Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার , ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ০৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
শিরোনাম

জনগণ কড়ায়-গণ্ডায় সকল অন্যায়ের হিসেব বুঝে নেবে -রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:৩০ পিএম

আওয়ামী ভয়াবহ দু:শাসনের বিরুদ্ধে কেউ যাতে মাথাচাড়া দিতে কিংবা টু শব্দ উচ্চারণ করতে না পারে সেজন্য সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারারুদ্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জামিনযোগ্য মামলা হওয়া সত্বেও তাঁকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। দেশনেত্রী শারীরিকভাবে ভীষণ অসুস্থ হলেও তাঁর অসুস্থতা নিয়ে বিএসএমএমইউ এর পরিচালক চরম মিথ্যাচার করছেন। তিনি প্রেসব্রিফিংয়ে সরকারের শেখানো কথাই বলেছেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার সুযোগ দিন। অন্যথায় তার সকল দায়-দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। জনগণ সকল অন্যায়ের হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিবে। জনগণের ধৈর্য ও সহ্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। ৩০ ডিসেম্বরের আগের রাতে ভোট ডাকাতির পর সারাদেশের ভোট বঞ্চিত মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে আছে। অচিরেই গণবিস্ফোরণ শুরু হবে। তিনি অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।
শুক্রবার ( ১ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল-ঢাকা জেলা শাখার এক মতবিনিময় সভায় তিিনি এসব কথা বলেন।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। সভাপতিত্ব করেন-বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-পরিবার কল্যান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ দেওয়ান মোঃ সালাহউদ্দিন বাবু। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, তাঁতী দল কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, কাজী মনির, জাহাঙ্গীর আলম, ফিরোজ কিবরিয়া, রেজাউল করিম রানা, মোস্তফা কামাল এবং সদস্য খন্দকার হেলাল ও জাকির হোসেন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, “বিএনপির একটি বলিষ্ঠ অঙ্গ সংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল নানা প্রতিকুল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে দেশব্যাপী সংগঠনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য আমি সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আর এক্ষেত্রে ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল এক ধাপ এগিয়ে। ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল সংগঠনকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সবসময় সচেষ্ট থাকবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর হাতে গড়া জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল সংগঠনটি শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে উঠলে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড মজবুত হবে। গ্রামীণ তাঁত শিল্প সম্প্রসারিত হলে উৎপাদিত তাঁত বস্ত্র দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানীর মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। মোগল আমলে এক সময় ঢাকার মসলিন কাপড় পৃথিবী বিখ্যাত ছিল। কিন্তু কালের আবর্তে আজ সেই মসলিন বিলীন হয়ে গেছে। জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একদিকে যেমন সংগঠনটি শক্তিশালী হবে অন্যদিকে দেশের তাঁত শিল্পের প্রভূত উন্নতি সাধন হবে।



 

Show all comments
  • মজলুম জনতা ১ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৪৩ পিএম says : 0
    আপনারা নিজেরা একটু ঐক্যবদ্ধ হোন। নিজেরা রাজপথে আসুন।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: রিজভী


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ