Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭, ২২ যিলহজ ১৪৪১ হিজরী

আদালতকে প্রভাবিত করার অভিযোগ ডাকসু ভিপির

আগামী বছর পাসপোর্টের রিট শুনানি

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২১ অক্টোবর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

সরকার নৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ায় ছাত্রদের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে পাসপোর্ট দিতে ভয় পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যারয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নূরুল হক নূরু। তিনি বলেন, সরকার আমাকে পাসপোর্ট না দিয়ে চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। অথচ পাসপোর্ট পাওয়া একজন মানুষের মৌলিক অধিকার। গতকাল রোববার সুপ্রিমকোর্ট বারে অবস্থিত ‘ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম’র কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদসম্মেলনে এ কথা বলেন। এ সময় তার আইনজীবী মোহসীন রশিদ সঙ্গে ছিলেন।
এর আগে সকালে পাসপোর্ট চেয়ে রিট করেন নূরু। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আগামিবছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। এ বিষয়ে নূরু বলেন, বিষয়টি স্পষ্ট যে, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের একজন প্রতিনিধি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ছাত্রলীগের হামলার শিকার হতে হচ্ছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। বাইরের দেশের সঙ্গে বা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বা বাইরে কোনও ইউনিভার্সিটির সঙ্গে আমার যেন কোনও কানেকশন না থাকে, সে জন্য সরকার আমার চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। সাধারণ প্রতিবাদী মানুষের চলাফেরাকে সরকার প্রতিনিয়ত সংকুচিত করার পাঁয়তারা করছে। এখন আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে, বিচার বিভাগকে প্রভাবিত করে নিজেদের ইচ্ছেমতো রায় দেয়য়াচ্ছে।
ডাকসু ভিপি বলেন, আমার পাসপোর্ট এখন দরকার। আমাকে জানুয়ারিতে দেবে। অর্থাৎ ভিপির দায়িত্বটা শেষ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে যেমন পাসপোর্ট অফিস তালবাহানা করেছে, আজকে দেবে না, কালকে আসতে বলেছে, এভাবে ঘুরিয়েছে আমাকে। এখন আবার আদালতে ঘোরাচ্ছে। হয়তো মেয়াদ শেষ (ভিপির মেয়াদ) হওয়ার পর পেতে পারি। এতে স্পষ্ট যে আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না। আদালতকে প্রভাবিত করা হচ্ছে। আজ সাধারণ মানুষ-ছাত্র কেউ ন্যায়বিচার পাচ্ছে না।
অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ বলেন, পাসপোর্ট জরুরি বিষয়। জরুরি ভিত্তিতে শুনানির জন্যই আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। কিন্তু আদালত তা করলেন না। এতে আমার আশঙ্কা, সরকার হয়তো ভিপি নুরকে পাসপোর্ট দিতে চায় না। জানুয়ারিতে যদি আবার সরকার সময় চায়, আদালত যদি সময় দেন, তাহলে হয়তো ভিপি নূরের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ