Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ০৩ কার্তিক ১৪২৬, ১৯ সফর ১৪৪১ হিজরী

বিএনপির অজগর সাপ সবই গিলে ফেলে

সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তো সব গিলে খেয়ে ফেলে। গতকাল রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন শিল্পী সংস্থা’র সাথে বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলগমীরের কেঁচো খুঁড়তে আওয়ামী লীগের সাপ বেরিয়ে আসছে এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। ড. হাছান বলেন, উনাদের (বিএনপি’র) যে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উনি তো সব গিলে খেয়ে ফেলে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজের দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এটির জন্য বিএনপি’র উচিত সরকারকে সাধুবাদ জানানো। যেখানেই মাদক, ক্যাসিনো বা অনিয়ম, সেখানেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সেখানে কে কোন মতের সেটি দেখা হচ্ছে না। বিএনপির আমলেই এসবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, বরং তারা বরং দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, হাওয়া ভবন বানিয়ে প্রত্যেক ব্যবসায় ১০% কমিশন বসানো হয়েছিল। খোয়াব ভবন বানিয়ে আমোদ-ফুর্তি করা হয়েছিল।

হাছান মাহমুদ বলেন, সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী এখন এই সমস্ত অনিয়ম, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে অগ্রসর হচ্ছেন। এই ক্ষেত্রে তো বিএনপির খুশি হওয়ার কথা, সাধুবাদ দেয়ার কথা। তাদের ব্যর্থতার জন্য লজ্জা পাওয়ার কথা। সেটি না বলে মির্জা ফখরুল সাহেব যা বলছেন, সেজন্য তাকে বেেলবা, নিজেদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হচ্ছেন বড় অজগর সাপ, যেটি গিলে সব খেয়ে ফেলে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে সেখানে রেখে, নিজেরা বাংলাদেশকে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিলেন। তাদের এই নিয়ে কথা বলার কোনো নৈতিক অধিকার নাই।

দলের এমপি-মন্ত্রী এধরনের কাজে মদদদাতা হলে কি হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যেখানে অনিয়ম পাওয়া যাচ্ছে সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আমরা পরপর তৃতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায়। তৃতীয়বার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার কারণে অনেক অনুপ্রবেশকারী আমাদের সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে ঢুকেছে, তাদেরকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তারা যে কথাগুলো বলেছে আমি পত্র-পত্রিকা দু-এক জায়গায় দেখেছি, এই কথাগুলো স্টিল নট ভেলিডেটেড। তবে তাদের সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান এসময় বলেন, ‘শিল্পীরা সবাই না হলেও অনেকেই তাদের অভাব অভিযোগ কাউকে জানতে দেয় না। এবং জানতে না দিয়েই তারা নিজের বেদনা, নিজের যাতনা গোপন করে অন্যকে আনন্দ দেয়। সমাজকে তারা সঠিক খাতে প্রবাহিত করার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন,আপনারা জানেন যে বিটিভি ১৯৬৪ সাল যাত্রা শুরু করে। এরপর বহু বছর কেটে গেছে, কিন্তু ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশন দেখা যেতো না, সীমান্তবর্তী এলাকায় যেটুকু দেখা যেতো, সেটি কোনো কনভেনশনাল চ্যানেলে নয়, এমনিতেই দেখা যেতো। প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বের কারণে আমরা ইতিমধ্যে ভারতে ডিটিএইচ ফ্রি ডিশের মাধ্যমে পুরো ভারতেবর্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন বিনামূল্যে দেখানো শুরু হয়ে গেছে। আমি ক’দিন আগের ত্রিপুরা গেছি, ত্রিপুরাতে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বাংলাদেশের অনেকগুলো চ্যানেল দেখা যায়, আমি নিজে দেখেছি।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা: মো. মুরাদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব মো: মিজান-উল-আলম, শিল্পী সংস্থার সভাপতি ড ইনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম বাশার ও প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ