Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১ হিজরী

জড়িতদের শাস্তি দাবি সাদা দলের

ঢাবিতে ‘অবৈধ’ ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার : | প্রকাশের সময় : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

ডাকসু নির্বাচনের আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের সান্ধ্যকালীন একটি কোর্সে পরীক্ষা ছাড়া ছাত্রলীগের ৩৪ জন সাবেক ও বর্তমান নেতাকে ভর্তির সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামাতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, গত মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সমর্থক একটি ছাত্র সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান ৩৪ জন নেতাকে বিনা পরীক্ষায় ভর্তি করান। চলতি মাসের ৮ তারিখ বহুল প্রচারিত একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি দেশবাসীর মতো আমাদেরও নজরে আসে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় আমরা দারুণভাবে মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ।
মানবন্ধনে অংশ নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. হাসানুজ্জামান ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের দেওয়া ব্যাখ্যাকে ‘ফতোয়া’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন তিনি। সাদা দলের আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের একটি বড় নজির হলো ভর্তি প্রক্রিয়ার সব নিয়ম ও বিধি-বিধান উপেক্ষা করে মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই ৩৪ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো। এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও গর্হিত অপরাধ। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন ও প্রোগ্রামের তদানীন্তন পরিচালক যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, তা অগ্রহণযোগ্য। অবৈধ ও অন্যায় একটি কাজকে নিয়মসিদ্ধ বলে তাঁদের দেওয়া ব্যাখ্যা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের আপামর মানুষের গর্ব ও অহংকারের প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক, বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল। গত কয়েক বছরে কর্তৃপক্ষের অমনোযোগিতা ও দুর্বলতার কারণে তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সম্পূর্ণ অবৈধ এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িতদের নৈতিক স্থলনজনিত কারণে বিধি অনুযায়ী শাস্তি হওয়া উচিত।’
মানববন্ধনে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম, সাবেক আহ্বায়ক এবং মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর আখতার হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক ও পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, ফিন্যান্স বিভাগের প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ