Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার , ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : বিতরের নামাজ কয় রাকাত? একজন মুফতির কাছে শুনলাম, যদি তিন রাকাত পড়া হয়, তাহলে ২য় রাকাতে বসা যাবে না। উত্তরটি দিলে খুশি হবো।

জুনাঈদ হোসাইন
ই-মেইল থেকে

প্রকাশের সময় : ৫ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:৪০ পিএম

উত্তর : মানুষ রাতে যেসব নামাজ পড়ে এর শেষ নামাজটি বিজোড় রাকাত পড়া ওয়াজিব। বিজোড় মানে বিতর। কেননা, নবী সা. এমন করেছেন এবং অন্যদেরও করতে বলেছেন। তাহাজ্জুদের সময় ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আগে নবী সা. বিতর পড়তেন। অর্থাৎ শেষ দু’রাকাতকে তিন রাকাত বানিয়ে ফেলতেন। আল্লাহর নেক বান্দা ও কায়েমী নামাজীগণ বিতর এভাবেই পড়ে থাকেন। সাধারণ মানুষের জন্য ইশার পর শেষ নামাজ হিসাবে বিতর পড়ার নিয়ম চালু আছে। আপনি যে দু’পদ্ধতিতে বিতর পড়ার কথা জেনেছেন, এ দু’পদ্ধতির বিতরই শরীয়ত সম্মত। আপনি যে ফিকাহ অনুসরণ করেন, সে ফিকাহ অবলম্বনে বিতর পড়বেন। হাদীস শরীফে ও ফিকাহর কিতাবে দু’রকম বিতরই রয়েছে। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশ্ন

১ নভেম্বর, ২০১৯
প্রশ্ন : আমি একটি টিউটোরিয়াল সাইট তৈরি করতে চাচ্ছি। এতে উইন্ডোজ, এম এস ওয়ার্ড ইত্যাদি শেখানো হবে। কয়েকটির শর্ত সাপেক্ষে শুধু বিদেশীদের কাছ থেকে সাবস্ক্রিপশন ফি নিতে চাচ্ছি। শর্তগুলো হলো, এককালিন নির্ধারিত ফি প্রদান করে টিউটোরিয়ালগুলো পড়তে হবে। প্রদানকৃত অর্থ সম্পূর্ণ অফেরতযোগ্য। আমি চাইলে যে কোনো সময় সাইটটি বন্ধ করে দিতে পারব। সাইট যতদিন সচল থাকবে বা আমি যতদিন চাইব, ততদিন সাবস্ক্রিপশসন মেয়াদ থাকবে। আমি চাইলে যে কারও সাবস্ক্রিপশসন বাতিল করতে পারব। উল্লেখ্য যে, সাইটটি তৈরি করতে আমাকে ডোমেইন, হোস্টিং ও অন্যান্য খরচ বাবদ অর্থ ইনভেস্ট করতে হবে, তাছাড়া এটি কম্পিøট করতে আমাকে কয়েক মাস পরিশ্রম করতে হবে। এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি এভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারবো?

আরও
আরও পড়ুন

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ