Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ২৬ জানুয়ারী ২০২০, ১২ মাঘ ১৪২৬, ২৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

ইসরাইলকে বর্জনে শাস্তি

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০৩ এএম

ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইলকে বর্জন, পরিত্যাগ ও নিষেধাজ্ঞা (বিডিএস) আন্দোলনে সায় দেয়ায় ব্রিটিশ-পাকিস্তানি লেখিকা কামিলা শামছিকে দেয়া সাহিত্য পুরস্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছে জার্মানির শহর ডোর্টমান্ড। খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক কামিলা শামছিকে চলতি বছরে শহরটির নেল্লি সাচস পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল। এর আগে এক ইহুদি কবি এই পুরস্কারে ভ‚ষিত হয়েছিলেন।

কামিলার সাহিত্যকর্মের জন্য চলতি মাসে আট সদস্যের বিচারকের প্যানেল এ পুরস্কারের জন্য তার নাম ঘোষণা করেছিলেন। গত বুধবার এক বিবৃতিতে শহরটি জানায়, বিচারকরা সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন এবং এ বছর কাউকেই এ পুরস্কার না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, আগের গবেষণা সত্তে¡ও ২০১৪ সালে ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নীতির জন্য দেশটিকে বর্জন আন্দোলনে লেখিকার যোগ দেয়ার বিষয়ে বিচারকরা আগে সতর্ক ছিলেন না। এতে আরো বলা হয়, বিডিএসের অংশ হিসেবে ইসরাইলকে সাংস্কৃতিকভাবে বর্জনে সক্রিয় অংশগ্রহণে কামিলা শামছির রাজনৈতিক অবস্থান এই পুরস্কারের সংবিধিবদ্ধ উদ্দেশ্যাবলীর সঙ্গে যায় না। তার অবস্থান নেল্লি সাচস পুরস্কারের চেতনার বিরোধী।

বিচারকদের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় এই লেখিকা বলেন, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইল সরকারের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং নৃশংসতার জন্য রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে বিডিএস আন্দোলন কারো ক্ষোভের বিষয় হওয়া খুবই অন্যায় ও লজ্জাজনক। টুইটারে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এটা সত্যিই দুঃখের বিষয় যে বিচারকরা চাপের মুখে নতি স্বীকার করে এমন একজন লেখককে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার পর তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন, যিনি বাক ও বিবেকের স্বাধীনতার চর্চা
লন্ডনে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের শহরে জন্ম ও বেড়ে উঠেছেন কামিলা শামছি। ব্রোকেন ভার্সেস, ব্রান্ড শ্যাডোজ ও হাউস ফায়ারসহ বেশ কয়েকটি উপন্যাস লিখেছেন তিনি। তিনি ২০১৮ সালে তনি ওমেন’স পুরস্কার পেয়েছেন। ২০১৭ সালের বুকার পুরস্কারের তালিকায়ও তার নাম ছিল। সূত্র : খবর মিডল ইস্ট আই।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইসরাইল

৬ জানুয়ারি, ২০২০

আরও
আরও পড়ুন