Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : সিগারেট খাওয়া যাবে কি? যদি কেউ সিগারেট খায় কেমন গুনাহ হবে?

ওমর মাহমুদ ফারুক
কিশোরগঞ্জ সদর

প্রকাশের সময় : ১৫ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:১৪ পিএম

উত্তর : সিগারেট খাওয়া নিয়ে একক কোনো সিদ্ধান্ত শরীয়তে দেখা যায় না। প্রাচীণ যুগের ফতোয়া মতে এটি খাওয়া জায়েজ। এর দুর্গন্ধ থেকে পরিপূর্ণ মুক্ত হয়ে মসজিদে যাওয়া জরুরী। নতুবা মাকরুহ। সাম্প্রতিক কিছু ইজতেহাদ বা শরয়ী গবেষণা সিগারেট খাওয়াকে পরিস্কার হারাম বলছে। তবে, এর পক্ষে হারাম হওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ দলিল প্রমাণ না থাকায়, অধিকাংশ আলেম হারাম বলতে পারছেন না। বেশী হলে মাকরুহ তাহরীমি হতে পারে। তবে, আগের ফতোয়া অনুসরণ করলে সিগারেট খাওয়া জায়েজ। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • সাইফ ১৬ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:০৪ এএম says : 7
    ১০৩ তিন জন ডিজলাইক দিলেন কাকে দিলেন, উত্তরকে নাকি উত্তর দাতাকে, নাকি প্রশ্ন কর্তাকে। উত্তর দাতা জাই বলেছেন শরিয়তের সত্য কথাটাই বলেছেন, তাতেও কি আপনাদের সমশ্যা??? সত্যকে গ্রহন করতে শিখুন।
    Total Reply(0) Reply
  • mahbubur rahman babu ১৬ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:৫২ পিএম says : 1
    jara haram bolesen tader dolil ta keno ullekh korlen na ? je kono jonish manusher jan o maler khoti kore ta haram,,,nisondhohe dhumpan manuske mittur dike thele dei
    Total Reply(0) Reply
  • jack ali ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৮:১২ পিএম says : 0
    Do not give fatwa that smoking is halal... Even a child will tell you smoking is harram....All the kafir scientist and muslim doctors who has knowledge on Qur'an and Sunnah mentioned that tobacco product is the Mother Of All Drug including chewing tobbaco leaf called Zarda, Gul, Bidi, cigarette..Cigarette contains 7000 thousands poisonous chemichel.... second hand smoke kills people those who do not smoke...so those who smoke they kill human being... Our so called Alem olema are dangerously addicted to Zarda as such they give fatwa that tobacco product is halal.
    Total Reply(0) Reply
  • jack ali ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৮:৩৭ পিএম says : 0
    100 million people died from tobacco use in the 20th century. If current trends continue one billion people will die from tobacco use in the 21st century.3 Tobacco use kills up to half of all lifetime users.4 On average, smokers lose 15 years of life.5 Tobacco kills more than 7 million people each year.1 By 2030, the number of tobacco-related deaths will increase to 8 million each year.4 Tobacco-related illnesses account for 1 in 10 adult deaths worldwide. By 2030, 80% of those deaths will be in low- and middle-income countries
    Total Reply(0) Reply
  • jack ali ১৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৮:৩৭ পিএম says : 0
    Global indirect costs of smoking are estimated to be about 1 trillion USD, nearly two thirds of which are due to premature mortality.2 In Ukraine, the productivity loss due to premature smoking-related mortality is at least 3 billion USD annually.10 Tobacco production damages the environment: Tobacco plants are especially vulnerable to many pests and diseases, prompting farmers to apply large quantities of chemicals and pesticides that harm human health and the environment.3 Clearing of land for cultivation and large amounts of wood needed for curing tobacco cause massive deforestation at a rate of about 200,000 hectares per year
    Total Reply(0) Reply
  • Chowhdury Amirul Hossain ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:২৪ এএম says : 0
    ''আগের ফতোয়া অনুসরণ করলে সিগারেট খাওয়া জায়েজ। " Sad . Why follow `আগের ফতোয়া' ? It's wrong comment. Please study it. `Dhumpan Bispan, Bispan Haram, Haram, Haram.
    Total Reply(0) Reply
  • Engr.Khandakar Mohd.Wasim ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:৪১ এএম says : 1
    প্রশ্নের উত্তর দাতা আপনি উত্তর সঠিক বলেননি। আপনি আগের যুগের আলেম এর মত না জানার অবস্থার মতো উত্তর দিয়েছেন। আবার পাঠককে বিভ্রান্ত করে বলেছেন সাম্প্রতিক কিছু ইজতেহাদ বা শরয়ী গবেষণা সিগারেট খাওয়াকে পরিস্কার হারাম বলছে। আপনাকে পরিস্কার করে বলতে চাই যে জিনিষ অর্থের অপচয় করে, যে জিনিষ শরীরের ক্ষতি করে সে জিনিস স্পষ্ট হারাম। শুনুন এই ভিডিও লিংক থেকে। ব্যক্তি নয় বক্তব্য শুনুন: ....................... খোদ মুসলিম ডাক্তার নয়, সব বড় বড় কাফের রিসার্চার ও ডাক্তার মিলে রায় দিয়েছে সিগারেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ফুসফুস নষ্ট হয়ে যায় ক্যান্সারের মতো বড় বড় কারণ সিগারেট থেকে হয়। শুধু তাই নয় সিগারেটের কোম্পানিগুলো পর্যন্ত প্যাকেটের গায়ে লিখতে বাধ্য হয়েছে যে সিগারেট খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এত সুস্পষ্ট ক্ষতিকারকতা তা স্বয়ং অ্যালকোহলের বোতলে ও লিখা হয়না না। এত সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও আপনারা আলেমরা সিগারেটকে হারাম বলতে পারেন না, পানের সাথে জর্দা কে হারাম করতে পারেন না আপনারা তালমিলিয়ে চলেন। আশাকরি পাঠকরা বিভ্রান্ত হবেন না সিগারেট খাওয়া সম্পূর্ণ হারাম এটিই এখন সমস্ত বড় বড় আলেমদের রায়। আপনি অনুসন্ধান করে পাঠককে পুনরায় সঠিক মত জানান গৎবাঁধা পুরানো মাসলা মাসায়েলের কিতাব পড়ে রায় দিবেন না নিজেকে আপডেট করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • আলম খান ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ১০:১৬ পিএম says : 0
    ইঞ্জিনিয়ার সাহেব, আপনি মাশাল্লা কথা ভালোই বলতে পারেন। অমুক তমুকের রেফারেন্স দিলেন। কিন্তু মুফতি সাহেবের এগেইষ্টে গিয়ে, হারাম হওয়ার একটা দলীলও দিতে পারলেন না। কিছুটা খোঁড়া যুক্তির আশ্রয় নিয়েছেন। ইসলামী শরীয়তে হারাম হওয়ার জন্য সরাসরি ইসলামের চার মূলনীতির একটা অন্তত পেতে হবে। আপনাদের মতো ইঞ্জিনিয়ারদের খোঁড়া যুক্তিক্তে কোনো কিছু হারাম হবে না। এখন আসি আপনার যুক্তিতে। ঢাকা শহরের দূষণ, গাড়ীর দোয়া, খাদ্যে ক্যামিকেল, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ওয়াসার পানিতে মনুষ্য বর্জ্য, মানুষের বসবাসের অযোগ্য জায়গায় বসবাস (বস্তি) আরও অনেক বিষয়। সবগুলো ধীরে ধীরে মৃত্যুর কারণ। ঢাকা শহরের বিষাক্ত আবহাওয়ায় শ্বাস নেওয়াও যেখানে ডাক্তারী সাইন্সে মৃত্যুর কারণ। তাহলে তো ঢাকা শহরের পানি খাওয়া, খাবার খাওয়া, শ্বাস নেওয়া এমনকি বসবাস করা হারাম। ঢাকা শহরের উঁচু উচু বিল্ডিং, শহরের নিচে মাকড়শার জালের চেয়েও বেশী অনিয়ন্ত্রিত গ্যাস লাইন, যে কোনো মুহূর্তে ঢাকা শহরে ২ কোটি মানুষের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আপনার যুক্তিতে কি ঢাকা শহরে বাস করাও হারাম। যদি পারেন শরীয়ার আলোকে কথা বলেন। অল্প জেনে সব জায়গায় পণ্ডিতি ভালো না। এ জন্যই কবি বলেছেন 'অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী /কারা রে কই রেল গাড়ী, আর জুতা রে কই আলমারী। আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং দিক থেকে শিক্ষিত হতে পারেন, কিন্তু ইসলামী শরীয়ত জানা এবং বোঝার দিক দিয়ে একদমই মূর্খের পরিচয় দিয়েছেন। যদিও আলী রা. মূর্খের কথার জবাব দিতে নিষেধ করেছেন, তারপরও আপনার কথার জবাব দিলাম। কারণ, জবাব না দিলে আপনি নিজেকে অনেক বড় পণ্ডিত জাহির করতেন। সেটা যেন না পারেন, তাই আপনার কথার জবাব দিলাম। আল্লাহ আমায় ক্ষমা করুন।
    Total Reply(0) Reply
  • নিসারুল ইসলাম ২ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৪০ পিএম says : 0
    "আমিই সঠিক" মানসিকতার কারণে অনেকেই খুব খারাপভাবে মুফতি সাহেবের সমালোচনা করছেন । অথচ উনি শুধুমাত্র আগের ও বর্তমানের উলামাদের মতামত উল্লেখ করেছেন । উনি নিজে কোন ফতোয়া দেননি । আপনি কোনটি মেনে চলবেন সে সিদ্ধান্ত আপনার । যদিও আমার কাছে বর্তমান যুগের ফতোয়াটিই অধিক গ্রহনযোগ্য ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

উত্তর : এসব শর্তের কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে প্রস্তাব করলে যারা এসব মেনে নিয়ে সাবস্ক্রাইব করবেন, তাদের টাকা আপনার জন্য হালাল। এভাবে পরিস্কার বলে ক্লায়েন্টকে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ