Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার , ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

ইতিহাসের হাজারে বাংলাদেশ

ওয়েলিংটন টু দিল্লি ভায়া সিডনি

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

‘টি-টোয়েন্টি এক্সপ্রেস’- এমনই এক বাহনে চেপে গতকাল আপনি যদি ওয়েলিংটন থেকে সিডনি হয়ে দিল্লিতে পৌঁছাতে পারতেন তবে আপনি সাক্ষি হতে পারতেন এক রোমাঞ্চকর ইতিহাসের। সেটি সম্ভব না হলেও গতকাল এই তিনটি ভেন্যুতেই যে চোখ ছিল ক্রিকেট রোমান্টিকদের সেটি হলফ করেই বলা যায়।

২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের লড়াই দিয়ে শুরু হয়েছিল আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি পথচলা। গতকালও এই ফরম্যাটের ম্যাচেই ছিল দল দুটি। ওয়েলিংটনে কিউইদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড আর সিডনিতে অজিদের আতিথেয়তা নিয়েছে শীর্ষে থাকা পাকিস্তান। তবে অভিষেক ম্যাচ খেলা এই দল দুটোর সামনেই বিশেষ এক মাইলফলকের অংশ হয়েছে বাংলাদেশ, সঙ্গী ভারতও। দিল্লির এই ম্যাচ দিয়েই দ্রুত জনপ্রিয়তার শীর্ষে উঠা সংস্করণটি স্পর্শ করেছে চার অঙ্কের মাইলফলক। ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হাজারতম ম্যাচ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির বয়স ১৪ বছর পেরিয়ে গেছে। ২০০৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এ সংস্করণে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই তাসমান প্রতিবেশী অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড।এ ম্যাচ নিয়ে ‘উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক’-এ লেখা হয়েছে ‘কোনো দলই ম্যাচটি সিরিয়াসলি নেয়নি।’ সে ম্যাচের পর ক্রিকেট মাঠে পানি গড়িয়েছে অনেক দূর। টেস্ট ও ওয়ানডের মতো টি-টোয়েন্টিও এখন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ সম্ভব পূর্ববর্তী দুটি সংস্করণের তুলনায় গুরুত্ব একটু বেশিই। দর্শক থেকে খেলোয়াড়দের কাছে এ সংস্করণের চাহিদাও ব্যাপক।
আর তাই মাত্র ১৪ বছরের মধ্যেই ছেলেদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হাজারতম ম্যাচটি দেখা যাবে আজ টি-টোয়েন্টি সংস্করণে। টেস্ট ক্রিকেটে হাজারতম ম্যাচটি দেখতে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১০৭ বছর। ১৮৭৭ সালে প্রথম টেস্টের পর হাজারতম ম্যাচটি গড়িয়েছে ১৯৮৪ সালে হায়দরাবাদে (পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড)। ওয়ানডে সংস্করণের যাত্রা শুরু ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ দিয়ে। এ সংস্করণে ১০০০তম ম্যাচটি দেখা গেছে ২৪ বছরের মাথায়। ১৯৯৫ সালে নটিংহামে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটি ছিল ছেলেদের আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে হাজারতম ম্যাচ।
এদিন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির সূচিতে ছিল ৯৯৮, ৯৯৯ ও ১০০০! খেলা শুরুর সময়ের ক্রম অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে এ তিনটি ম্যাচ গড়িয়েছে। এর মধ্যে অকল্যান্ডে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ৯৯৮তম ম্যাচটি খেলে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড। যেখানে ইংল্যান্ডকে ২১ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরেছে স্বাগতিকেরা। সিডনিতে গড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে বাতিল হয়েছে। এ সংস্করণে যা ৯৯৯তম ম্যাচ। ঠিকই ধরেছেন। আর সন্ধ্যায় ছেলেদের ক্রিকেটে ১০০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলতে নামে (রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত) ভারত-বাংলাদেশ। জিততে পারলে মাইলফলকটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের জন্য।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হাজারটি ম্যাচের মধ্যে ৯০টি ম্যাচেই জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের নাম। যার মধ্যে ৫৮টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। এ সংস্করণে যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হার। ১২৩ ম্যাচ খেলা শ্রীলঙ্কা হেরেছে ৬১ ম্যাচ। পাকিস্তান এ সংস্করণে সবচেয়ে বেশি (১৪৮) ম্যাচ খেলেছে। জয়সংখ্যাও (৯০) সবচেয়ে বেশি।

 

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বাংলাদেশ


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ