Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

কাশ্মীরে ভিডিও সিডির মাধ্যমে শিক্ষার ব্যবস্থা বাড়িতে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম


ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের প্রধান শহর শ্রীনগরের স্কুলগুলো খুলে দেয়া হলেও ক্লাস রুমগুলো এখনো ফাঁকা। তবে স্থানীয় বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল নিজস্ব পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের কাজ শুরু করেছে। এসব স্কুলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পাঠদানের সিডি দিয়ে আসছেন যেন তারা বাড়িতে বসেই শিক্ষা গ্রহণের কাজটি এগিয়ে নিতে পারে। ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর প্রায় চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এ নিয়ে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে কিছু স্কুল খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে যেসব স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে এগুলো ম‚লত সরকারি স্কুল। বেসরকারি স্কুলগুলো বন্ধই আছে। স্কুল খুললেও তাতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে না। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরে এখনো অবরুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে। কর্তৃপক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, সবচেয়ে বড় শহর শ্রীনগরে দুশোর মতো স্কুল খুলে দিয়েছে তারা। কিন্তু সাংবাদিকরা অনেক স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাননি। অভিভাবকরা বলছেন, নিরাপত্তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। ব্যাপক নিরাপত্তা আয়োজন সত্তে¡ও বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রতিবাদে সেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে এবং প্রায়ই তা সহিংস রূপ নিচ্ছে। কাশ্মীর একটি বিরোধপ‚র্ণ ভ‚খÐ যার দুটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে ভারত ও পাকিস্তান। ভারত শাসিত অংশ জম্মু ও কাশ্মীর এতদিন বিশেষ মর্যাদা পেলেও স¤প্রতি তাকে দু ভাগ করে রাজ্যের মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে। অংশ দুটিই এখন সরাসরি দিল্লীর শাসনে রয়েছে। তিন দশক ধরে এই কাশ্মীরে চলছে বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা, যাতে নিহত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। বিশেষ মর্যাদা বাতিলকে কেন্দ্র করে ম‚লত কাশ্মীরকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী ধরে এবং সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল। স¤প্রতি টেলিফোন লাইন কিছুটা চালু হলেও বিক্ষোভ বেড়ে যাওয়ার পটভ‚মিতে মোবাইল ফোন সেবা ও ইন্টারনেট এখনো বন্ধ আছে। এমন পরিস্থিতিতে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে দেয়ার পরিবর্তে বাসায় রাখতেই স্বস্তি পাচ্ছেন, বিশেষ করে মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু না হওয়া পর্যন্ত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন স্কুল শিক্ষককে উদ্ধৃত করেছে, যিনি বলেছেনÑ এ ধরনের ‘অনিশ্চিত অবস্থায়’ তারা শিক্ষার্থীদের স্কুলে আশা করেন না। তিনি আরও বলেন যে, অনেক স্কুল এখনো বন্ধ বা শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী খুবই কম এসেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বোঝার চেষ্টা করছেন যে কত সংখ্যক শিক্ষার্থী স্কুলে এসেছে। কর্মকর্তারা বলছেন তারা বোঝার চেষ্টা করছেন যে কত সংখ্যক শিক্ষার্থী স্কুলে এসেছে তবে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার কারণে খবর সংগ্রহ করাও কঠিন। এসএএম।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কাশ্মীর


আরও
আরও পড়ুন