Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

দক্ষিণাঞ্চলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো নাজুক

৭২ ঘন্টায় আরো সাড়ে ৪শ রোগী সরকারী হাসপাতালে ভর্তি

বরিশাল ব্যুরো | প্রকাশের সময় : ১৭ আগস্ট, ২০১৯, ২:১০ পিএম

বরিশাল সহ দক্ষিণাঞ্চলে ডেঙ্গুজ্বর পরিস্থিতি এখনো যথেষ্ট নাজুক। শনিবার সকালের পূর্ববর্তী ৭২ঘন্টায় বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলায় আরো প্রায় সাড়ে ৪শ ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত মানুষ বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গড়ে যা প্রতিদিন দেড়শ। এখনো সর্বাধিক সংখ্যক রোগী ভর্তি হচ্ছেন বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই। হাসপাতালটিতে গতকাল দুপুর পর্যন্ত প্রায় পৌনে ৩শ রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। এনিয়ে হাসপাতালটিতে প্রায় ১২শ ডেঙ্গু জ্বর রোগী ভর্তি হয়েছেন। এরফলে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তিকৃত ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজারে পৌঁছল।

তবে হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীর বাইরেও আরো বিপুল ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত মানুষ বিভিন্নভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। ফলে এঅঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪হাজার অতিক্রম করেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা হাসপাতালে শনিবার সকালের পূর্ববর্তী ৭২ঘন্টায় ভর্তিকৃতদের মধ্যে শুধুমাত্র বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছেন ১৮১ ডেঙ্গুজ্বর রোগী। গতকাল দুপুর পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে প্রায় সাড়ে ৫শ ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত মানুষ চিকিৎসাধীন ছিল।

শনিবার সকালের পূর্ববর্তী ৭২ ঘন্টায় বরিশালে ৫১জন, পটুয়াখালীতে ৫০জন, ভোলাতে ৪১জন, পিরোজপুরে ৪৯জন, বরগুনাতে ৩৬জন এবং ঝালকাঠিতে আরো ৭জন ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে।

এসময়ে বরিশাল সদর হাসপাতাল সহ উপজেলা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন ছিল ১০৬ ডেঙ্গু রোগী। এছাড়া পটুয়াখালী ও ভোলাতে ৩৫জন করে এবং পিরোজপুরে ৫২জন, বরগুনাতে ৩০ ও ঝালকাঠিতে ১১জন ডেঙ্গুজ্বর আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন ছিল।

ঈদ পরবর্তী সময়ে দক্ষিণাঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির যে আশংকা ছিল চিকিৎসকদের মধ্যে, তা কিছুটা বাস্তবে রূপ নিলেও এখনো আশংকাজনক পর্যায়ে বাড়েনি বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। তাদের মতে গত কয়েকদিনে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বর্ষণে এডিস মশার লার্ভা সহ এর বংশ কিছুটা বিনাস হয়েছে। উপরন্তু সাধারন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কারনেও দক্ষিণাঞ্চলে এ রোগের বিস্তার কিছুটা নিয়ন্ত্রনেই রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা থেকে খুব বেশী মানুষ ডেঙ্গুরোগ বহন করে নিয়ে আসেনি বলেই মনে করছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ মহল।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডেঙ্গু

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন