Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ০৭ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ সফর ১৪৪১ হিজরী

সিসিবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত

মিসরে আটককৃতদের মুক্তি দাবি এইচআরডব্লিউর

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

 মিসরে শনিবার দ্বিতীয় দিনের মতো প্রেসিডেন্ট জেনারেল সিসি বিরোধী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবারের ধারাবাহিকতায় এদিনও দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজপথে নেমে আসে আন্দোলনকারীরা। এ সময় বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। রবিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড। বন্দরনগরী সুয়েজে রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে নিরাপত্তা বাহিনী। এরপরও যারা সেখানে জড়ো হয় তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের তাড়িয়ে দিতে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। জেনারেল সিসি-র পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে মানুষ রাজপথে নেমে এলে মিসরের আন্দোলন সংগ্রামের প্রাণকেন্দ্র তাহরির স্কয়ার চত্বরে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। অপর দিকে, জেনারেল সিসি-র পদত্যাগের দাবিতে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ থেকে আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। শনিবার এক বিবৃতিতে আটককৃতদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। রবিবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি। এইচআরডব্লিউ-এর বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপ‚র্ণ বিক্ষোভের অধিকারের সুরক্ষা দিতে মিসর সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। নিরাপত্তা বাহিনীর একটি স‚ত্র ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপিকে জানিয়েছেন, শুক্রবারের বিক্ষোভের ঘটনায় অন্তত ৭৪ জনকে আটক করা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক মাইকেল পেজ বলেন, প্রেসিডেন্ট সিসি-র নিরাপত্তা বাহিনী আবারও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বানচালের জন্য নৃশংসতার আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে দেশটির ইতিহাসের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিসরে এ ধরনের বিক্ষোভ বিরল। ওই অভ্যুত্থানের পর আইন করে এ ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে জেনারেল সিসি সরকার। তবে একদিকে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি অন্যদিকে সেনাশাসক জেনারেল সিসি ও তার বলয়ের লোকজনের ব্যাপক দুর্নীতি সাধারণ মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তুলেছে। ২০১৯ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত সরকারি ডাটা অনুযায়ী, মিসরে মোটাদাগে প্রতি তিনজনে একজন মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে। তাদের দৈনিক আয় ১.৪০ ডলারেরও কম। গার্ডিয়ান, টিআরটি ওয়ার্ল্ড, বিবিসি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ