Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ আশ্বিন ১৪২৭, ০৭ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের রাত্রে গর্ভবতী মহিলারা কিছুই করতে পারবে না, ঘুমাতেও পারবে না। যদি কোনো কাজ করে বা ঘুমায় তাহলে খারাপ কোনো কিছু ঘটবে যেমন- সন্তান প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মাবে। কোনো কিছু কাটলে হাত বা ঠোঁট কাটা সন্তান জন্ম নেবে। এ বিষয়ে জানতে চাই।

আমেনা খাতুন
ই-মেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:২৮ পিএম

উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত কথাগুলোর কোনো ভিত্তি নেই। এমন হয় না। চন্দ্রগ্রহণ বা সূর্যগ্রহণের সময় সুন্নত নামাজ শুধু গর্ভবতীদের জন্য নয়, বরং সব মুসলমানের জন্য বিধিবদ্ধ রয়েছে। আমাদের দেশে রেওয়াজ নেই তবে মক্কা-মদিনাসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এ সুন্নত নামাজ পড়া হয়। গর্ভবতী মহিলারা এ সময় স্বাভাবিক সব কাজকর্ম করতে পারবেন। ঘুমুতে পারবেন, কাটাকাটি করতে পারবেন, এতে কিছুই হবে না। যা বলা হয় সবই কুসংস্কার। 

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Yousuf Ali ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:০৪ পিএম says : 0
    আমি নিজে এরকমটাই জানি
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৮ আগস্ট, ২০২০
২১ আগস্ট, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ