Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১ হিজরী

চট্টগ্রামে ঈদ বাজারেও ভ্রাম্যমাণ আদালত এক কাপড়ে লাভ ২ থেকে ৪ হাজার টাকা

প্রকাশের সময় : ১৬ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

চট্টগ্রাম ব্যুরো : কাঁচা বাজারের পর এবার প্রথমবারের মতো ঈদ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান পরিচালনা শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত গতকাল (বুধবার) নগরী ঐতিহ্যবাহী টেরীবাজারের বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে কাপড়ের মূল্য মনিটরিং করে। বাজার কমিটির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, মার্কেটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে বিভিন্ন দোকানে বিক্রিত পণ্যের ক্রয়মূল্যের সাথে বিক্রয়মূল্যের পার্থক্য দেখা হয়। এতে নানান ধরনের অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা যায়। আবার অনেক দোকানে সন্তোষজনক দামও লক্ষ্য করা যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান, তাহমিনা আক্তার ও রঞ্জন চন্দ্র দে। অভিযানে সহযোগিতা করে পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসার। এ ছাড়া চট্টগ্রাম চেম্বার ও ক্যাবের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।  
নির্বাহী ম্যাজেট্রেট জানান, এসময় বেশ কয়েকটি দোকানে ক্রয়মূল্যের সাথে বিক্রয়মূল্যের ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। স্টার প্লাস নামক এক দোকানে দেখা যায় কাপড় ভেদে তারা ২০০০ থেকে ৪০০০ টাকা লাভ করেন। টেরি বাজারেরই অন্য দোকান থেকে কিনে তারা বেশি দামে বিক্রয় করেন। আবার মেগামার্টে ঢাকার উর্দু রোড থেকে এক হাজার টাকায় কেনা পাঞ্জাবি তারা বিক্রি করেন ৩৫০০ টাকায়। এভাবে প্রায় দশটি দোকানে মূল্য পর্যবেক্ষণ করে এমন চিত্র পাওয়া যায়।
যেহেতু কাপড়ের বাজারে এধরনের অভিযান প্রথম, তাই ব্যাবসায়ীদেরকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয় এবং মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়। এসময় বাজার কমিটির সহায়তায় তাদের কনফারেন্স রুম থেকে পুরো মার্কেটে কেন্দ্রীয় সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান ব্যবসায়ীদেরকে  কিছু নির্দেশনা দেন। তন্মধ্যে ক্রয়মূল্যের ইনভয়েস সংরক্ষণ ও ক্রেতাকে বিক্রয়মূল্যের রশিদ প্রদান করার নির্দেশনা জারি করা হয়। জেলা প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী চট্টগ্রামের সকল কাপড়ের বাজার ও মার্কেটে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এদিকে এ অভিযানের পর নগরীর ফয়স লেক এলাকায় কয়েকটি ওষুধের দোকানে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ, অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির দায়ে চার জন বিক্রেতাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত কয়েকটি বাজার পর্যবেক্ষণ করে। বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দামে স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়। পাহাড়তলী বাজারে মূল্য তালিকা না থাকায় একজন বিক্রেতাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির রহমান সানি ইসতিয়াক আহমেদ ও সানজিদা সুলতানা। আতুরার ডিপো বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ দ্রব্য বিক্রি করায় পাঁচ বিক্রেতাকে মোট পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফোরকান এলাহী অনুপম, নাঈমা ইসলাম ও শেখ নুরুল আলম। পুলিশ ও আনসার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ