Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার , ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

ডায়াবেটিস চিকিৎসা গাইডলাইন ও ‘ডায়াবেটিস জার্নি’ অ্যাপ চালু

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ নভেম্বর, ২০১৯, ৬:৩৮ পিএম

চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মত সরকার স্বীকৃত ডায়াবেটিস চিকিৎসা গাইডলাইন চালু হয়েছে। বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিস কন্ট্রোল প্রোগ্রাম যৌথভাবে এই ‘ডায়াবেটিস কেয়ার বাডাস গাইডলাইন ২০১৯’ প্রণয়ন করেছে।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং চিকিৎসকদের সুবিধার্থে অ্যাপ্লিকেশনভিত্তিক ডায়বেটিস চিকিৎসা সহায়িকা ‘ডায়াবেটিস জার্নি’ চালু করা হয়েছে। নতুন গাইডলাইনের উপর ভিত্তি করে অ্যাপটি তৈরি করেছে নভো নরডিস্ক এবং বাডাস।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই গাইডলাইন প্রকাশ এবং অ্যাপটির সূচনা করা হয়।

বাডাস’র সভাপতি অধ্যাপক একে আজাদ খান বলেন, “এই গাইডলাইনটি ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসা রূপরেখার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।” তিনি আরও বলেন, এই অ্যাপটি রোগের ধরণ ও রোগীদের প্রয়োজন বুঝে সঠিক চিকিৎসা পরামর্শ দিতে চিকিৎসকদের জন্য সহায়ক হবে।

বাডাস’র সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েফ উদ্দীন বলেন, “প্রতিটি নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। বাডাস বাংলাদেশে ডায়াবেটিস চিকিৎসা ও সেবা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

নভো নরডিস্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনান্দ শেঠী বলেন, ডায়াবেটিস কেয়ারে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে নভো নরডিস্ক স্বাস্থ্য সেবায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রবর্তনে আগ্রহী। তিনি বলেন, ডায়াবেটিস জার্নি অ্যাপ্লিকেশন এবং দেশের প্রথম জাতীয় ডায়াবেটিস রোগী নিবন্ধন এ ডিজিটালাইজেশনের বড় উদাহরণ এবং বর্তমান সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রচেষ্টারও সহায়ক।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন বলেন, “টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অসংক্রামক ব্যাধিগুলোকে মোকাবেলা করতে হবে। সরকার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এ ব্যাধিগুলো নিয়ে কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “আমি জেনে আনন্দিত যে, বাংলাদেশে নভো নরডিস্কের ইনসুলিন উৎপাদন ব্যবস্থা ডায়াবেটিস রোগীদের মানসম¥ত ইনসুলিন প্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ফারুক পাঠান, অধ্যাপক এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল; আব্দুল আলিম, সহকারী পরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিস কন্ট্রোল প্রোগ্রাম; বাডাসের সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ রিসার্চের সমন্বয়ক বিশ্বজিৎ ভৌমিক; নভো নরডিস্কের হেড অব মেডিক্যাল অ্যান্ড কোয়ালিটি মোহাম্মাদ মাহবুবুর রহমান এবং হেড অব কমার্শিয়াল অ্যাফেয়ার্স মো. তানবির সজীব।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: স্বাস্থ্য


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ