Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৩ রবিউস সানী ১৪৪০ হিজরী

নাও ইউ সি মি টু

প্রকাশের সময় : ২০ জুন, ২০১৬, ১২:০০ এএম

জন এম. চু পরিচালিত হাইস্ট থ্রিলার ফিল্ম ‘নাও ইউ সি মি টু’। ‘স্টেপ আপ টু : দ্য স্ট্রিটস’ (২০০৮), ‘স্টেপ আপ থ্রিডি’ (২০১০), ‘জি.আই জো : রিটালিয়েশন’ (২০১৩) এবং ‘জেম অ্যান্ড দ্য হলোগ্রাম’ (২০১৫) চু পরিচালিত কয়েকটি চলচ্চিত্র। ২০১৩’র ‘নাও ইউ সি মি’র সিকুয়েল এই চলচ্চিত্রটি।
এক জাদুর অনুষ্ঠান দিয়ে রবিন হুড স্টাইলে দর্শকদের বিপুল অর্থ বিলি করার একবছর পরের ঘটনা। ফোর হর্সমেন- ড্যানি ‘দ্য লাভার’ (জেসি আইসেনবার্গ), মেরিট ‘দ্য হারমিট’ (উডি হ্যারেলসন), লুলা ‘দ্য হাই প্রিস্টেস’ (লিজি ক্যাপলান) এবং জ্যাক ‘ডেথ’ (ডেইভ ফ্রাঙ্কো) নিউ ইয়র্ক সিটির মঞ্চে ফিরেছে। বলাই বাহুল্য শোয়ের সব টিকিট অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। এই জাদুশিল্পীদের কারণে থ্যাডিয়াস (মরগ্যান ফ্রিম্যান) জেল খাটছে । সেখানে বসেই সে ফোর হর্সমেনের ওপর প্রতিশোধের পরিকল্পনা করে। এফবিআই এজেন্ট ডিলান (মার্ক রাফেলো) এখনও সেই অর্থ লুটের কেসটি তদারক করছে আর তার মিশন হল ফোর হর্সমেনকে আইনের আওতায় আনা। ডিলান অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তাদের পারফরমেন্স থামিয়ে মঞ্চ ত্যাগ করতে বলে। তারা একটি টিউব দিয়ে মঞ্চ থেকে নেমে আসে। শেষ মাথায় এসে বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করে তারা চীনে এসে উপস্থিত হয়েছে। এটি আসলে ওয়াল্টার (ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ) নামে এক প্রযুক্তি উদ্যোক্তার কারসাজিতে ঘটেছে। সে কাজ করছে থ্যাডিয়াসের সঙ্গে। ওয়াল্টার ফোর হর্সমেনকে ফাঁদে ফেলে পৃথিবীর সব কম্পিউটার সিস্টেমের প্রবেশাধিকার আদায় করে নিতে চায়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ