Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

বাধায় গাছ বিক্রি করতে পারলেন না প্রধান শিক্ষক

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ থেকে | প্রকাশের সময় : ২৩ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০২ এএম

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া বিনয় কৃষ্ণ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্থানীয়দের বাধার মুখে স্কুলের ৭টি গাছ কেটেও বিক্রি করতে পারেননি। এখন এ গাছগুলো বিদ্যালয় মাঠেই নষ্ট হবার উপক্রম হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৫ জন এলাকাবসী জানান, সম্প্রতি বিনয় কৃষ্ণ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস বন বিভাগের অনুমতি না নিয়ে বিদ্যালয়ের বড় ৫টি মেহগনী ও ২ টি রেইনট্রি গাছ বিক্রির জন্য কর্তন করেন। এ গাছ গুলোর আনুমানিক মূল্য লক্ষাধিক টাকা। এ গাছ কর্তনের পরে এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষকের উদ্দেশ্য টের পেয়ে গাছ বিক্রিতে বাঁধা প্রদান করে। এলাকাবাসীর বাঁধার মুখে প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস গাছগুলো বিক্রি করতে ব্যর্থ হন। এখন এ গাছগুলো বিদ্যালয়ের মাঠেই নষ্ট হচ্ছে।

অভিভাবক আনন্দ মোহন বিশ্বাস বলেন, প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস একজন দূর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তি। তিনি বিভিন্ন সময়ের স্কুলের বিভিন্ন ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিস বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তিনি দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধ করেননি। সর্বশেষ প্রধান শিক্ষক অসৎ উদ্দেশ্যে বিদ্যালয়ের গাছগুলো কেঁটেছেন। কিন্তু স্থানীয়দের প্রবল বাঁধার মুখে গাছ গুলো বিক্রি করতে পারেননি।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাসের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বন বিভাগের অনুমোদন না নিয়েই গাছ কাটার কথা স্বীকার করে বলেন, এ গাছগুলো কারণে বিদ্যালয়ের ছেলে মেয়েদের খেলাধুলার সমস্যা হচ্ছিল। তাই ছেলে মেয়েদের খেলার মাঠ ঠিক রাখতে গাছ কাঁটা হয়েছে। গাছগুলোর বিক্রির টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে চেয়েছিলাম। স্থানীয়রা গাছ বিক্রিতে বাধা দেয়। তাই কেঁটে ফেলা গাছগুলো বিদ্যালয়ের হোস্টেলের কাজে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

কোটালীপাড়া উপজেলা বন কর্মকর্তা বিবেকানন্দ মল্লিক বলেন, কোন প্রতিষ্ঠানের গাছ কাঁটতে হলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হয়। বিনয়কৃষ্ণ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্কুল ক্যাম্পাস থেকে গাছ কাটতে কোন অনুমতি নেননি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধান শিক্ষক


আরও
আরও পড়ুন