পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃৃহঃবার (১৬ আগষ্ট) রাত ৩ টা থেকে সাড়ে ৩ টার মধ্যে পৌরসভার কমপাড়া এলাকার চাউল ব্যবসায়ী মোঃ ইউসুফ এর বাড়ির পিছনের দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করেই প্রথমে সবাইকে একঘরে একত্রে হাত পা বেঁধে জিম্মি করে ৩ লাখ ৭ হাজার টাকা- সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণ ও ৩টি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে সকাল সাড়ে ৫টার সময় সোনাইপুল ফরেনার্স চেক পোষ্টের সামনে দিয়ে সিএনজি যোগে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সন্দেহজনক ৩জনকে আটক করে তল্লাশি করে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১শত ৯৫ টাকা, ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১টি মোবাইল সেট উদ্ধার করে। আটককৃতরা হলেন, রামগড়ের তৈছালাপাড়া মৃত আব্দুল সালাম এর ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৫), নোয়াখালী পশ্চিম শুলকিয়া গ্রামের মৃত চৌধুরী মিয়ার ছেলে মোঃ শাহ আলম টুকু (৩৫) ও মিরশ্বরাই উপজেলার পশ্চিম মলিয়াইশ গ্রামের মৃত আহসান উল্যাহর ছেলে নুরুন্নবী (৩০) পরে এদের দেয়া তথ্যের ভিক্তিতে ভোরে ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী ও ডাকাত দলের প্রধান পরিকল্পনাকারী রামগড়ের তৈচালাপাড়া গ্রামের নুরুল আমিন এর ছেলে নজরুল ইসলাম (৩৯) কে তার বাড়ি থেকে আটক করে। ডাকাত দলের সদস্য নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আগের রাতে তৈচালাপাড়া বনবীথি বাগানে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে রাতে বসে ডাকাতীর মূল পরিকল্পনা করা হয়।
এদিকে রামগড় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রাসেল ফরাজী স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানান, রামগড় পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের কোন অনুমোদিত কমিটি নেই, কেউ যদি নিজেদেরকে পৌর কমিটির সভাপতি সম্পাদক বলে দাবী করেন তা সম্পূর্ন তার নিজস্ব ব্যাপার। এর দায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেবেনা।
রামগড় থানার অফিসার ইনর্চাজ তারেক মো. আব্দুল হান্নান জানান, ৪ ডাকাত আটকের বিষয়টি সত্যতাস্বীকার করে বলেন- সাম্প্রতিক কালের ৩টি চুরি ও ডাকাতির সাথে জরিত বলে প্রাথমিক ভাবে এরা স্বীকার করেছে। এরা আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য এদের প্রত্যেকের নামে একাধিক চুরি-ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মামলা রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে রামগড় থানায় ডাকাতির মামলা রুজু করা হয়েছে।
রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদ এপ্রতিনিধিকে জানান, ডাকাতির সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলসহ রামগড়ের সবকটি চেকপোষ্টে নিরাপত্তা জোরদার করে তল্লাশি শুরু করলে ভোর রাতে ডাকাত দলের সদস্যদের আটক করে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, সাম্প্রতিক সবকটি ডাকাতির ঘটনায় এরা জড়িত। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এবিষয়ে জরিত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ