Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার , ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৮ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

বোয়ালমারীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষে হামলা

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৭ নভেম্বর, ২০১৯, ১২:০২ এএম

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের বনচাকী গ্রামে দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলায় কমপক্ষে ২৫টি বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুই পক্ষকে ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় বনচাকী গ্রামের সহিদুল সিকদারের স্ত্রী শাহরন বেগম বাদি হয়ে গত শুক্রবার রাতেই চতুল ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের একাংশের আহবায়ক শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটুকে (৪৫) প্রধান আসামিসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

জানা যায়, বনচাকী গ্রামের ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. জালাল সিকদার ও সাবেক ইউপি সদস্য রহমান মৃধার মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ৭-৮দিন আগে বনচাকী মাদরাসার শিক্ষক নুর আলমকে মাদরাসায় যাওয়ার পথে রহমান মৃধার লোকজন মারধর করে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার বিকেলে রহমান মৃধার লোকজন ও জালাল সিকদারের লোকজন দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে পাল্টাপাল্টি বাড়ি ঘরে হামলা চালায়। এ হামলায় রহমান মৃধার পক্ষের ১২-১৩টি ও জালাল সিকদারের পক্ষে ১১-১২টি বাড়ি ভাঙচুর করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয় পক্ষকে ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় সেখান থেকে মিজানুর রহমান, হামিদুল খান, মনোয়ার, হাসমতউল্লাহ, জিন্নাত শেখ ও সাকি মিয়াকে আটক করে। এ ব্যাপারে রহমান মৃধা ও জালাল সিকদার ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

চতুল ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের একাংশের আহবায়ক শরীফ সেলিমুজ্জামান লিটু বলেন, ওই এলাকার হামলার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। আমি হামলার খবর পেয়ে ঠেকানোর জন্য খুব চেষ্টা করেছিলাম। রহমান মৃধা ও জালাল সিকদারকে বারবার ফোন করে হামলা চালাতে নিষেধ করেছি। প্রশাসনের সাথে অনেকবার যোগাযোগ করছি যাতে কোনো রকম হামলা বা সংঘর্ষ না হয়। আমাকে রাজনৈতিক ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসামি করা হয়েছে।

উপজেলা থানা ইনচার্জ মো. আমিনুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। রাত থেকেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে এ এলাকায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আটকৃতদের গতকাল শনিবার ফরিদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ