Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার , ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশাসনে দুর্নীতিবিরোধী অপ্রশ্ন : মাসবুক ব্যক্তির নামাজে, ইমাম সাহেব সালাম ফেরানোর পর দাঁড়ানোর সময় আল্লাহু আকবার বলতে হবে কি?

মো. আজিজুল ইসলাম
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২০ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:৫৩ পিএম

উত্তর : বলতে হবে। কেননা, তখন দাঁড়ানোর তাকবীর আছে। ধরুন, ইমাম যদি তখন নামাজ শেষ না হওয়ার দরুন নিজে দাঁড়াতেন, তাহলে কি তিনি বা অন্যান্য মুসল্লী তাকবীর বলতে না? এখানে ব্যক্তিগতভাবে নামাজের নিয়ম পালনের স্বার্থেই তাকবীর বলতে হবে। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র: জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফতওয়া বিশ্বকোষ।
ভিযান সফল হবে বলে মনে করেন কি?

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • মিজানুর রহমান ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ১১:০৩ এএম says : 0
    ১ম রাকাতে ইমাম সাহেবকে কেরাতরত অবস্থায় পেলে নিয়ত বেধে ছানা পড়তে হবে কিনা? না নিয়ত বেধে কেরাত শুনতে থাকবো?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১ নভেম্বর, ২০১৯
প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

উত্তর : এসব শর্তের কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করে প্রস্তাব করলে যারা এসব মেনে নিয়ে সাবস্ক্রাইব করবেন, তাদের টাকা আপনার জন্য হালাল। এভাবে পরিস্কার বলে ক্লায়েন্টকে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ