Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

অফশোর ব্যাংকিংয়ের নতুন নীতিমালা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২২ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০২ এএম

অফশোর ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এক্ষেত্রে সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোকে একই নগদ জমা অনুপাত (সিআরআর) এবং বিধিবদ্ধ তরল অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণ করতে হবে। গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে তা ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।
নীতিমালার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যে গঠিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের সিআরআর এবং এসএলআর সংরক্ষণের হিসাবায়ন পদ্ধতি ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
প্রচলিত ব্যাংকের মতো এসব ইউনিটকেও সাড়ে ৫ শতাংশ হারে নগদ এবং বিভিন্ন উপাদানের বিপরীতে ১৩ শতাংশ হারে রাখতে হবে। ব্যাংকগুলো চাইলে বৈদেশিক বা স্থানীয় মুদ্রায় তা সংরক্ষণ করতে পারবে।
১৯৮৫ সাল থেকে অফশোর ব্যাংকিংয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এতদিন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ছাড়াই কার্যক্রম চললেও গত ২৫ ফেব্রæয়ারি নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। যেখানে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমের মতো অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটকেও সিআরআর, এসএলআর সংরক্ষণসহ কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন গন্ডি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। এখন সিআরআর-এসএলআর রাখার উপায় নির্দিষ্ট করে দেয়া হলো।
নতুন নীতিমালা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের চলতি বছরের ১ জুলাইর মেয়াদি ও চলতি দায়ের ওপর ভিত্তি করে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সিআরআর ও এসএলআর রাখতে হবে। আর এ সংক্রান্ত রিপোর্ট করতে হবে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে। তবে কোন ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের চলতি ও মেয়াদি দায় কত সে বিষয়ে রিপোর্ট করতে হবে আগামী ২৭ আগস্টের মধ্যে।
এতে আরও বলা হয়েছে, অফশোর ব্যাংকিংয়ের মেয়াদি ও চলতি দায় হিসাবের ক্ষেত্রে গ্রাহকের আমানত, দেশের বাইরে অবস্থিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া আমানত এবং ঋণ, পরিশোধযোগ্য অন্য দায় বিবেচনায় নিতে হবে। টাকায় বা বৈদেশিক মুদ্রায় যা সংরক্ষণ করা যাবে।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা (এফসি) হিসাবের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ রাখা যাবে। বাকি শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ রাখতে হবে টাকায়। আর এসএলআর হিসাবের ক্ষেত্রে ‘নস্ট্রো’ অ্যাকাউন্টে রক্ষিত অর্থও বিবেচনায় নেয়া যাবে।
বিদেশের ব্যাংকে দেশের ব্যাংকের অ্যাকাউন্টকে বলে নস্ট্রো অ্যাকাউন্ট। বৈদেশিক বিনিময় ও বাণিজ্য লেনদেনের জন্য এ অ্যাকাউন্ট ব্যবহৃত হয়। ল্যাটিন নস্ট্রো শব্দের অর্থ আওয়ারস্ (আমাদের)। এ অ্যাকাউন্টের বিপরীত বিষয়টি হলো ভস্ট্রো অ্যাকাউন্ট। ল্যাটিন ভস্ট্রো শব্দের অর্থ ইউরস্ (তোমাদের)।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন