Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার , ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১ পৌষ ১৪২৬, ১৮ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী

পঞ্চগড়ে কাজী ফার্মসের জোনাল অফিসে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

পঞ্চগড় জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৯:২৪ পিএম

পঞ্চগড়ে কাজী ফার্মস লিমিটেড জোনাল অফিসের সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও কর্মচারী-কর্মকর্তাদের মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ছয় জন। এদের মধ্যে দুই জনকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে জেলা শহরের মসজিদপাড়া মহল্লার কাজী ফার্মস গ্রুপের পঞ্চগড় জোনাল অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও কাজী ফার্মস অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার বিকাল আড়াইটার দিকে ৮/ ১০ জন যুবকের একটি দল কাজী ফার্মস গ্রুপের পঞ্চগড় জোনাল অফিসে ঢুকে। তারা নির্বাহী কর্মকর্তা (হিসাব) নাজিম উদ্দিনের কাছে জেনারেল ম্যানেজার কোথায় জানতে চান। তিনি দুপুরের খাবারের জন্য বাইরে আছেন জানালে নাজিম উদ্দিনকেই অতর্কিত মারপিট শুরু করে ওই যুবকরা। এ সময় অফিসের হিসাব কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ এগিয়ে আসলে তাকেও মারপিট করা হয়। এক পর্যায়ে তারা অফিসের কম্পিউটার, কম্পিউটার টেবিল, চেয়ার টেবিল ভাংচুরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তছনছ করে। এ সময় তারা কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনসহ নগদ টাকাও লুটপাট করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় হিসাব শাখার নির্বাহী নাজিম উদ্দিন, হারুন অর রশিদ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (স্টোর) জিয়াউর রহমান, সিনিয়র অফিসার (ট্রান্সপোর্ট) রেজাউল করিম হাওলাদার, এক্সিকিটিভ (প্রশাসন) মনিরুজ্জামান, ট্রেইনি অফিসার আব্দুর রাজ্জাক আহত হন। আহতদের মধ্যে নাজিম উদ্দিন ও হারুন অর রশিদ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর অল্প সময়ের মধ্যে হামলাকারীরা চলে যায় এবং তাদের কাউকে চিনতে পারেননি বলে দাবি করেন অফিসের কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে পঞ্চগড় থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ এ হামলাকারীদের ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান কমর্কতারা।
কাজী ফার্মস গ্রুপ পঞ্চগড় জোনাল অফিসের ডেপুটি ম্যানেজার আকরামুজ্জামান শেখ বলেন, আমি অফিসের বাইরে ছিলাম। খবর শুনে দ্রুত অফিসে আসি। এসে জানতে ৮/১০ জনের একটি দল আকস্মিক অফিসে ঢুকে কর্মকর্তা কর্মচারিদের মারপিট করে। এ সময় তারা অফিসে ব্যাপক ভাংচুর চালায় এবং মোবাইল ও নগদ টাকা লুটপাট করে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারিদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাদের পরামর্শে মামলার প্রস্তুতিও নেয়া হচ্ছে।
সদর থানার ওসি আবু আককাস আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। যতটুকু জেনেছি কম্পিউটার ভাংচুর নয়, ফেলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্য কিছুর তথ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে এখনো কোন অভিযোগও আসেনি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ