Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার , ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : সরকার যদি নাগরিকদের কোনো আর্থিক সুযোগ সুবিধা দেয়, তাহলে সেটা কি হালাল হবে? যেমন, প্রবাসীরা ১ লক্ষ টাকা পাঠালে, ১ লক্ষ ২ হাজার টাকা দেবে। আবার প্রবাসীরা ১ লক্ষ টাকা ডলারে সরকারী কোষাগারে রাখলে ৫ বছর পর ১ লক্ষ ৭৯ হাজার টাকা দেবে। এসব সুযোগ সুবিধা নেওয়া কি বৈধ হবে?

হাসান তারিক
ইমেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ২৭ অক্টোবর, ২০১৯, ৭:০০ পিএম

উত্তর : প্রবাসীদের পাঠানো টাকার সাথে উৎসাহমূলক যে টাকা সরকার দেয়, তা হালাল হবে। তবে, ডলার জমা রাখার পর বাড়তি যে টাকাটা দেয়, তার নাম ও পদ্ধতি দু’টোই শরীয়তবিরোধী। সরকার ইচ্ছা করলে হালাল পদ্ধতিতে নাগরিকদের অনেক কিছুই দিতে পারে। তখন তা গ্রহন করাও হালাল হবে। আর যদি সরকার সুদী পদ্ধতিতে সুদের নামে কিছু দেয়, তাহলে তা হালাল হবে না। অতএব, গ্রাহকের কর্তব্য প্রতিটি লেনদেন বিশ্লেষন করে সম্পাদন করা। লেনদেন সামান্য পদ্ধতিগত কারণে হালাল বা হারাম হতে পারে। এজন্য নির্দিষ্ট মাসআলা বিজ্ঞ আলেম থেকে জেনে নিতে হয়। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • Robin ২৯ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:০৬ এএম says : 1
    আপনি বলেছেন সরকার ইচ্ছা করলে হালাল পদ্ধতিতে নাগরিকদের অনেক কিছুই দিতে পারে। তখন তা গ্রহন করাও হালাল হবে। আর যদি সরকার সুদী পদ্ধতিতে সুদের নামে কিছু দেয়, তাহলে তা হালাল হবে না। আমি আপনাকে বলবো সরকার তো কোথাও সুদি কথাটা বলেনা, তাহলে আমরা কেন সুদি ধরে নিবো? আশা করবো যে ব্যাখ্যা জনগন বুঝতে সুবিধা হবে তেমন ব্যাখ্যা দিলে উপকৃত হবো।
    Total Reply(0) Reply
  • শেখ পাবলু ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৩ এএম says : 0
    ভালো করে বুঝিয়ে বলুন
    Total Reply(0) Reply
  • শেখ পাবলু ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২৪ এএম says : 0
    ভালো করে বুঝিয়ে বলুন
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১ নভেম্বর, ২০১৯
প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন : আমি ছোটোখাটো ব্যবসা করছি। কোনোরকম দিন চলছে। কিন্তু খুব কষ্টে। বাড়িভাড়াসহ যাবতীয় খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। নিজস্ব জায়গাজমি নেই। আমি চেয়েছিলাম ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কিছু জমি কিনি। যাতে বাড়িভাড়া থেকে অন্তত বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে ব্যবসার কথা বলে নিতে হয়। এ নিয়ে আমি ব্যাংকের সাথে লেনদেনও করেছি। যখন লোন প্রসেসিং করতে যাবো তখন আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে লোনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। তিনি সরাসরি বলেছেন, লোন হারাম। এটা সুদ। আসল কথা হচ্ছে- ব্যাংক লোন কি সত্যিই হারাম ? যদি তাই হয় তাহলে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যে লোন নিয়ে বিজনেস করছে সেগুলো কী ? ব্যাংক লোন ছাড়াও এনজিও বা সমিতি থেকে কিস্তি বা লোন নেয়া কী জায়েজ হবে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য ? যদি হারাম বা সুদ হয়ে থাকে, তাহলে আমার করণীয় কী?

উত্তর : হালাল পদ্ধতিতে লোন নেওয়া সম্ভব হলে নিতে পারেন। তবে, আমাদের দেশে প্রচলিত লোনের পদ্ধতি ব্যাংক বা সমিতিতে যা চালু আছে, এর প্রায় সবই

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ