Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার , ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

বুয়েটের হলে হলে বহিরাগত উচ্ছেদ চলছে

বিশ^বিদ্যালয় রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০৪ এএম

বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ^বিদ্যালয় (বুয়েট) এর মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে হত্যার পর ছাত্রদের দাবির মুখে বহিরাগত উচ্ছেদে হলে হলে অভিযান চলছে। গত শনিবার থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে এবং হলগুলো বহিরাগতমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন বিশ^বিদ্যালয়টির ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর মিজানুর রহমান।
এ বিষয়ে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘ইতোমধ্যেই আমরা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ অবৈধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতকে হল থেকে বের করে দিতে পেরেছি। রোববার রাতের মধ্যেই সব হল থেকে অবৈধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগতদের বের করে দেয়ার চেষ্টা করছি। যাদের ঢাকায় থাকার জায়গা নেই, তাদের বের করতে একটু সময় লাগছে। তবে, সবাইকে হল থেকে চলে যেতে হবে।’
বুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল, হল থেকে অবৈধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগত বের করে দিতে হবে। সে দাবির প্রেক্ষিতে এ অভিযান চলছে বলে জানান তিনি। হল থেকে অবৈধ শিক্ষার্থী ও বহিরাগত বের করে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বুয়েটের ড. এমএ রশীদ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ইলিয়াস বলেন, শিক্ষার্থীরা যে দাবি জানিয়েছে, তা বাস্তবায়নে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে। আমরা তাদের সহযোগী হয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমার হলে অবৈধ ও বহিরাগতদের বের করে দেয়ার কাজ চলমান রয়েছে। আজ (রোববার) রাতের মধ্যেই আমরা হলকে বহিরাগতমৃক্ত করার চেষ্টা করছি।
এর আগে রোববার দুপুরে বহিরাগতদের হলে থাকার বিষয়ে বুয়েট ভিসি প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের হলগুলোতে বিগত সময়ে বহিরাগতদের অবস্থান করতে দেখা গেলেও এবার তা পারেনি। দুদিন ধরে হলগুলোতে যে অপারেশন চলছে, আশাকরি বহিরাগত কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, যাদের বিরুদ্ধে ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ আছে, হলগুলোতে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের অভিযানের আগে তাদের অধিকাংশই হল ছেড়ে চলে গেছে। তাদের রুমগুলোতে শুধুমাত্র তালা লাগানো হয়েছে, ভেতরে তাদের জিনিসপত্র রয়ে গেছে। তারা যদি পরবর্তীতে কখনও হলে ফিরে তখন প্রশাসন তাদের বিষয়ে কতটুকু কঠোর হবে, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান। কারণ, এর আগে হল ও বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসার পরও ব্যবস্থা নেয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবি, আন্দোলনের পরে প্রশাসন হলগুলোতে অভিযান চালাচ্ছে, বিষয়টি প্রশংসার যোগ্য। তবে, দুই-একদিন অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে ফেললে চলবে না। যাদের বিষয়ে অভিযোগ এসেছে তারা যেন আর হলে ফিরতে না পারে। এ বিষয়ে প্রশাসন যেন সজাগ থাকে।



 

Show all comments
  • Dr. Jahangir Miah ১৪ অক্টোবর, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
    Salam all my lovely sisters and brothers, I cannot matching any word what to say dealing with barbarians The methodology, I wish to say now this day’s student politics is the killing camp Hey everyone, just posting, Let's Work together to stop barbarian’s act for socially and politically – and make to develop our works strengthen against any injustice. But not in a traditional way, I see the current system is collapsing (Please do not agree my thought), a growing number of individuals are taking their lives into their own hands. Need to change the rules of how humanity can be – and should be! – Work. ---- DR. Jahangir
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammed Shah Alam Khan ১৪ অক্টোবর, ২০১৯, ৬:০৮ এএম says : 0
    বুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বে পরিচিত এক প্রতিষ্ঠান এখানে যে ঘটনা ঘটেগেছে এধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে তারপরও কেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করা হয়নি এটা একটা বিরাট প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। তবে বুয়েটে রাজনীতি করা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে এটা একটা সুখবর বলে আমরা প্রবাসীরা মনে করি। এখানে আমরা দেখেছি এসব দেশে স্কুল থেকেই নেতৃত্বের সৃষ্টি হয়। সেখানে তাদের নেতৃত্ব নির্ধারণ বলতেগেলে শিক্ষকরাই তাদের মেধা ও ইচ্ছার উপর তৈয়ার করে থাকেন। এখানে ছাত্ররা তাদের নিজস্ব সমস্যা সমাধান করতে ব্যাস্ত থাকে এবং কিভাবে তাদের জ্ঞান আরো বিকশিত করা যায় সেদিকে নজর দেয়। স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় রাজনীতি নিয়ে আলোচন হয় তবে এটা নিয়ে কোন রকম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হয় না বা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে তারা কোন ভাবেই সম্পর্ক রাখে না। ফলে এখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক থাকলেও তাদের মধ্যে কোন রকম মতানৈক্যের সৃষ্টি হয় না কারন তারা তাদের রাজনীতি নিয়ে কোন রকম আলোচনা সমালোচনা করে না। এশিয়াতে দেখা যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্ররা সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত হয় এবং একপক্ষ অপরপক্ষের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হয়। রাজনৈতিক দলগুলো পয়সার বিনিময়ে ছাত্রদেরকে তাদের দলে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়ে দলের কর্মকাণ্ড করায়। এতে করে একপক্ষ অপরপক্ষকে কুবকাত করার জন্যে একে অপরের উপর হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে। আমরা দেখেছি অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের রাজনীতি থেকে বিরত থাকার শর্তে কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্যে পাঠায়। আর সেখানে গিয়ে তারা নানা প্রলোভনে রাজনীতিতে পা দিয়েই দেয় আর লাশ হয়ে গ্রামে ফিরে আসে। পিতা মাতার সকল প্রচেষ্টা শুধু বৃথাই যায়না তারা সন্তান হারা হয়েপড়েন। এধরনের ঘটনা আমরা প্রায়ই পত্রিকায় পাঠ করি আর আল্লাহ্‌র কাছে নতজানু হয়ে সেজদায় পরে আল্লাহ্‌র কৃতজ্ঞতা ব্যাক্ত করি তিনি আমাদেরকে নিরাপদ যায়গায় রেখে আমাদের সন্তানদেরকে মানুষের মত মানুষ করছেন। আর আল্লাহ্‌র দরবারে আমাদের রেখে আসা আত্মীয়পরিজনদের জন্যে আল্লাহ্‌র দরবারে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদেরকে এসব অনাচার করা থেকে দূরে রেখে শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতি মুক্ত করে শিক্ষার আলো ছাড়ানোর পরিবেশ সৃষ্টি করে ছাত্র/ছাত্রীদেরকে মানুষের মত মানুষ হবার সুযোগ করে দেন। আমিন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ