Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২১ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

তুর্কি ও আসাদ সেনারা মুখোমুখি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৬ আগস্ট, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে তুরস্কের একটি পর্যবেক্ষণ ঘাঁটির চার পাশে প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সৈন্যদের অবস্থানকে ঘিরে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত শুক্রবার ওই এলাকায় খুব কাছাকাছি মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে তুর্কি ও আসাদের সৈন্যবাহিনী। তুরস্কের সমর্থিত বিদ্রোহীদের দ্বারা পরিচালিত অঞ্চলটিতে সিরিয়ার সরকার অভিযানের মধ্যে উভয়পক্ষের সেনাবাহিনীর কাছাকাছি চলে আসার বিষয়টি উত্তেজনাকে বাড়িয়ে তুলেছে। বিষয়টি নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোগান দামেস্কের প্রধান সহযোগী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সাথে এক ফোনালাপে তার উদ্বেগের কথা জানান। এরদোগান পুতিনকে বলেন, সিরিয়া সরকারের হামলা একটি বড় ধরনের মানবিক সঙ্কট সৃষ্টি করেছে এবং সিরিয়ার সঙ্কটের সমাধানের চেষ্টাকেক্ষুণœ করেছে। সিরিয়ায় ইদলিবের নিয়ন্ত্রণ নিতে আসাদ সরকার সর্বাত্মক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফোনালাপে এরদোগান পুতিনকে বলেন, ‘এসব হামলা তুরস্কের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।’ অন্য দিকে ক্রেমলিন বলেছে, ‘এ অঞ্চল থেকে উদ্ভ‚ত সন্ত্রাসবাদী হুমকি হ্রাস করার লক্ষ্যে দুই নেতা পারস্পরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন।’ আগামী মঙ্গলবার পুতিনের সাথে দেখা করতে এরদোগান মস্কো সফরে যাচ্ছেন। একটি সরকারি স‚ত্র মিডল ইস্ট আইকে এ তথ্য জানিয়েছে। এ ছাড়া চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথেও এরদোগান কথা বলবেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে। ২০১১ সালে আসাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লব শুরু হওয়ার পর থেকে তুরস্ক সিরিয়ায় বিদ্রোহী দলগুলোকে সমর্থন জানিয়ে আসছে। ইদলিবের নিয়ন্ত্রণ নিতে সিরীয় ও রুশ বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে আসাদ সরকারের স্থল বাহিনী বিরোধীদের ঘাঁটির দক্ষিণ থেকে সামনে অগ্রসর হচ্ছে। আঙ্কারার অভিযোগ, তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যস্থতায় অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করছে আসাদ সরকার। তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার বলেন, রাশিয়াকে আঙ্কারা বলেছে, আসাদ বাহিনীকে অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সিরিয়ার বিরোধীদলীয় মুখপাত্র ইয়াহইয়া আল আরিদি বলেন, একটি জনপ্রিয় অভ্যুত্থানকে মোকাবেলায় সামরিক পথ বেছে নিয়েছে সরকারি বাহিনী। তিনি বলেন, ভয়ানক মানব ক্ষয় হচ্ছে। হাজার হাজার লোক তাদের বাড়িঘর থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যাচ্ছেন। এটা মানবিক বিপর্যয়। আর অপরাধীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়েই বিশ্ব তাকিয়ে তাকিয়ে তা দেখছে। তুরস্ক ইতোমধ্যে ৩৬ লাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। ইদলিবে সশস্ত্র বিরোধীপক্ষকে নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সিরিয়া, ইরান ও রাশিয়ার ব্যাপক চাপে রয়েছে তুরস্ক। মিডলইস্ট আই।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মুখোমুখি

১২ জানুয়ারি, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ