Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

চলচ্চিত্র বাঁচাতে হিন্দি সিনেমা এলেও ক্ষতি নেই: খসরু

বিনোদন রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৫০ পিএম

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের অবস্থা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। নতুন চলচ্চিত্র নেই বললেই চলে। হাতে গোনা যে কয়েকটা চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে সেগুলো দিয়ে প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা তাদের প্রেক্ষাগৃহ বাঁচাতে পারছেন না। দিনের পর দিন প্রেক্ষাগৃহ ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এ অবস্থায় দিন যতো যাচ্ছে চলচ্চিত্র নামক এই ইন্ডাস্ট্রি ততই যেন ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে জানা যায় দেশিয় চলচ্চিত্র সংকটের কারণে হিন্দি চলচ্চিত্র আমদানি করা হবে।

প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের দাবি বছরে ৮ থেকে ১২ টা চলচ্চিত্র আমদানি করে ইন্ডাস্ট্রি টিকিয়ে রাখতে হবে। এতো দিন প্রদর্শক সমিতি বাদে চলচ্চিত্রের অন্য সংগঠনগুলো বাইরের চলচ্চিত্র আমদানি করতে নারাজ ছিলেন। তবে এখন অন্য সংগঠনের নেতাদের মত পরিবর্তন হয়েছে। তারাও চান ইন্ডাস্ট্রির এই র্দুদিনে হিন্দি সিনেমা আমদানি হোক। তবে সেটা অবশ্যই সীমিত আকারে।

বিষয়টি নিয়ে আজ পহেলা সেপ্টেম্বর দুপুরে ইনকিলাবের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরুর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের চলচ্চিত্রের যে অবস্থা হয়েছে তাতে হিন্দি সিনেমা আমদানি করে যদি প্রেক্ষাগৃহগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা যায় তাতে ক্ষতি কিসের? অধিক আমদানিতেও আবার আমাদের চলচ্চিত্র হুমকির মুখে পড়তে পারে। সে দিকেও আমাদের লক্ষ রাখতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে আমদানির সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত যেন ইন্ডাস্ট্রিকে পুরোপুরি ধ্বংশ না করে সে দিকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লক্ষ রাখতে হবে। বছরে ৪ থেকে ৬ টা হিন্দি সিনেমা এলে হয়তো আমাদের চলচ্চিত্রের ওপর তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। যদি আমদানি করতেই হয় তাহলে এর বেশি করা যাবে না। কারণ হিন্দি সিনেমার সঙ্গে কোনো ভাবেই বাংলাদেশের সিনেমা প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পারবে না। কারণ তাদের একটি সিনেমার বাজেট আমাদের একটি সিনেমার চেয়ে বহুগুণে বেশি থাকে।’

খসরু আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যেই আপনারা জানেন প্রযোজক পরিবেশক সমিতি থেকে অনেকগুলো পদক্ষের গ্রহণ করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রেক্ষাগ্রহগুলোকে বাঁচাতে হবে। শুধু প্রেক্ষাগৃহই নয়, এই ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্ট সকলকেই বাঁচাতে হবে। আর সে কারণেই সরকারের সঙ্গে এক হয়ে আমরা অনেক কাজই করার চেষ্টা করছি। খুব শিগগিরই আপনারা দেখতে পাবেন দেশের নানা স্থানে নতুন নতুন সিনেপ্লেক্স নির্মাণের কাজ। সিনেপ্লেক্স নির্মাণের পর পরিবেশগত যে সমস্যাগুলো ছিল সেগুলো আর থাকবে না। এদিকে আমাদের সিনেমারও বাজেট বেড়েছে। আমরাও আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা নির্মাণ করছি। হয়তো সেই দিন আর বেশি দুরে নেই যে দিনে আগের মতো দর্শক প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করবেন।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চলচ্চিত্র


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ