Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার , ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন : নামাজের ক্যালেন্ডারে যে জোহরের ওয়াক্ত শুরুর কথা উল্লেখ আছে, তার কতক্ষণ আগে পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষেধ?

প্রফেসর মহিউদ্দীন আহমাদ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

উত্তর : ওয়াক্ত শুরুর ইমিডিয়েট আগেই নামাজ পড়ার নিষিদ্ধ সময় শেষ হয়। ক্যালেন্ডারে বর্ণিত জোহরের ওয়াক্ত শুরুর সময়টিতেই নামাজ পড়া যাবে। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • Anisur Khan ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৪৪ এএম says : 1
    আমি কেনার জন্য তাদের ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছি বলে তারা আমাকে মাসিক সমস্ত ক্রয় থেকে নগদ ফেরত (1/2/3)% দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ প্রতি মাসে যদি আমি 00 10000 ব্যয় করি তবে আমি 10 ডলার বা 15 ডলার ফিরে পাব। এমনকি আমি তাদের কোনও সুদও দিচ্ছি না, আমি তাদের মাসিক ফেরত দেওয়ার কারণে ব্যাংক কোনও সুদ নিচ্ছে না। তো আমার প্রশ্ন আমি যে নগদ ফেরত পাচ্ছি তা কি হালাল নাকি?
    Total Reply(0) Reply
  • Asikoor ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ এএম says : 0
    Ten minutes before Johor salat there will be no salat.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

প্রশ্ন : কিছুদিন আগে আমার স্ত্রী আমাকে বলে যে, আমি যেন আমার দুধের শিশুকে আমার সাথে নিয়ে যাই। এ কথার উত্তরে আমি তাকে বলি, ‘তোমার মতো মায়ের আমার দরকার নাই, যে তার দুধের শিশুকে অন্যের কাছে ছেড়ে যায়।’ উল্লেখ্য যে, তখন আমার স্ত্রীর হায়েজ (মাসিক) চলছিল। পরে অবশ্য আমার কথা ফিরিয়ে নিয়ে আমি বলি যে, ‘তোমার দরকার আছে’। এখন প্রশ্ন হলো, একথার দ্বারা কি আমার স্ত্রী তালাক হয়ে গেছে। আর উপরোক্ত কথা যখন বলি, তখন আমার তালাকের নিয়ত ছিল কি না, এখন আর খেয়াল নেই।

উত্তর : যেহেতু খেয়াল নেই, তাই তালাক না হওয়ারই কথা। এরপরও যদি হয়ে থাকে তাহলে সেটি ছিল প্রত্যাবর্তনযোগ্য এক তালাক। যা স্ত্রীকে কমবেসী ৩ মাসের

প্রশ্ন : আমার বোনের স্বামী উনাকে তালাকনামা পাঠিয়ে দিয়েছেন। তালাকনামায় তিন তালাকের কথা উল্লেখ করেছেন। তালাকনামার এক কপি চেয়ারম্যান, এক কপি আমার আব্বু আর এক কপি আমার বোনের কাছে পাঠিয়েছেন। প‚র্বে উনি অনেকবার মুখেও বলেছিলেন তালাক এর কথা (এক বার করে)। কিন্তু এরপর আবার স্বামী-স্ত্রী স্বাভাবিক হয়ে যান। কিন্তু এইবার এই কাজ করে ফেলেছেন। এখন উনি বলছেন উনি তালাক নামা বাতিল করবেন। আমরা জানি যে এই দেশের আইন অনুযায়ী তালাকনামা বাতিল যোগ্য। কিন্তু আমার প্রশ্ন ইসলামের দৃষ্টিতে কি এই বিয়ে আর আছে নাকি? তালাকনামায় অনেক ধরনের মিথ্যা কথা উল্লেখ করেছেন। আসলে আমার নিজের বোন দেখে বলছিনা। সত্যি যেসকল কারণ দেখিয়েছেন সব মিথ্যা আর বানোয়াট।

উত্তর : প্রথম এক তালাক দিয়ে সংসারে ফিরে আসায় বিয়ে বহাল আছে। এবারও কাগজপত্রে তিন তালাক দিয়ে আপনার দুলাভাই মূলত কী বোঝাতে চান বা আসলে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ