Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার , ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

প্রশ্ন: আমি ছোটো থাকতে বাসার বাজারের টাকা থেকে কিছু টাকা মেরে দিতাম। এছাড়াও বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করতাম। আমি অনেক ক্রেতার কাছ থেকে দাম ইচ্ছে করেই বেশি নিয়েছি। দোকান থেকে টাকা চুরি করেছি। অনেকের হক খেয়েছি। এখন বুঝতে পেরেছি যে, অন্যের হক হরণকারীকে আল্লাহ কখনো ক্ষমা করেন না। এখন এসব পরিশোধ করবো কীভাবে? আমার সে সামর্থও নেই যে তাদের কাছে টাকা ফেরত দেবো বা তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার মতো ব্যবস্থাও নেই। আমি টুকিটাকি দান-সদকা করি এই নিয়তে যে, আমার এই দানগুলো যাদের হক খেয়েছি, তাদের আমল নামায় লিপিবদ্ধ হোক। এটা কি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য?

ইমরান আহমদ
সিলেট

প্রকাশের সময় : ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ৮:২৯ পিএম

উত্তর : আপনার বুঝের জন্য আল্লাহর শোকরিয়া করুন। যতদূর সম্ভব আদায় করে করে হালকা হোন। যেখানে আদায় করা সম্ভব নয়, ক্ষমা চেয়ে নিন। যেখানে এটাও সম্ভব নয়, তাদের নিয়তে যতটুকু সম্ভব দান-খয়রাত করতে থাকুন। এরপরও তাদের জন্য রহমত ও মাগফেরাতের দোয়া করুন। নিজের গোনাহের জন্য আল্লাহর কাছে বাকী জীবন তাওবা ইস্তেগফার করতে থাকুন। আল্লাহ অপারগ বান্দার যে কোনো গোনাহ মাফ করতে পারেন। প্রয়োজনে ওসব বান্দাকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে হলেও আল্লাহ সত্যিকার তওবাকারী বান্দাকে ক্ষমা করতে পারেন। নিজ পিতার কাছ থেকে ছোটবেলা নেওয়া টাকা পয়সার দাবী আল্লাহ আরও সহজে ক্ষমা করবেন বলে আশা করা যায়। পিতা-মাতার খেদমত ও তাদের জন্য দোয়ার মাধ্যমে এসব হক থেকে মুক্ত হওয়া যেতে পারে। নিজ বুঝ জ্ঞান অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহন, তওবা ও ক্ষতিপূরণ করার পরও আল্লাহর রহমতের জন্য আজীবন ইবাদত ও দোয়া চালিয়ে যেতে থাকুন। 

উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা মুফতি উবায়দুর রহমান খান নদভী
সূত্র : জামেউল ফাতাওয়া, ইসলামী ফিক্হ ও ফাতওয়া বিশ্বকোষ।

ইসলামিক প্রশ্নোত্তর বিভাগে প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা
inqilabqna@gmail.com



 

Show all comments
  • Sakil ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ৪:০২ পিএম says : 0
    Good question
    Total Reply(0) Reply
  • Mamun ১৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:২৬ পিএম says : 0
    লেখক আতিকুল্লাহ কোথায়?ওনাকে নিয়ে একটা রিপোর্ট করেননা,ওনার লেখা আমার খুব ভাল লাগতো।
    Total Reply(0) Reply
  • Mamun ১৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:২৬ পিএম says : 0
    লেখক আতিকুল্লাহ কোথায়?ওনাকে নিয়ে একটা রিপোর্ট করেননা,ওনার লেখা আমার খুব ভাল লাগতো।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন

প্রশ্ন : কিছুদিন আগে আমার স্ত্রী আমাকে বলে যে, আমি যেন আমার দুধের শিশুকে আমার সাথে নিয়ে যাই। এ কথার উত্তরে আমি তাকে বলি, ‘তোমার মতো মায়ের আমার দরকার নাই, যে তার দুধের শিশুকে অন্যের কাছে ছেড়ে যায়।’ উল্লেখ্য যে, তখন আমার স্ত্রীর হায়েজ (মাসিক) চলছিল। পরে অবশ্য আমার কথা ফিরিয়ে নিয়ে আমি বলি যে, ‘তোমার দরকার আছে’। এখন প্রশ্ন হলো, একথার দ্বারা কি আমার স্ত্রী তালাক হয়ে গেছে। আর উপরোক্ত কথা যখন বলি, তখন আমার তালাকের নিয়ত ছিল কি না, এখন আর খেয়াল নেই।

উত্তর : যেহেতু খেয়াল নেই, তাই তালাক না হওয়ারই কথা। এরপরও যদি হয়ে থাকে তাহলে সেটি ছিল প্রত্যাবর্তনযোগ্য এক তালাক। যা স্ত্রীকে কমবেসী ৩ মাসের

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ