Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার , ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : আমি একজন প্রবাসী। ইতালি থাকি। সাধারণ ভাবে জানি সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখতে হয়। বিভিন্ন ইসলামি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রোজার সময়সূচী বা এ্যপের মাধ্যমে জানা যায়- (উদাহরণ) ফজরের আজান হয় ৩টা ৪০ মিনিটে, আর সূর্যোদয় হয় ৫টা ৪৫ মিনিটে। প্রশ্ন হলো- আমরা সেহেরির শেষ সময় কোনটা ধরবো, ৩টা ৪০ মিনিট নাকি ৫টা ৪৫ মিনিট? আর ফজরের নামাজের শেষ সময় কতো হবে?

জলি রহমান
ভেনিস, ইতালি

প্রকাশের সময় : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৭:৪৭ পিএম

উত্তর : রোজার সময়কাল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত নয়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত। সেহরির শেষ সময় আর ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময় এক নয়। মাঝে ৪/৫ মিনিট ব্যবধান আছে। সেহরীর শেষ সময় বলতে যে সময়টি দেখানো হয়, রোজার শুরু হিসাবে সেটাকেই ধরবেন। ফজরের ওয়াক্ত শুরুকে নয়। আরু ফজরের শেষ সময় সূর্যোদয় শুরু হওয়া পর্যন্ত। নামাজ ও সেহরীর সময়সূচীতে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সব আলাদা করে দেয়া আছে। গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি আলাদাভাবে ফলো করবেন। মিলিয়ে মিশিয়ে ফেললে চলবে না। দুই চার মিনিটেই বড় বড় গ্যাপ ও ভুল হয়ে যেতে পারে।
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতাওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১ নভেম্বর, ২০১৯
প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : আমি ছোটোখাটো ব্যবসা করছি। কোনোরকম দিন চলছে। কিন্তু খুব কষ্টে। বাড়িভাড়াসহ যাবতীয় খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। নিজস্ব জায়গাজমি নেই। আমি চেয়েছিলাম ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কিছু জমি কিনি। যাতে বাড়িভাড়া থেকে অন্তত বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে ব্যবসার কথা বলে নিতে হয়। এ নিয়ে আমি ব্যাংকের সাথে লেনদেনও করেছি। যখন লোন প্রসেসিং করতে যাবো তখন আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে লোনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। তিনি সরাসরি বলেছেন, লোন হারাম। এটা সুদ। আসল কথা হচ্ছে- ব্যাংক লোন কি সত্যিই হারাম ? যদি তাই হয় তাহলে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যে লোন নিয়ে বিজনেস করছে সেগুলো কী ? ব্যাংক লোন ছাড়াও এনজিও বা সমিতি থেকে কিস্তি বা লোন নেয়া কী জায়েজ হবে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য ? যদি হারাম বা সুদ হয়ে থাকে, তাহলে আমার করণীয় কী?

উত্তর : হালাল পদ্ধতিতে লোন নেওয়া সম্ভব হলে নিতে পারেন। তবে, আমাদের দেশে প্রচলিত লোনের পদ্ধতি ব্যাংক বা সমিতিতে যা চালু আছে, এর প্রায় সবই

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ