Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

চট্টগ্রামে জশনে জুলুস ১০ নভেম্বর

লাখ লাখ মানুষ সমাগমের প্রত্যাশা

চট্টগ্রাম ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:৪১ এএম

আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আগামী ১০ নভেম্বর রোববার নগরীতে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হবে। এবার জশনে জুলুসে (র‌্যালি) কমপক্ষে ৬০ লাখ লোকের সমাগম হবে এমনটি আশা প্রকাশ করছেন আনজুমান ট্রাস্টের কর্মকর্তাবৃন্দ। জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মজিআ)। তার সাথে থাকবেন আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ এবং আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামেদ শাহ।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনজুমান ট্রাস্টের উপদেষ্টা ও পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান জুলুসের কর্মসূচি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আনজুমান ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ, আনজুমানের এডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন মো. শাকের, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারী অধ্যাপক শামসুর রহমান, জামেয়ার চেয়ারম্যান অধ্যাপক দিদারুল ইসলাম, এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সুফি মিজানুর রহমান বলেন, আনজুমান ট্রাস্টের এ জশনে জুলুস চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসে চট্টগ্রামের ধর্মপ্রাণ মানুষ। জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) চাটগাঁবাসীর উৎসাহ-উদ্দীপনার অন্যতম নিদর্শন।

তিনি জানান, নগরীর ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ থেকে সকাল ৯ টায় এ জুলুস শুরু হবে। জুলুসটি বিবিরহাট, মুরাদপুর, মির্জাপুল, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, প্যারেড কর্ণার, সিরাজুদ্দৌলা সড়ক, আন্দরকিল্লা, মোমিন রোড, চেরাগি পাহাড়, জামাল খান প্রেস ক্লাব, কাজীর দেউড়ি, আলমাস, ওয়াসা মোড়, জিইসি মোড়, মুরাদপুর হয়ে পুনরায় জামেয়া সুন্নিয়া মাদরাসা ময়দানে এসে মিলিত হবে। এখানে জোহরের নামাজ, ওয়াজ-নসীহত, মিলাদ ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হবে।

বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য জশনে জুলুসের মত এমন একটি নির্মল ইসলামী সংস্কৃতির প্রবর্তক হিসেবে আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (রহ.)-এর প্রতি শোকরিয়া জানিয়ে সুফি মিজানুর রহমান বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে তার নির্দেশেই এদেশে জশনে জুলুস নামক একটি গতিশীল ইসলামি সংস্কৃতি সর্বপ্রথম চালু হয়। চট্টগ্রামে ও ঢাকায় এর প্রথম আয়োজক হবার গৌরব আনজুমান ট্রাস্টের। এরপর থেকে ১২ রবিউল আউয়াল চট্টগ্রামে ও ৯ রবিউল আউয়াল ঢাকায় জুলুস বের হচ্ছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এ জুলুসের ব্যাপ্তি ঘটেছে। এর উৎপত্তি ও সূতিকাগার চট্টগ্রাম হলেও এখন এটা ইসলামী সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে অমরত্ব লাভ করেছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ জুলুস এখন গিনেস বুক রেকর্ডে স্থান পাওয়ার যোগ্যতা রাখে এবং সারাবিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য মিডিয়া এ জশনে জুলুসের ব্যাপারে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি পিএইচপির হেলিকপ্টারে বিশাল এ জশনে জুলুস পর্যবেক্ষণের জন্য প্রেসক্লাব থেকে চারজন সাংবাদিক প্রেরণের জন্য আহ্বান জানান।

 

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মানুষ

২৫ অক্টোবর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ