Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

খালেদের তথ্যে মাঠে গোয়েন্দারা

শামীমের ১০ ও দেহরক্ষীদের ৪ দিনের রিমান্ড

বিশেষ সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

ক্যাসিনো চালানো, ক্লাব-কেন্দ্রিক মাদক ব্যবসা এবং চাঁদা-টেন্ডারবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এসব কর্মকর্তাদের তালিকা তৈরি করছে একটি সংস্থা। তদন্ত করে দ্রæতই দুর্নীতির সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একটি দায়িত্বশীল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এছাড়া আমেরিকা প্রবাসী এক ব্যক্তির মাধ্যমে খালেদ ম্যানেজ করতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের। সংশ্লিষ্ট থানার দুর্নীতিবাজ কতিপয় কর্মকর্তা ও কতিপয় সাংবাদিক সরাসরি তার কাছ থেকে চাঁদা নিতেন। জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্যসহ আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ। দুই মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে গতকাল শনিবার ছিল দ্বিতীয় দিন। গত বৃহস্পতিবার তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরেই রাজধানীর মতিঝিলসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার সরকারি দফতর, ক্লাবসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করছিল খালেদ মাহমুদসহ একটি প্রভাবশালী চক্র।

অন্যদিকে শামীমকে ১০ দিন এবং তার সাত সহযোগীকে ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর আদালত। এছাড়া অস্ত্র ও হলুদ রঙ্গের ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এমন একটি সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে খালেদ মাহমুদ জানিয়েছে, মতিঝিলসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় যেসব ক্লাব রয়েছে, তাতে ক্যাসিনোসহ প্রতিদিন চলতো জুয়া। এসব ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করেন দুজন যুবলীগ নেতা। সরকারি বিভিন্ন দফতর ও ভবনের টেন্ডারও তাদের নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ কার পার্কিং থেকেও প্রতিদিন মোটা অঙ্কের চাঁদা আসতো। এ সবকিছুরই নিয়ন্ত্রণ ছিল তাদের হাতে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি-অস্ত্রবাজি-দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে খালেদ।

শামীমের ১০ ও দেহরক্ষীদের ৪ দিনের রিমান্ড
যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমের বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশান থানায় পৃথত তিনটি মামলা করেছে র‌্যাব। এর মধ্যে একটি অস্ত্র আইনে, একটি মানিলন্ডারিং আইনে ও অপরটি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রেকর্ড করা হয়। এর আগে গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে র‌্যাব তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করে।

গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, জি কে শামীমকে থানায় হস্তান্তরের পর তিনটি মামলাতেই তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে অস্ত্র আইনে সাত দিন ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাত দিন করে ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে গুলশান-বনানী থানার সাধারণ নিবন্ধক (জিআরও) এসআই রকিবুল হাসান জানান, অস্ত্র আইনের মামলায় ৫ দিন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৫ দিনসহ ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক বেগম মাহমুদা আক্তার শুনানি শেষে এই রিমান্ড আদেশ দেন।

এর আগে গত শুত্রবার গুলাশান নিকেতনের বাসা থেকে জিকে শামীমকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ওই সময় তার কার্যালয় ও বাসা থেকে একটি পিস্তাল, সাতটি শাটগান, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর (স্থায়ী আমানত) নথি, নগদ এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরের ডলার, বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তার সাত দেহরক্ষীকে। তাদেরকে অস্ত্র ও মাদক মামলায় আসামি করা হয়েছে। গুলশান থাকার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলাটি সিআইডিতে পাঠানো হবে। এর তদন্ত সিআইডি করবে।

জিকে শামীমের সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া তার সাত দেহরক্ষী হলেন, শহীদুল ইসলাম (৩৬), মো. মুরাদ হোসেন (৩২), দেলোয়ার হোসেন (৩৫), জাহিদুল ইসলাম (৪১), আমিনুল ইসলাম (৩৪), সামসাদ হোসেন (৩৫) ও কামাল হোসেন (৪৯)। তাদেরকেও গতকাল সন্ধ্যার পর জিকে শামীমের সঙ্গে আদালতে তোলা হয়। তাদেরকে অস্ত্র মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আসামীদের রিমান্ড আবেদন করেন গুলশান থানার পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আসামি জিকে শামীম লাইসেন্স করা অস্ত্র অবৈধভাবে ব্যবহার করতেন। ঠিকাদারি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে ও ভয় দেখানোর কাজে এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হতো। তাকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ ও অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তার অবৈধ অর্থের উৎস ও তার সহযোগিদের শনাক্ত এবং নাম ঠিকানাসহ উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতারের জন্য নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা আবশ্যক। এজন্য দুইটি মামলায় তার সাত দিন করে ১৪ দিন রিমান্ড হেফাজত আবশ্যক।

গুলশান পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, মামলাটি ডিবি পুলিশে হস্তান্তর করা হবে। আসামি জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী তদন্ত কাজ তারাই পরিচালনা করবে। ডিএমপির নির্দেশনা না আসা পর্যন্তÍ থানা পুলিশ মামলা তদন্ত করবে।

জিকে বিল্ডার্সের মার্কেটিং (বিপণন) বিভাগের ব্যবস্থাপক আমির হামজা জানান, শামীমের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিকে বিল্ডার্স প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার ১৭টি সরকারি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এরমধ্যে র‌্যাব সদর দফতরের ৫৫০ কোটি, সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১৫০ কোটি, পঙ্গু হাসপাতালের ২০০ কোটি, বেইলি রোডের ২০০ কোটি, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ২০০ কোটি, নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ১৫০ কোটি, মহাখালী গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ১৫০ কোটি টাকার ঠিকাদারি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জিকে বিল্ডার্স’ ও ‘দ্য বিল্ডার্স’-এর ৭৫ কোটি টাকার কাজ, গাজীপুরের পোড়াবাড়িতে র‌্যাব ট্রেনিং সেন্টার, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবন, এনজিও ভবন, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ভবন, বিজ্ঞান জাদুঘর ভবন, ক্যাবিনেট ভবন, বাসাবো বৌদ্ধমন্দির, হেয়ার রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম ভবন (হিল ট্রেকস বিল্ডিং), মিরপুর ৬ নম্বরের স্টাফ কোয়ার্টার, সেবা মহাবিদ্যালয় ও মহাখালী ক্যানসার হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি ঠিকাদারি কাজ করছে জিকে বিল্ডার্স। এছাড়াও বেসরকারি বেশ কিছু বাড়ি ও ভবন নির্মাণের কাজ করছে জিকে বিল্ডার্স। গ্রেফতার হওয়ার পর এসব কাজ তিনি কিভাবে পেয়েছেন সেটা জানতে চায় র‌্যাব।

কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল ১০ দিনের রিমান্ডে
অস্ত্র ও হলুদ রঙ্গের ইয়াবাসহ গ্রেফতারকৃত কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম মাহমুদ আক্তার শুনানি শেষে অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক আইনে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। এর আগে ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার ওসি (তদন্ত) পারভেজ ।

গতকাল সকালে র‌্যাব বাদী হয়ে অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে। অস্ত্র আইনে দায়ের হওয়া মামলাটির নম্বর ২০(৯)১৯ ও মাদক আইনে দায়ের হওয়া মামলার নম্বর ২১ (৯)১৯। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে শফিকুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযান শেষে রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক আশিক বিল্লাল জানান, অভিযানের সময় শফিকুলের কাছে সাত প্যাকেট হলুদ রঙের ইয়াবা পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এ ধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়নি। এ ইয়াবায় কোনো প্রকার গন্ধ নেই। এটা নতুন আবিষ্কার।

র‌্যাবের একজন কর্মকর্তা দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল আলম স্বীকার করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কলাবাগান অফিস কক্ষে নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলেছিলেন। এলাকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপও করে আসছিলেন। স্থানীয় পুলিশেল কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতা তাকে সহযোগিতা করতো।

এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা জানান, শফিকুল আলমের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের তালিকা করা হচ্ছে। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তার অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারে কাজ চলছে বলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন।

শফিকুলকে কৃষক লীগ থেকে বহিষ্কার
রাজধানী ঢাকার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল আলম ফিরোজকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। শনিবার গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের আয়োজনে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্যা অব্যাহতির কথা জানান। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের কৃষক লীগে কোন স্থান নেই। সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের জন্য শফিকুল আলম ফিরোজকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।



 

Show all comments
  • Abu Khan ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    Very good..
    Total Reply(0) Reply
  • সোলায়মান ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    সে যেই রকমের প্রভাবশালী কয়েকদিনের মধ্যেই ছাড়া পেয়ে যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Rashad ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    If the God father is not identified and punished GK Shamims will be produced continuously! Without the political influence GK shamims' are "zero"!
    Total Reply(0) Reply
  • Sohel S.parvez ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    তার বিরুদ্ধে করা মামলা গুলো তে অতি সহজেই সে জামিন পেয়ে যাবে বলেই আমার বিশ্বাস।খুব বেশি হলে ছয় মাস জেলে থাকতে হবে তার।যে লোক ছয় হাজার কোটি টাকার কাজ করছে তার অফিসে অত টাকা নগদ থাকতেই পারে।সে তা প্রমাণ ও করবে।আর দুই তিনটা মদের বোতল?কিছুই না।জামিন হতে বড়জোর ছয় মাস।যুবলীগের বড় নেতারা নিজেরাই টাকা নিয়ে শামীম কে যুবলীগে ঢুকিয়েছেন!
    Total Reply(0) Reply
  • Shomon Mirza ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
    দুর্নীতিবিরোধী আইন সংশোধন করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার বিধান করা হোক।
    Total Reply(0) Reply
  • Monjo Shikdar Inani ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
    শয়তান ইবলিশ যখন ক্ষমতা পেয়ে বেশি লাফালাফি করে তখন সৃষ্টি কর্তা শয়তানকে আরো শক্তিশালী করে আর কি কি করতে পারে দেখতে এই শয়তান নিজের চলাফেরা করতো রাজকীয় সামনে পিছনে দেহরক্ষী থাকতো অস্ত্র বহনে যখন অধীক ক্ষমতা জোরে সৃষ্টি কর্তাকে ভুলে গেছে এক ইশারায় শয়তানের দেহরক্ষীরা তাকে দশ দিনের রিমান্ডে নিয়ে ভালোবাসি ভালোবাসি কোটি কোটি টাকা জবানবন্দি আদায় করবে,
    Total Reply(0) Reply
  • Raham Ali ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    আল্লাহ তোমার অপার মহিমা। চোখের পলকে বাদশাকে ফকির আর ফকিরকে বাদশা বানাইতে পার তুমি নাই যে তোমার তুলনা।
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Abul Basher ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১:০১ এএম says : 0
    নেতারা সব সময় পুলিশ পাহারায় থাকেন .ক্ষমতায় থাকলে জেলখানার বাহিরে আবার ক্ষমতা হারালে জেলখানার বিতরণ
    Total Reply(0) Reply
  • Engr Amirul Islam ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৯:৩৫ এএম says : 0
    Nothing will happen as whole Awami league is corrupt
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: যুবলীগ

১৫ অক্টোবর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ