Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

গোপালগঞ্জে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় মারধর

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ থেকে : | প্রকাশের সময় : ১৭ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০১ এএম

 গোপালগঞ্জে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বখাটেরা স্কুলছাত্রীর চাচা ও ভাইকে মারপিট করেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সুকতাইল ইউনিয়নের পার চন্দ্রদীঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহত স্কুলছাত্রীর চাচা ইয়াকুব খানকে (৪৫) গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভাই ইমরান খান (২১) ওই হাসাপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছে। এ ঘটনায় ইভটিজিংয়ের শিকার চন্দ্রদীঘলিয়া গ্রামের রাবেয়া আলী স্কুল এ্যান্ড কলেজের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়িতে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ওই শিক্ষার্থীর ভাই আহত ইমরান খান জানান, তাদের প্রতিবেশি পার চন্দ্রদীঘলিয়া গ্রামের জহুর মোল্লার বখাটে ছেলে শাহিন মোল্লা (১৯) স্কুলে যাতায়াত করার সময় তার বোনকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। সম্প্রতি শাহিন তার বোনকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে এ নিয়ে কয়েক দফা সালিশ বসানো হয়। সালিশে তাকে উত্ত্যক্ত করতে বারণ করা হয়। তারপরও সে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। এ ব্যাপারে শাহিনের ভাই লিটনের কাছে নালিশ করা হয়। লিটন এ নিয়ে শাহিনকে গালমন্দ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে শাহিন আমার ভাই মাহফুজকে পার্শ্ববর্তী বণবাড়ি গ্রামে ধরে নিয়ে মারপিট করে। এ নিয়ে দু’ পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিকেলে আমার চাচা ইয়াকুব খান বাড়ির পাশে গদাইখালী বাজারের চৌরাস্তায় বসে ছিলেন। এ সময় শাহিন তার লোকজন নিয়ে চাচার ওপর হামলা করে। চাচাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তারা আমাকেও মারপিট করে পালিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইয়াকুব খান জানান, শাহিন ভবঘুরে এবং বখাটে প্রকৃতির। লেখাপড়া করে না। কখনো কখনো দিন মজুরের কাজ করে। পাশাপাশি তার ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করে। এর প্রতিবাদ করায় শহিন ও তার লোকজন তাদের ৩ জনকে মারপিট করেছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেছেন।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হযরত আলী বলেন, ওই স্কুলছাত্রী এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগ পেয়েই আমরা শাহিন ও তার সহযোগিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করি। শাহিন ও তার সহযোগিরা এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে। তাই এখনো কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। প্রাথমিক তদন্তে ছাত্রীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। আপরাধীরা কেউ পার পাবে না বলে ওই পুলিশ কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ