Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

স্বর্ণপদকসহ বৃত্তি পেলেন ঢাবির ৭ ছাত্রী

বিশ্বিবদ্যালয় রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি স্বর্ণপদক, বৃত্তি প্রদান ও স্মারক বক্তৃতা-২০১৯’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী সীমা আক্তারকে “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মৃতি স্বর্ণপদক” প্রদান করা হয়। এছাড়া, বিভিন্ন বিভাগের ৬জন ছাত্রীকে “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল মেধা বৃত্তি” প্রদান করা হয় । বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলেন, মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), সম্পা দাস (সংস্কৃতি), মীম জাহান তন্বী (রাষ্ট্রবিজ্ঞান), তাসনিম মোশারফ (ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট) এবং ফারহানা আক্তার (ভূগোল ও পরিবেশ) ।
হল প্রোভস্ট প্রফেসর ড. জাকিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সামাদ এবং কোষাধ্যক্ষ ও ট্রাস্ট ফান্ডের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দীন। অনুষ্ঠানে “কুসুমিত ইস্পাত: বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব” শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর শামসুজ্জামান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার অমর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী হওয়ার পেছনে মহীয়সী নারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অনন্যসাধারণ ভূমিকা ছিল। বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী রাজনৈতিক জীবনে তিনি পরামর্শ, সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়ে সকল কাজে সহযোগিতা করে গেছেন। বঙ্গমাতার জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মের ছাত্রীদের প্রতি আহ্নবা জানান ভিসি।
প্রফেসর শামসুজ্জামান খান স্মারক বক্তৃতায় বঙ্গমাতার চারিত্রিক বৈশিষ্টের যে মানবিক কুসুম-কোমলতা এবং কর্তব্য নিষ্ঠা পরিলক্ষিত হয়েছে তার উপর বিশদভাবে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে তাঁর আত্মজীবনী লেখানো এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ সময়ে সেই পান্লিডুপি দখলদার সামরিক জান্তার কব্জা থেকে উদ্ধার করা বঙ্গমাতার এক সাহসিক ও বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলময় কাজ।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ই আগস্টে মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের শিকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে প্রকাশিত স্মারক সংকলন-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক হলের আবাসিক শিক্ষক প্রফেসর ড. শাহানা নাসরীন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ