Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার , ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ঐক্যফ্রন্টের

রফিক মুহাম্মদ | প্রকাশের সময় : ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০০ এএম

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির দূরত্ব বাড়ছে। ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে শুরুতে বিএনপির মধ্যে যে আবেগ-উচ্ছ্বাস ছিল তা এখন আর নেই। শুধু তাই নয়, ঐক্যফ্রন্টের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর মুখে এখন বিরূপ মন্তব্যও শোনা যায়। ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর বিএনপির যে সব গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতেন তারা এখন আর যাচ্ছে না। দলের কম গুরুত্বপূর্ণ কাউকে পাঠিয়ে শুধুমাত্র ফ্রন্টের কর্মসূচিতে দলটি হাজিরা দিচ্ছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের ভূমিকা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রশাসনের সহায়তায় আগের দিন রাতেই ব্যালটে সিল মেরে বাক্র ভর্তি করা হলেও এ বিষয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেননি ড. কামাল হোসেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এমনটি মনে করেন। তবে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী মনে করেন কামাল হোসেন ইচ্ছা করেই ভোট ডাকাতির এমন বড় একটি ইস্যুতে জোরালো আন্দোলন গড়ে উঠুক এটা তিনি চাননি। নির্বাচনের পর পর নানান তালবাহানা করে তিনি এ ইস্যুটি নিয়ে রাজপথে যাননি। আর এ সুযোগে সরকার এত বড় জঘন্যতম একটি জালিয়াতির নির্বাচন করেও নিজেদের অবস্থান অনেকটাই স্থিতিশীল করে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি চেয়ারপার্সনের মুক্তির বিষয়েও ড. কামাল হোসেন কোন কথা বলছেন না। বিভিন্ন আলোচনা সভায় কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধুর কথা বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেললেও জিয়াউর রহমানের কথা একটি বারও বলেন না। এমনকি খালেদা জিয়ার মুক্তির কথা তিনি উচ্চারণ করেন না। এ বিষয়ে পাশে বসে থাকা কেউ তাকে মনে করিয়ে দিলে ড. কামাল তখন বলেন হ্যাঁ এ বিষয়ে তো আমরা সকলে একমত। তার মুক্তি তো আমরা সবাই চাই। ড. কামালের এমন দায়সারা গোছের বক্তব্যে বিএনপির নেতাকর্মীদের মনে ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম দিচ্ছে। সম্প্রতি ঐক্যফ্রন্টের এক বৈঠক শেষে ঘোষণা করা হলো ড. কামালের নেতৃত্বে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা অসুস্থ খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করবেন। সে অনুযায়ী তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে দেখা করে অনুমতিও আদায় করেন। কিন্তু দু’একদিন পরে জানা গেল ড. কামাল হোসেন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন না। তিনি তার চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাবেন। এটি বিএনপির নেতাকর্মীদের খুব আহত এবং ক্ষুব্ধ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির এক সভাপতি বলেন, ড. কামাল হোসেন সরকারবিরোধী আন্দোলন করতে আগ্রহী নন তার কর্মকান্ডে এমনটি এখন মনে হচ্ছে। বিএনপির সাথে একটি ঐক্যের নাটক করে ভিতরে ভিতরে তিনি সরকারকে স্থিতিশীল হতে সহায়তা করছেন। ড. কামাল হোসেন তো এর আগে বিভিন্ন সরকারের নানা কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অনেক মামলা করেছেন। তাহলে এবার সরকার এত বড় একটি জালিয়াতি করলো, আগের দিন রাতে ভোট ডাকাতি করলো যা ইতিহাসে বিরল, কই এ নিয়ে তো তিনি কোন মামলা করলেন না। প্রথম প্রথম অনেক তোড়জোড় দেখিয়ে পরে ধীরে ধীরে তিনি চুপ হয়ে গেলেন। আসলে ড. কামাল হোসেনকে নিয়ে কতটুকু অগ্রসর হওয়া যাবে এ বিষয়ে বিএনপির এখনো ভাল করে ভাবা উচিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অর্থাৎ ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে নির্বাচনী জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ গঠন করে বিএনপি। কিছুদিনের মধ্যেই সে জোটে যোগ দেন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। এ ছাড়াও এ জোটে যোগ দেয় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং বিকল্প ধারার একাংশ।

নির্বাচন সামনে রেখে গঠিত এই জোটের কাজকর্ম যথাযথভাবে পরিচালনার জন্য ‘স্টিয়ারিং কমিটি’ ও ‘লিয়াজোঁ কমিটি’ নামে দুটি কমিটি তখন গঠন করা হয়। স্টিয়ারিং কমিটিতে প্রতিটি দলের তিনজন শীর্ষ নেতা এবং লিয়াজোঁ কমিটিতে প্রতিটি দলের চারজন মধ্যম সারির নেতা অন্তর্ভুক্ত হন। স্টিয়ারিং কমিটিতে বিএনপির তিন প্রতিনিধি ছিলেন- দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। আর লিয়াজোঁ কমিটিতে ছিলেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, মো. শাহজাহান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী এবং হাবিবুর রহমান হাবিব। এছাড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ঢাকা মহানগরের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবদুস সালাম।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যাত্রার শুরুতে বিএনপির এই আট শীর্ষ নেতা জোটের গুরুত্বপ‚র্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ড রোডে প্রিতম-জামান টাওয়ারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপনের আগে বেইলি রোডে ড. কামাল হোসেনের বাসা, মতিঝিল চেম্বার, উত্তরায় আ স ম আবদুর রব ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার বাসায় অনুষ্ঠিত জোটের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকগুলোতে নিয়মিত যেতেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।

আর কালভার্ড রোডে ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপনের পর সেখানে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভা, সংবাদ সম্মেলন, যৌথসভাসহ জোটের সবধরনের অনুষ্ঠানে লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য বরকত উল্লা বুলু, মো. শাহজাহান, মনিরুল হক চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সমন্বয় কমিটির প্রধান আবদুস সালামকে নিয়মিত দেখা যেত। মাঝে মাঝে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালও যেতেন সেখানে।

বিএনপির দলীয় সূত্রমতে, এসব শীর্ষ নেতার মধ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া কেউ আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রয়োজনীয়তা উপলব্দি করেন না। জোটের কোনো অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যায় না। এর মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল কর্মকান্ড থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন।

তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তার আলোকে বৃহত্তর ঐক্যের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ জন্য তিনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। শুধু তাই নয় দলের অন্যদেরও সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করছেন। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে জোটের স্টিয়ারিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেন। কিন্তু কিছু দিন পর তারাও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কর্মকান্ড থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন। তাই এখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মিটিংয়ে দলের যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো হয়। আর মহাসচিবের অনুরোধে এই মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে বিএনপির প্রতিনিধিত্ব করছেন দলটির স্থায়ী কমিটির নতুন সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো খবর জানি না। সুতরাং ফ্রন্ট নিয়ে কোনো বক্তব্য আমি দিতে পরব না।
গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিষয়টি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেখছেন। এ ফ্রন্টের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নাই।
বরকত উল্লা বুলু বলেন, আমি এখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যাই না। বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে কে যায়, তাও জানি না। মহাসচিব যাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, সে হয়তো যায়।



 

Show all comments
  • ahammad ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৩৭ এএম says : 0
    ডঃকামাল সাহেব নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার জন্যই সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের লখ্খ নিয়ে কাজ করেছেন। একথাটা বিএনপির নিতীনির্ধারক বৃন্দের এখনো বুঝতে বাকী থাকার কথা নয়। আর যদি বুঝেও না বুঝার ভান করেন, তহলে এরছেয়ে দূভার্গ্য আর কিছু হতে পরে না। তাই বিশ দলকে সঠিক মূল্যায়ন করে, বিশদলীয় জোটের কর্য্যক্রম ও আন্দোলন গড়ে তোলার অনুরোধ জানাচ্ছি। জনগন জোটের সথে ছিল,আছে এবং থাকবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Masud Bhuiyea ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৫ এএম says : 0
    মিডিয়ার শক্তি যে কতখানি তা বিএনপি না বুজলেও আওয়ামীলীগ ঠিকই বোঝে। ওরা মিডিয়াকে এমন ভাবে ইউজ করতে পেরেছে যে, আজকে অনেক মুক্তিযুদ্ধের গল্প কথক এবং লেখক; মুক্তিযোদ্ধাদের চাইতেও বড় হিরো হয়ে গেছে। একটা উদাহরণ দিচ্ছি - সাদেক হোসেন খোকাকে চিনেন? অবিভক্ত ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা দেখতে আনিসুল হকের মত সুদর্শন না, আনিসুল হকের মত সুন্দর ভাবে গুছিয়ে গল্প'ও (!) বলতে পারেন না, অথবা অধ্যাপক জাফর ইকবালের মত গুছিয়ে গল্প (!) লিখতে'ও পারেন না। কিন্তু উনাদের তিন জনের বয়স প্রায় কাছাকাছি হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রয়াত আনিসুল হক এবং জাফর ইকবাল'রা ঘরে বসে রেডিও'তে যখন ঢাকার রেডিও স্টেশান এবং টিভি স্টেশান হামলার নিউজ শুনতেন। গেরিলা যোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা তখন হাতে স্টেনগান নিয়ে সেই হামলায় অংশ নিতেন। আনিসুল হক এবং জাফর ইকবাল'রা ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের যে আজাদের গল্প বলেন বা লিখেন সেই ক্র্যাক প্লাটুনের একজন সদস্য ছিলেন এই সাদেক হোসেন খোকা। বিএনপি'র গর্ব করবার মত, নতুন প্রজন্ম কে জানানোর মত কত ইতিহাস আছে,এচিভমেন্ট আছে। কিন্তু এই প্রজন্ম এসব কিছুই জানে না, যেমন জানে না। বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়া আজ পর্যন্ত কোন নির্বাচনে পরাজিত হন নাই। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে প্রায় ২৮ হাজার ভোটে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন সাদেক হোসেন খোকা।রাজধানী ঢাকাতে রাস্তায় রোড ডিভাইডারে মাঝে গাছ লাগিয়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইডে ভরে যাওয়া শহরে সবুজায়নের প্রকল্প শুরু করা মানুষটি ছিলেন এই সাদেক হোসেন খোকা। মিডিয়া এবং প্রচারণাতে আওয়ামীলীগ এগিয়ে আছে বলেই, মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা যোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে আমেরিকাতে চিকিৎসা নিচ্ছেন এই কথা অনেকে জানে না।অনেকে জানে না মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে সব চাইতে বেশী রাজনীতি করা আওয়ামীলীগের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে, সুদূর আমেরিকাতে চিকিৎসাধীন খোকা ঢাকায় ময়লার গাড়ি পোড়ানো মামলার আসামী হতে হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় সম্পত্তি। কিন্তু, এই দেশের তরুন প্রজন্মের সবাই কে জিজ্ঞাসা করে দেখুন, মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আজাদের গল্প বলে। খোকার বীরত্বের কোন গল্প নেই। দেশের জন্য জীবনবাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে আজ দেশহীন হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন সাদেক হোসেন খোকা। (সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
    Total Reply(0) Reply
  • Mastar Mohammad Hafijullah ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    ঐক্যফ্রন্ট থেকে বিএনপি'র সফলতার আশা দুঃস্বপ্ন ই থেকে যাবে
    Total Reply(0) Reply
  • Faruk Golam ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    বিএনপি নুরের মত নেতা নাই।।যা আছে বিছানায় থেকে উঠতে কষ্ট হয়।।আন্দোলন কিবাভে করবে।
    Total Reply(0) Reply
  • হুমায়ুন কবির ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৭ এএম says : 0
    ঐক্য থাকা ভালো
    Total Reply(0) Reply
  • Alamgir Ahammed ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    এইটা কোন জোট হলো?সবই আকামের মুন্সি!বিরোধীদের কাজ শুধুই আন্দোলন নয় সরকারে ভুল পদক্ষেপগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরা ও দায়িত্বে পরে।
    Total Reply(0) Reply
  • সুমাইয়া শিমু ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    বিএনপি'র উচিৎ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কে বাদ দিয়ে জামায়াতে সাথে হাত মিলানো। জামায়াতে ইসলামী জানে লীগকে কি ভাবে ক্ষমতা থেকে সরাতে হয়।
    Total Reply(0) Reply
  • Faruk Ahmed ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৫৯ এএম says : 0
    বিএনপির উচিৎ নিজের দলে মনোযোগ দেয়া,, অইক্কফ্রন্ট ক্ষতি বয়ে আন্তেছে।
    Total Reply(0) Reply
  • মোঃ সুজন মজুমদার ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:০০ এএম says : 0
    যেই ঐক্যফ্রন্ট ""খালেদা কে?জেল থেকে মুক্ত ""করতে পারে না ""সেটা দিয়ে ""বিএনপির কি?হবে ""বরং এই ঐক্য দিয়ে ""কামালরা লাভবান হচ্ছে
    Total Reply(0) Reply
  • ahammad ২ নভেম্বর, ২০১৯, ১:০৪ এএম says : 0
    বুড়া মিয়া বিএনপির কাদে চড়ে তাদের দুইজনকে সংসদে পাঠাতে সখ্খম হয়েছে। না হয় সতন্ত্র প্রার্থী হলে মেম্বার ও হতে পারতেন না।
    Total Reply(0) Reply
  • Nannu chowhan ২ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৫৪ এএম says : 0
    Eai varot ponthi neta Dr.Kamal, shokar birudhi andolone stobirota antei BNP o onnanno dolke nia oikko front ghoton kore BNP ir moto eto boro bishal dolke stobir kor diase tai BNP ir Shadharon kormira o beshir vag netai iha kono obostatei valo chokhe nite parsrna..
    Total Reply(0) Reply
  • Mustafa Ahsan ৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৬ পিএম says : 0
    ঐক্যফরনট এর কামাল হোসেন সরকারের মেইন এজেন্ট সারাজীবন মুজিবের রাজনিতি করে উনি বুঝি বিএনপির নেত্রীকে মুক্ত করবেন আর বিএনপিকে ক্ষমতায় আনবেন ????? হাস্যকর এবং প্রহসনের একটা সিমা থাকা উচিত বর্তমান বিএনপির মহাসচিব হয় হাসিনার পেইড দালাল এবং বিএনপিকে সপূরন ধ্বংস করতে কামালের সাথে ষড়যন্ত্র লিপ্ত ।বিএনপির কি এতই জনপ্রিয়তার অভাব যে কামাল এর মতো সরকারের দালালদের সাথে আতাত করে আন্দোলন করতে হবে ?
    Total Reply(0) Reply
  • Mustafa Ahsan ৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৭ পিএম says : 0
    ঐক্যফরনট এর কামাল হোসেন সরকারের মেইন এজেন্ট সারাজীবন মুজিবের রাজনিতি করে উনি বুঝি বিএনপির নেত্রীকে মুক্ত করবেন আর বিএনপিকে ক্ষমতায় আনবেন ????? হাস্যকর এবং প্রহসনের একটা সিমা থাকা উচিত বর্তমান বিএনপির মহাসচিব হয় হাসিনার পেইড দালাল এবং বিএনপিকে সপূরন ধ্বংস করতে কামালের সাথে ষড়যন্ত্র লিপ্ত ।বিএনপির কি এতই জনপ্রিয়তার অভাব যে কামাল এর মতো সরকারের দালালদের সাথে আতাত করে আন্দোলন করতে হবে ?
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিএনপি


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ