Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৪ কার্তিক ১৪২৬, ২০ সফর ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন: আমি একজন অবিবাহিত ছেলে। আমার বিয়ের বয়স হয়েছে। আমার ফ্যামিলি আমাকে বিয়ে করাতে চাচ্ছে। প্রশ্ন হলো, মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে ইসলাম কোন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিতে গুরুত্ব দিয়েছে? জানালে উপকৃত হবো।

মোহাম্মাদ নাসিম
জগন্নাথ পুর, ভৈরব।

প্রকাশের সময় : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৮:৪৩ পিএম

উত্তর: প্রথম দেখবেন তাদের ঈমান আকীদা ও ধার্মিকতা। পারিবারিক শিক্ষা-দীক্ষা সংস্কৃতি ও আদব কায়দা। পাত্র-পাত্রীর দাদা নানার পরিবার ও ঐতিহ্য। এরপর উভয় পরিবারের চিন্তা, রুচি, অর্থ ও সামাজিকতার সমতা। ইসলামে যে নীতিমালা দেওয়া হয়েছে সেখানে বলা আছে, ১. ধার্মিকতা, ২. বংশ, ৩. সৌন্দর্য, ৪. অর্থ সম্পদ। এসব বিষয়েই উভয় পক্ষের একটি সমন্বয় প্রয়োজন। আর এ সমতার নামই ‘কুফু’। শরীয়তে কুফুর গুরুত্ব অত্যধিক। এক্ষেত্রে সমন্বয় না থাকলে সংসারে চরম অশান্তি বিরাজ করে। তবে সবকিছুর ওপর ধার্মিকতাকে প্রাধান্য দেওয়ার হুকুম দিয়েছেন মহানবী সা.।
সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।
উত্তর দিয়েছেন: আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • shahin ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ১০:৪৯ এএম says : 0
    আসসালামুআলাইকুম আমি দুইবছর আগে এক আলেমা মেয়েকে বিয়ে করেছিলাম। বিয়য়টা হয়েছিল ঢাকায় তার ভাইয়ের বাসায়।বিয়ের সময় কাবিন নামা ছিল এক লক্ষ টাকা।অর্ধেক তখন দেয়া হয়।তখন মেয়ের পড়াশোনা ছয়মাস বাকী ছিল। ছয়মাস পর সে আমাকে না জানিয়ে উত্তরা এক মাদ্রাসায় চাকরি নিল। পনের দিন পর তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসি এবং এই বিষয়টি তার ভাইকে জানাই।তার ভাই একদিন এসে তার বোনকে শাসন করে গেল।এতে তার বোন আরও রাগান্বিত হল। গ্রামে গিয়ে সে এক মাদ্রাসায় চাকরি নিল এবং সেখানে সে এক আলেমের সাথে পালিয়ে বিয়ে করে ফেলল। দ্বিতীয় স্বামীকে সে বলল আমাকে নাকি মুখে মুখে তালাক দিয়েছে।আমার প্রশ্ন হলো ১. আমাকে না জানিয়ে সে যে আরেকটা বিয়ে করল এতে আমার ও তার সম্পর্ক এখন কি অবস্থায় আছে? আমি তাকে মুখে ও কাগজে তালাক দিইনি। সেও আমাকে কোন কাগজ পাঠায় নাই। ২. আমি যেহেতু অর্ধেক দেনমোহর দিয়েছি বাকি টাকাটা আমার জন্য কি করণীয়?(তারা দুজন এখন পালিয়ে আছে) ৩.আমাকে সে যে না জানিয়ে বিয়ে করল আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল।এলাকায় আমাকে মিথ্যা কথার আশ্রয় নিতে হয়। এটা আমাকে অনেক কষ্ট দেয়। সবাই জানলে হয়তো এটা নিয়ে হাসাহাসি করবে।কি করব আমি এখন? ৪.তার ভাই তাকে শাসন করল আর আমাকে এর খেসারত দিতে হল।আমি কি তাদের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারি? এটা আমার ইমেইল ঠিকানায় পাঠালে ভালো হয়।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ