Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১ হিজরী

যৌথ ব্যবসার নামে সাড়ে ৩৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ

নেত্রকোনার মদনের হাজী আব্দুল ওয়াহেদের বিরুদ্ধে

নেত্রকোনা জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৯ আগস্ট, ২০১৯, ২:৫২ পিএম

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার ওয়াহেদ ব্রীকস্ ফিল্ডের মালিক হাজী আব্দুল ওয়াহেদের বিরুদ্ধে যৌথ ব্যবসার নামে সাড়ে ৩৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মদন উপজেলার কাইটাইল গ্রামের শাহাব উদ্দিন ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে ১৯ আগষ্ট পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, ওয়াহেদ ব্রীকস্ ফিল্ডের মালিক হাজী আব্দুল ওয়াহেদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে কাইটাইল গ্রামের শাহাবউদ্দিন ও তার ভগ্নিপতি কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও রওশন ইয়াজদানী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফজলুল হক সেলিম তাদের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে ৩০% অংশীদার হিসেবে বিগত ২০১০ সালের ২১ ডিসেম্বর যৌথ ঠিকাদারী ব্যবসার শুরু করেন। হাজী আব্দুল ওয়াহেদ বিভিন্ন সময় কলমাকান্দায় ব্রীজ নির্মাণ, মদনের তিয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ এবং মোহনগঞ্জে রাস্তা নির্মাণের নামে আমাদের কাছ থেকে নগদ ৩৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৬ শত ১ টাকা নেন। বিগত ২০১৫ সালের ১০ এপ্রিল যৌথ ব্যবসার আর্থিক লেনদেনে গাফলা ধরা পরায় আমার এবং আমার ভগ্নিপতির বিনিয়োগকৃত ৩৩ লক্ষ ৬৪ হাজার ৬ শত ১ টাকা এবং কাজগুলোর ৩০% লভ্যাংশ ফেরত দেয়ার দাবী জানাই। তিনি আজ না কাল, দেই দিচ্ছি বলে সময় ক্ষেপন করতে থাকে। আমি বাধ্য হয়ে বিগত ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর কাইটাইল বাজার সংলগ্ন বাগে মিজান মাদ্রাসায় এলাকার শীর্ষ স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে সালিশী বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের বক্তব্য ও উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে আব্দুল ওয়াহেদকে ৯ লক্ষ টাকা যৌথ ব্যবসায়ী অংশীদার শাহাব উদ্দিনকে বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু অদ্যাবধি পাওনা টাকা পরিশোধ করে নাই। পাওনা টাকা চাইতে গেলে তিনি তার অনুগত লোকজন দিয়ে নানা ধরণের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তাদের অব্যাহত হুমকিতে বর্তমানে শাহাব উদ্দিন বাড়ীঘর ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অবশেষে নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার প্রার্থণা করে পুলিশ সুপারের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে হাজী আব্দুল ওয়াহেদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শাহাব উদ্দিনের প্রাপ্য টাকা ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সে এখন আর আমার কাছে কোন টাকা পয়সা পায় না।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অভিযোগ


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ