Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার , ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী

বাকশাল ছিল সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৪:৪৪ পিএম

‘দেশের অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ওই ঐক্যের নাম ছিল বাকশাল, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ। বাকশাল ছিল সব শ্রেণির মানুষকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম।’- আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জাতীয় শ্রমিক লীগের জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধ শিল্প কারখানাগুলোর মালিক যারা পাকিস্তানি ছিলেন সেই কারখানাগুলো জাতীয়করণ করে পুনরায় চালু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ৮২ শতাংশ মানুষ তখন দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছিলেন। শ্রমিক শ্রেণির ভাগ্য পরিবর্তনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের জন্য কাজ করেছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের শিকার হচ্ছিল বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, গণতন্ত্রকে সুসংহত এবং বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা- এ লক্ষ্য সামনে নিয়ে বঙ্গবন্ধু সকল দল, মত, সরকারি-বেসরকারি, সামরিকসহ সব প্রতিষ্ঠান, সবাইকে একত্রিত করে একটি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সকলে এক হয়ে কাজ করে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।

‘তিনি যে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন তখন বাংলাদেশে ১৯টি জেলা ছিল। এই বাংলাদেশকে তিনি সাতটি জেলায় ভাগ করেছিলেন। যতগুলো সাব ডিভিশন অর্থাৎ মহাকুমা ছিল প্রত্যেকটা মহাকুমা তিনি একটা জেলায় রূপান্তর করে ৃসাতটি জেলায় উন্নীত করে সেখানে গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন যাতে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ করে একবারে তৃণমূল মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেয়া যায়।
তিনি সকলকে নিয়ে যে প্ল্যাটফর্ম করেছিলেন তা ছিল ঐক্যের প্ল্যাটফর্ম যাকে সবাই বাকশাল বলে। তার এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে তিনি চেয়েছিলেন বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি দ্রুত করতে।’

জাতীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমস্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান ছাড়াও বিদেশি অতিথিগণ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন ফজলুল হক মন্টু। এতে মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল শহীদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।



 

Show all comments
  • Nadim ahmed ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:৫৫ পিএম says : 0
    BAKSHAL was the curse for Bangladesh, and it become the same now.
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর, ২০১৯

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ