Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার , ২০ নভেম্বর ২০১৯, ০৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : নামাজের ক্যালেন্ডারে যে জোহরের ওয়াক্ত শুরুর কথা উল্লেখ আছে, তার কতক্ষণ আগে পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষেধ?

প্রফেসর মহিউদ্দীন আহমাদ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

উত্তর : ওয়াক্ত শুরুর ইমিডিয়েট আগেই নামাজ পড়ার নিষিদ্ধ সময় শেষ হয়। ক্যালেন্ডারে বর্ণিত জোহরের ওয়াক্ত শুরুর সময়টিতেই নামাজ পড়া যাবে। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • Anisur Khan ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৪৪ এএম says : 1
    আমি কেনার জন্য তাদের ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছি বলে তারা আমাকে মাসিক সমস্ত ক্রয় থেকে নগদ ফেরত (1/2/3)% দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ প্রতি মাসে যদি আমি 00 10000 ব্যয় করি তবে আমি 10 ডলার বা 15 ডলার ফিরে পাব। এমনকি আমি তাদের কোনও সুদও দিচ্ছি না, আমি তাদের মাসিক ফেরত দেওয়ার কারণে ব্যাংক কোনও সুদ নিচ্ছে না। তো আমার প্রশ্ন আমি যে নগদ ফেরত পাচ্ছি তা কি হালাল নাকি?
    Total Reply(0) Reply
  • Asikoor ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ এএম says : 0
    Ten minutes before Johor salat there will be no salat.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

প্রশ্ন : আমি ছোটোখাটো ব্যবসা করছি। কোনোরকম দিন চলছে। কিন্তু খুব কষ্টে। বাড়িভাড়াসহ যাবতীয় খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। নিজস্ব জায়গাজমি নেই। আমি চেয়েছিলাম ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কিছু জমি কিনি। যাতে বাড়িভাড়া থেকে অন্তত বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু ব্যাংক থেকে লোন নিতে গেলে ব্যবসার কথা বলে নিতে হয়। এ নিয়ে আমি ব্যাংকের সাথে লেনদেনও করেছি। যখন লোন প্রসেসিং করতে যাবো তখন আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে লোনের ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। তিনি সরাসরি বলেছেন, লোন হারাম। এটা সুদ। আসল কথা হচ্ছে- ব্যাংক লোন কি সত্যিই হারাম ? যদি তাই হয় তাহলে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যে লোন নিয়ে বিজনেস করছে সেগুলো কী ? ব্যাংক লোন ছাড়াও এনজিও বা সমিতি থেকে কিস্তি বা লোন নেয়া কী জায়েজ হবে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য ? যদি হারাম বা সুদ হয়ে থাকে, তাহলে আমার করণীয় কী?

উত্তর : হালাল পদ্ধতিতে লোন নেওয়া সম্ভব হলে নিতে পারেন। তবে, আমাদের দেশে প্রচলিত লোনের পদ্ধতি ব্যাংক বা সমিতিতে যা চালু আছে, এর প্রায় সবই

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ