Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার , ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : নামাজের মধ্যে ঠোঁট বা মুখ বন্ধ রেখে কিরাত বা তাসবীহ পড়া যাবে কি? যদি কেউ এভাবে পড়ে তার নামাজ হবে কি?

মনজুরুল ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ১৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৮:২৫ পিএম

উত্তর : মনে মনে পড়লে হবে না। ঠোঁট বা মুখ বন্ধ রেখে কি কোনো কিছু উচ্চারণ করা যায়? যদি করা যায়, তাহলে নামাজ হবে। আর যদি ঠোঁট মুখ জিহ্বা কিছুই ব্যবহার না করে, মনে মনে এসব জপে নেয়, তাহলে নামাজ হবে না। উচ্চারণের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো ব্যবহার করে পড়তে হবে। জোরে পড়া জরুরী নয়, সাথের লোকটি শোনাও জরুরী নয়, যদি নিজে শোনে তো ভালো। আর নিজে না শুনেও যদি পড়ে তাহলেও নামাজ হবে।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • Sakhawat Bin ilyas ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৩:০৫ পিএম says : 0
    Zajakallah
    Total Reply(0) Reply
  • Shahadat, tongi ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:৪৯ পিএম says : 0
    Zomar namaz she- she sab musulli mile ak shathe monajat kara jayaz ache kina???
    Total Reply(0) Reply
  • ইকবাল হোসেন ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:১৭ পিএম says : 0
    সব নামাজে তাকবিরে তাহরিমা বলা তো ফরজ,তাকবিরে তাহরিমা মুখে উচচারন করে বলতে হব নাকি মনে মেন বললে হবে ?
    Total Reply(0) Reply
  • ইকবাল হোসেন ২২ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:১৮ পিএম says : 0
    সব নামাজে তাকবিরে তাহরিমা বলা তো ফরজ,তাকবিরে তাহরিমা মুখে উচচারন করে বলতে হব নাকি মনে মেন বললে হবে ?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

প্রশ্ন : আমি ছোটোখাটো ব্যবসা করছি। কোনোরকম দিন চলছে। কিন্তু খুব কষ্টে। বাড়িভাড়াসহ যাবতীয় খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। নিজস্ব জায়গাজমি নেই। আমি চেয়েছিলাম ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কিছু জমি কিনি। যাতে বাড়িভাড়া থেকে অন্তত বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে ব্যবসার কথা বলে নিতে হয়। এ নিয়ে আমি ব্যাংকের সাথে লেনদেনও করেছি। যখন লোন প্রসেসিং করতে যাবো তখন আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে লোনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। তিনি সরাসরি বলেছেন, লোন হারাম। এটা সুদ। আসল কথা হচ্ছে- ব্যাংক লোন কি সত্যিই হারাম ? যদি তাই হয় তাহলে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যে লোন নিয়ে বিজনেস করছে সেগুলো কী ? ব্যাংক লোন ছাড়াও এনজিও বা সমিতি থেকে কিস্তি বা লোন নেয়া কী জায়েজ হবে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য ? যদি হারাম বা সুদ হয়ে থাকে, তাহলে আমার করণীয় কী?

উত্তর : হালাল পদ্ধতিতে লোন নেওয়া সম্ভব হলে নিতে পারেন। তবে, আমাদের দেশে প্রচলিত লোনের পদ্ধতি ব্যাংক বা সমিতিতে যা চালু আছে, এর প্রায় সবই

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ