Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার , ১৫ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

খানাখন্দে একাকার ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক

দুর্ভোগে তিন ইউনিয়নবাসী

মো. আনসারুল হক, ভেড়ামারা থেকে | প্রকাশের সময় : ৮ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০২ এএম

হাজারো খানাখন্দে ভরা কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক। বেহাল রাস্তায় পড়ে এখন বেহাল মোকারিমপুর, বাহাদুরপুর ও জুনিয়াদহ ইউনিয়নের লাখ লাখ মানুষ। প্রতিদিন এ সড়কে তাদের চলতে হচ্ছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। দীর্ঘদিন ধরেই ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক চলাচল অযোগ্য হলেও যেন দেখার নেই। কবে এ সড়ক মেরামত হবে তাও জানে না এ অঞ্চলের মানুষ।
ভেড়ামারা উপজেলার অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ন সড়ক ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক। ফারাকপুর রেলগেট, ব্যাকাপুল, গোলাপনগর, বাহাদুরপুর, কুচিয়ামোড়া, আড়কান্দি, রায়টা হয়ে জুনিয়াদহ বাজার। ১৫ কিলোমিটারের এ সড়ক এখন হাজারো ছোট-বড় খানাখন্দে ভরা। বৃষ্টির কারণে সে খানাখন্দ এখন পুকুরের আকার ধারন করেছে। ব্যাটারিচালিত অটো এবং সিএনজি এ সড়কের প্রধান বাহন। ২০ মিনিটের রাস্তা অতিক্রম করতে এখন সময় ব্যায় হচ্ছে প্রায় ৪০ মিনিট। তাও অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণদের। জীবনের ঝুঁকি তো আছেই। ইঞ্জিনচালিত মালবাহী গাড়ি ভাঙা রাস্তার কারণে যততত্রই উল্টে পড়ে থাকছে। যেন দেখার কেউ নেই। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে এলাকার মানুষ। স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রানো গেছে কয়েক যাত্রীর।
সিএনজি চালক আল আমিন বলেন, ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক এখন মরণফাঁদ। এ সড়কে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গাড়িও নষ্ট হচ্ছে দ্রুত। আগে যেখানে ভেড়ামারায় পৌছাতে ২০ মিনিট লাগতো। এখন সেখানে ৪০/৫০ মিনিটে পৌছারও নিশ্চয়তা নেয়। ভাড়াও বেশি নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। উপায় নেই। বেশি ভাড়া না নিলে গাড়ি মেরামত করে সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়বে।
রাতের সড়ক তো আরো ভয়ংঙ্কর। তিনি দ্রুত রাস্তা সংস্কার করে সাধারন মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ভেড়ামারা-জুনিয়াদহ সড়ক সংস্কারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঝড় উঠেছে। বড় বড় খানাখন্দগুলো অল্প বৃষ্টির পানিতেই পুকুর এবং ধানী জমির মত হয়ে উঠেছে। ফেসবুকে বলা হচ্ছে ভেড়ামারা জুনিয়াদহ সড়কে মাছ চাষ করার জন্য এবং ধান লাগানোর জন্য। ৩ ইউনিয়নের লাখ লাখ মানুষ এ সড়কের কারনে এখন ক্ষুদ্ধ। সরকারের সব উন্নয়ন এ সড়কের কারনে মøান হতে চলেছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সড়ক


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ