Inqilab Logo

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ আশ্বিন ১৪২৭, ০৬ সফর ১৪৪২ হিজরী

প্রশ্ন : অনেক খেলোয়াড় ও সেলিব্রেটিদের দেখি যে তারা গায়ে উল্কি আঁকে। তাদের দেখাদেখি ইদানিং অনেক মুসলিম ছেলে মেয়েরাও গায়ে উল্কি আঁকতে দেখা দেখা যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, ইসলামের দৃষ্টিতে গায়ে উল্কি আঁকা কি ঠিক?

আকরাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৩৮ পিএম

উত্তর : স্থায়ী উল্কি আঁকা হারাম। মুসলিম হিসাবে খোদাদত্ত ত্বক ছিদ্র বা খোদাই করা হারাম। পশ্চিমারা এসব করে, মুসলমান এসব করতে পারে না। বিবেকবান অমুসলিমরাও এসব করে না। রোনালদো একজন বিখ্যাত খেলোয়াড়। উল্কি করার কারণে বিপদগ্রস্থকে রক্ত দেয়া যাবে না শুনে তিনি উল্কি আঁকা থেকে তওবা করেছেন। একজন অমুসলিমের যদি এমন মানবিক সিদ্ধান্ত হতে পারে, তাহলে মুসলমান কী করে উল্কি আঁকাতে পারে। তথ্য নিয়ে দেখুন, স্বঘোষিত ব্যভিচারীরা নারী পুরুষেরা তাদের শরীরে নানাস্থানে নানাভাবে স্থায়ী উল্কি আঁকে। মনে করা যেতে পারে যে, জাহান্নামের যাত্রীরাই উল্কির বেশি ভক্ত। কোনো মুসলমান উল্কি না আঁকুক। সব মুসলমান এটাই চাওয়া হতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখি ছেলেরা বর্তমানে মাথায় একধরনের ছাঁট দেয়, চারপাশ থেকে চুল ছোট করে কিংবা কামিয়ে কোথাও কোথাও লম্বা চুল রেখে দেয়, এমন করাও হারাম। মহানবী সা. এমন করতে নিষেধ করেছেন। সুন্নাহর নির্দেশনা ছাড়া যাচ্ছেতাই করে সৃষ্টিগত ও প্রকৃতিগত স্বাভাবিকতা বিনাশ মুসলমানের শরীয়তে জায়েজ নেই। 

সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
২৮ আগস্ট, ২০২০
২১ আগস্ট, ২০২০
১৪ আগস্ট, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ