Inqilab Logo

ঢাকা, শনিবার , ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

বিএনপি’র নেতিবাচক রাজনীতির কারণে দল ছাড়ছেন নেতারা

সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৪ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০১ এএম

বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতির কারণে সিনিয়র নেতারা দল ছাড়ছেন, বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর বাবু গতকাল বলেছেন, বিএনপি হচ্ছে একটি বটগাছ, যার নিচে মানুষ আসবে, বিশ্রাম নিয়ে চলে যাবে এ মন্তব্যের প্রতি তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, গয়েশ্বর বাবুর এ মন্তব্যের পর অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, গয়েশ্বর বাবু নিজে কখন বিএনপি’র গাছতলা থেকে চলে যাবেন? হাছান বলেন, বিএনপি থেকে তাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ দল ত্যাগ করে চলে যাচ্ছে, বিএনপি ছেড়ে যাচ্ছে, সেই ছেড়ে যাওয়া লিস্টে আরো বহুজন আছে। এই হতাশাজনক পরিস্থিতিতে গয়েশ্বর বাবু হতাশা কাটানো আার আত্মতুষ্টির জন্য এই কথা বললেও তাদের দল ত্যাগ করা তারা ঠেকাতে পারবেন না।
নুর হোসেন গণতন্ত্রের প্রতীক -তথ্যমন্ত্রী
শহীদ নূর হোসেনকে উদ্দেশ্য করে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গার অবমাননাকর মন্তব্যের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, নূর হোসেন হচ্ছে গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি ১৯৯০ সালের ১০ নভেম্বর বুকে লিখেছিলেন- স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। তিনি জীবন্ত পোষ্টার হয়ে তখনকার স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। সে কারণেই তাকে টার্গেট করে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। নূর হোসেন সম্পর্কে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক, অনভিপ্রেত’ উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নূর হোসেন জীবন্ত প্রতীক হিসেবে আমাদের দেশে গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠিত। তার সম্পর্কে এ ধরনের বক্তব্য অনভিপ্রেত, দুঃখজনক, অগ্রহণযোগ্য। তবে মশিউর রহমান রাঙ্গা যে তা বুঝতে পেরেছেন, সেজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি গতকাল তার এই বক্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ও বলেছেন যে, তার এই বক্তব্য সঠিক হয়নি।



 

Show all comments
  • মজলুম জনতা ১৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:৫৮ এএম says : 0
    ডান,বাম,ইসলাম,সমাজতন্ত্র,গনতন্ত্র, ইসলামী মুল্যবোধ,মুলত এই তিনটি ভাবধারার রাজনিতিই আমাদের দেশে চলমান।তবে আজ দেখা যায়,এই তিনধারার রাজনিতি একাকার।স্বীয় আর্দশিক ভিত্তির কেউ ই গুরুত্ত্ব না দিয়ে খমতার ভাগাভাগিতে ব্যাস্ত।তাই আর্দশিক রাজনিতির বুনোট গুলো ধীরে ধীরে আলগা হয়ে যাচ্ছে।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ