Inqilab Logo

ঢাকা শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ১৭ আশ্বিন ১৪২৭, ১৪ সফর ১৪৪২ হিজরী
শিরোনাম

প্রশ্ন : নামাজের ক্যালেন্ডারে যে জোহরের ওয়াক্ত শুরুর কথা উল্লেখ আছে, তার কতক্ষণ আগে পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষেধ?

প্রফেসর মহিউদ্দীন আহমাদ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।

প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০৫ এএম

উত্তর : ওয়াক্ত শুরুর ইমিডিয়েট আগেই নামাজ পড়ার নিষিদ্ধ সময় শেষ হয়। ক্যালেন্ডারে বর্ণিত জোহরের ওয়াক্ত শুরুর সময়টিতেই নামাজ পড়া যাবে। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
[email protected]



 

Show all comments
  • Anisur Khan ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১:৪৪ এএম says : 1
    আমি কেনার জন্য তাদের ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছি বলে তারা আমাকে মাসিক সমস্ত ক্রয় থেকে নগদ ফেরত (1/2/3)% দিচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ প্রতি মাসে যদি আমি 00 10000 ব্যয় করি তবে আমি 10 ডলার বা 15 ডলার ফিরে পাব। এমনকি আমি তাদের কোনও সুদও দিচ্ছি না, আমি তাদের মাসিক ফেরত দেওয়ার কারণে ব্যাংক কোনও সুদ নিচ্ছে না। তো আমার প্রশ্ন আমি যে নগদ ফেরত পাচ্ছি তা কি হালাল নাকি?
    Total Reply(0) Reply
  • Asikoor ১৫ নভেম্বর, ২০১৯, ১১:০৬ এএম says : 0
    Ten minutes before Johor salat there will be no salat.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

আমার মা খালারা চার বোন, এক ভাই। নানা নানী মারা গেছে। এখন আমার মা খালারা নানার সম্পত্তির যে অংশ পাবে তা নিয়ে আসতে চায়। কিন্তু আমার মামা এবং এক খালা বলে, মা খালারা যে সম্পত্তি পাবে তা থেকে অর্ধেক এবং কম দামী জমি আনতে এবং মামা, মামী আমাদের সাথে খুবই দুর্ব্যবহার করে। কিন্তু আমার মা এবং অন্য দুই খালারা তাতে রাজি না। এতে এক খালা এবং মামা, আমার মা এবং দুই খালাকে বার বার জোর জবরদস্তি করে। এখানে উল্লেখ্য যে, আমার এক খালা এবং মামার আর্থিক অবস্থা খুবই ভাল। তাদের ছেলে মেয়েরা আমেরিকা এবং জাপান থাকে। অন্য দিকে আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। এই অবস্থায় আমার এক খালা এবং মামার প্রস্তাব কুরআন এবং হাদিসের আলোকে কতটা যৌক্তিক। জানালে উপকৃত হব।

উত্তর : কোরআন ও সুন্নাহ এ ক্ষেত্রে সমমূল্যের সম্পত্তি সবাইকে দেওয়ার কথা বলে। তবে, ওয়ারিশানরা একমত হয়ে কোনো ছাড় দিলে বা সমঝোতা করলে এটাও শরীয়ত

আমি শরিয়তের হুকুম আহকাম মোতাবেক চলার চেষ্টা করি। পারিবারিক বাধা সত্বেও দাড়ি টুপি ব্যবহার করছি। ১ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। বিয়েতে আমি পরিপূর্ন শরিয়ত মানার চেষ্ঠা করেছি এতে পরিবারের সবাই নারাজ হয়। বড় বোন জামাইয়ের নারাজির কারণে মা-বাবাও খুশি নন। পর্দার খেলাফ এবং আমার কর্মক্ষেত্র দূরে হওয়ায় আমার স্ত্রীকে আমার কাছে নিয়ে আসি। এইজন্য আমার মা আমার প্রতি অসন্তুষ্ট। তিনি আমার স্ত্রীকে ফোনে গালিগালাজ করে। বড় ভাই নেশাগ্রস্থ ও অন্যান্য অপরাধের সাথে যুক্ত থাকার পরেও তারা তাকেই বেশী আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়। মাস শেষে টাকা নেওয়ার জন্য ফোন করা ছাড়া আমার সাথে তারা কোনো যোগাযোগ রাখে না। এই অভিমানে আমিও যোগাযোগ কম করি এবং ৬ মাস যাবৎ বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দেই। এতে তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। যদিও তাদের জন্য আমার কষ্ট হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি?

উত্তর : তাদের জন্য আপনার কষ্ট হওয়াটা আপনার ভালো মানুষির চিহ্ন। এটি সন্তান হিসাবে, ভাই হিসাবে, পরিবারের সদস্য হিসাবে আপনার প্রশংসনীয় অনুভূতি। এটুকুর জন্য ইনশাআল্লাহ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ