Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী

সরকার নদী রক্ষায় দেশের মানুষের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করেছে

বঙ্গবন্ধু নদীপদকে ২৩টি আবেদনপত্র মনোনীত

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার সরকার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার এ প্রচেষ্টা সঞ্জীবনী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমান সরকার নদী রক্ষায় দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করেছে। নদী রক্ষায় প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু নদীপদক প্রদান নদীরক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করবে। গতকাল সোমবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বঙ্গবন্ধু নদীপদক প্রদানের জন্য জাতীয় মনোনয়ন কমিটির এক সভায় এসব কথা বলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো, আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মনোনয়ন কমিটির সদস্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নৌপরিবহন সচিব বলেন, বাংলার মানুষ নদীকে ভালবাসুক, নদীর জন্য অসংখ্য বন্ধু তৈরি হউক- এটা আমার প্রত্যাশা। নদীকে বাঁচাতে চাই, পরিষ্কার করতে চাই এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে চাই।
সভায় জানানো হয় যে, বঙ্গবন্ধু নদীপদক প্রদানের জন্য জাতীয় পর্যায়ে আটটি এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ১৫টি আবেদনপত্র পাওয়া গেছে। এগুলোর মধ্য থেকে জাতীয় পর্যায়ে তিনটি এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আটটি পদক প্রদান করা হবে। উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে পদকের সংখ্যা কম হতে পারে। প্রাপ্ত আবেদনপত্র থেকে যোগ্য প্রার্থীর কার্যক্রম যাচাইয়ের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে দু’জন করে কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবে। তারা তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করবে।
সরকার বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, নদী দখলরোধ, শিল্পকারখানা কর্তৃক সৃষ্ট বর্জ্য, এর দূষণরোধ, পরিবেশ দূষণরোধ, নদীর তীরে ও অভ্যন্তরে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণসহ নদী ভরাটরোধ, নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ রক্ষার কাজে সহায়তাদান, নদীকে নৌচলাচলে উপযোগী করে নদীর বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নদীকে দূষণ ও অবৈধ দখল ভরাটমুক্ত করে স্বাভাবিক রূপে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তিকে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু নদীপদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
নদী রক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক’ জাতীয় পর্যায়ে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থাকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৮ আঠার ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও সার্টিফিকেট এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থাকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৮ আঠার ক্যারেট মানের ৩০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে একটি করে মোট আটটি এবং জাতীয় পর্যায়ে তিনটি পদক প্রদান করা হবে।
পদক প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয়/কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে কিংবা সুবিধামত সময়ে ‘বিশ্ব নৌদিবস’ এর দিন পদক প্রদান করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পুরস্কারের সংখ্যা ও মূল্যমান বাস্তবতার নিরিখে পরিবর্তন করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক নীতিমালা-২০১৯’ অনুমোদন করেছেন।
#



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন